• ই-পেপার

সিলেটে তিন শ কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ি নির্মাণ করলেন ব্যবসায়ী মাহতাবুর

জুলাই শহীদ ও আহতদের পাশে থাকার আশ্বাস এমপি মান্নানের

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
জুলাই শহীদ ও আহতদের পাশে থাকার আশ্বাস এমপি মান্নানের
ছবি : কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি বলেন, ‘যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন সব সময় তাদের পাশে ছিলাম। আগামীতেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকব।’

​বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

​শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এমপি মান্নান বলেন, ‘আমরা জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে জুলাই বিপ্লবের প্রতিটি যোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের শুরুটা হয়েছিল এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই। আন্দোলনের উত্তাল সেই সময়ে আমাকে লক্ষ্য করে যখন গুলি চালানো হয়, তখন নেতাকর্মীরা আমাকে মানবঢাল তৈরি করে ঘিরে রেখেছিলেন। সেই মুহূর্তেই আমার মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া একটি গুলি সরাসরি শাওনের শরীরে লাগে এবং সে রাজপথেই লুটিয়ে পড়ে মৃত্যুবরণ করে। এই ঘটনাটিই সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।’

জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জেনেছি আমাদের সোনারগাঁয়ে ৩ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। এ ছাড়া অসংখ্য ছাত্র ও নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের সবার তালিকা উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত আছে। সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে তারা যেন সবার আগে অগ্রাধিকার পায়, সেটি আমি নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ।’

​স্মরণসভা শেষে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, জামায়াত নেতা খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সোনারগাঁ শাখার সভাপতি ফারুক আহমেদ মুন্সী, জাতীয় যুব শক্তির (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক তুহিন মাহমুদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, কাউসার আহমেদ প্রমুখ। 

এ ছাড়া জুলাই শহীদদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ১০ শ্রমিক

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ১০ শ্রমিক
ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ হয়েছেন ১১ জন শ্রমিক। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। আহত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, কাজ করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে।

দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) ও সেলিম উদ্দিন (৩০)। এছাড়া আহসানুল হক (৪৫) নামে আরো এক শ্রমিক বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারজানা।

বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার মোহাম্মদ আজাহার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও এর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। তাই তাদের আর কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘কারখানার জেনারেটরে সংস্কারকাজ চলাকালে ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের সূত্রে দুটি এসি বিস্ফোরিত হলে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

কারখানার প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক মো. বোরহান উদ্দীন বলেন, ‘জেনারেটরের কাজ করার সময় অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শীতলক্ষ্যায় পড়ে নিখোঁজ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
শীতলক্ষ্যায় পড়ে নিখোঁজ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্য ও রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিক নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর ফায়ার জেটিতে এ ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 

নিখোঁজ সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ডুবুরি সদস্য ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ফায়ার জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চলছিল। এ সময় ডুবুরি সদস্য সাদিক, শামসুল এবং স্পিডবোট চালক সজল দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাজের একপর্যায়ে স্পিডবোট থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন সাদিক। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হলেও বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, সাদিক একজন দক্ষ, সাহসী ও দায়িত্বশীল ডুবুরি ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছেন তিনি। তাকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
শীতলক্ষ্যায় নিখোঁজ ফায়ার সার্ভিসের রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের স্পিডবোটের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি মো. সাদিক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর ফায়ার জেটিতে এ ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ নেভি ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ ডুবুরি সাদিককে উদ্ধারে কাজ অব্যাহত রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ফায়ার জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ চলছিল। এ সময় ডুবুরি সদস্য সাদিক, শামসুল ও স্পিডবোট চালক সজল একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাজের এক পর্যায়ে সাদিক স্পিডবোট থেকে নদীতে পড়ে যান এবং মুহূর্তের মধ্যে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন।

সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন আরো জানান, সাদিক একজন দক্ষ ও দায়িত্বশীল ডুবুরি ছিলেন। বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানে সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছিলেন। নিখোঁজ ডুবুরিকে দ্রুত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

নিখোঁজ ডুবুরি সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের একজন অভিজ্ঞ ডুবুরি সদস্য। দক্ষতা, সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেছিলেন।