• ই-পেপার

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

এমপি গাজী নজরুলের আরো এক ভিডিও ভাইরাল, সঙ্গে তরুণী

অনলাইন ডেস্ক
এমপি গাজী নজরুলের আরো এক ভিডিও ভাইরাল, সঙ্গে তরুণী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরো একটি ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে তাকে এক তরুণীর সঙ্গে ‘অন্তরঙ্গ’ অবস্থায় দেখা যায়। তবে ভিডিওতে থাকা তরুণী সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি।

এর আগে এক তরুণীর সঙ্গে এমপি নজরুলের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও তিনি এবং তার পরিবার ওই তরুণীকে নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছে।

এরই মধ্যে তরুণীকে নিয়ে হোটেলে প্রবেশের নতুন আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে নতুন এই ভিডিওতে থাকা তরুণী তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ মরিয়ম কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সিসিটিভি ফুটেজের ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম প্রথমে হোটেলে প্রবেশ করে কাউন্টারে থাকা লোকের সঙ্গে কথা বলছেন। এরপরই ওই তরুণী প্রবেশ করে নজরুল ইসলামের পাশে এসে দাঁড়ান। কাউন্টারে থাকা ব্যক্তির হাতের ইশারায় তারা দুজন হোটেলের কক্ষের দিকে হাঁটা শুরু করেন।

কিছুক্ষণ কক্ষের বাইরেই তাদের  ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কিছু দৃশ্যে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়।

চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১৯

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১৯
ছবি: কালের কণ্ঠ

চুয়াডাঙ্গায় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে নারী-শিশুসহ অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয় জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজনের শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সকাল পৌঁনে ১০টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা ছেড়ে যায় রয়েল এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী একটি বাস। বাসটি সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের গাছে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের ১৯ জনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এর মধ্য একজনের শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আহতদের মধ্যে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ৭ জন রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময় বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরষ ও মহিলা ওয়ার্ডে ১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া তিন জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

নারায়ণগঞ্জে বাস থামিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে বাস থামিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৪
ছবি: কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কে পরিবহন থামিয়ে চালক-হেলপারদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান।

বুধবার (২২ জুলাই) সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ও মিজমিজি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন সাখাওয়াত হোসেন সৈকত (৪০), সেন্টু (৪০), রবিন (৩৫) ও ইউসুফ (২৬)। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গত ২৬ মে সকালে জামালপুর থেকে নারায়ণগঞ্জগামী মালঞ্চ পরিবহনের একটি বাস সানারপাড় ইউটার্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা ৭-৮ জন দুর্বৃত্ত বাসের গতিরোধ করেন। পরে চালক আমিনুল ইসলাম ও হেলপার নজরুল ইসলামকে মারধর করে নগদ ৯ হাজার ৫০০ টাকা, প্রায় ২৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্পেয়ার চাকা, গাড়ির কাগজপত্র এবং একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে কাগজপত্র ফেরত দেওয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে আরো ৬ হাজার টাকা আদায় করেন। এ ঘটনায় মালঞ্চ পরিবহনের পরিচালক গোলাম মোস্তফা রানা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে সিদ্ধিরগঞ্জসহ আশপাশের সড়ক ও মহাসড়কে পরিবহন থামিয়ে চালক-হেলপারদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় হত্যা, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

শিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চুপ থাকতে ৫০০ টাকা!

পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
শিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চুপ থাকতে ৫০০ টাকা!
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৩) প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর তাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিনের (৫৫) বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে পিটুনি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে চরজব্বর থানায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। ওই দিন সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক কামালকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। অভিযুক্ত উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিয়াছ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ভুক্তভোগী তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। ছাত্রী শিক্ষিকার ঘরে গিয়ে দেখে তিনি ঘরে নেই। এ সময় শিক্ষিকার বাবা কামাল দরজা খুলে ওই ছাত্রীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ৫০০ টাকা দিয়ে ওই ছাত্রীকে বিদায় করে দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। একপর্যায়ে একই দিন সন্ধ্যায় এলাকাবাসী কামালকে আটক করে পিটুনি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

চরজব্বর থানার ওসি রফিকুল হাসান বলেন, ‘নির্যাতিত ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। শারীরিক ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার | কালের কণ্ঠ