• ই-পেপার

নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা কামনা অর্থ উপদেষ্টার

তথ্যমন্ত্রী

জবাবদিহির সংস্কৃতি রাখতে সাংবাদিক-উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
জবাবদিহির সংস্কৃতি রাখতে সাংবাদিক-উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও গণমাধ্যম শিল্প টিকিয়ে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে বলে জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সমাজ এবং সভ্যতার পরিবর্তন হচ্ছে জানিয়ে মতবিনিময়সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে হয় আমরা এই চলমান রূপান্তরিত প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এর ফলে পুরনো ব্যবস্থাটা দিন দিন অচল হয়ে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থাতে প্রবেশে নতুন জ্ঞান, দক্ষতা, আইনি কাঠামোর প্রয়োজন হচ্ছে। সেটিকে কার্যকর করতে নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে। এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা খুব সজাগ নই। ফলে আমাদের অনেক কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে।

দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখা, উৎসাহ দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ। কারণ আমাদের এই পেশাকে (গণমাধ্যম) বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজনে রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে হবে।

সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পেশার ব্যক্তিদের চাকরির নিরাপত্তা, উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, আমাদের ইনফরমেশনের সোর্স হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম একটা লায়ন সোর্স হয়ে গেছে। এটি টিপিক্যাল মিডিয়া হাউসগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। তাদের মাল্টিমিডিয়ার উইং ওপেন করতে হয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠাগুলোর অনেককেই তাদের আয় সোর্স হিসেবে মাল্টিমিডিয়ার ওপর ডিপেন্ড হতে হচ্ছে।

মন্ত্রী বলে, এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে সবার আগে যেটা মনোযোগ দেওয়া দরকার যে আমাদেরকে গণমাধ্যমের এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের প্রক্রিয়াটাকে ধরে রাখতেই হবে।

বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জানিয়েছে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মতবিনিময়সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪-এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলানিউজ২৪ডটকম-এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু ও কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।

তারা অনলাইন নিউজপোর্টালের নীতিমালা প্রণয়ন, সব গণমাধ্যমের সরকারি বিজ্ঞাপন নিশ্চিত, স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের সংস্কারন প্রস্তাবনা অনুসরণ, গণমাধ্যম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নিয়মের কড়াকড়ির আহ্বান জানান।

তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে বিএফএসএ-এর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে এসব খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার করে বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া খাদ্যপণ্যগুলো হলো—ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ ও আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে উল্লিখিত খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে বিক্রি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএফএসএ সর্বসাধারণকে এসব খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

এএফডব্লিউসি টিমের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক
এএফডব্লিউসি টিমের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন
ছবি: কালের কণ্ঠ

আর্মড ফোর্সেস ওয়্যার কোর্সের (এএফডব্লিউসি) প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) চলমান ‘এএফডব্লিউসি-২০২৬’ কোর্সের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। এনডিসির চিফ ইনস্ট্রাক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। পরিদর্শনকারী দলে ৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা ছিলেন।

পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ‘হল অব প্রাইড’-এ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মো. মুশফেকুর রহমান।

সভার শুরুতে পুলিশের ডিআইজি (এইচআর) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) প্রদর্শন করা হয়।

পরে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি মো. মুশফেকুর রহমান বলেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করে থাকে। এ ধরনের পরিদর্শনের ফলে সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে বিরাজমান পেশাগত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ জন

অনলাইন ডেস্ক
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ জন

লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭১ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের এই স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

জানা যায়, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।