• ই-পেপার

স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি

জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
সংগৃহীত ছবি

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসের প্রথম ২৫ দিনেই দেশে ২ দশমিক ২৯৯ বিলিয়ন (২২৯ কোটি ৯০ লাখ) মার্কিন ডলারের প্রবাস আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ হাজার ৪৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময়ে বৈধ পথে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ২২৯ কোটি ৯০ লাখ (২ দশমিক ২৯৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৯০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, এর আগে চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এসেছিল ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্সপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় ২১ দিনের মাথায় মোট প্রবাস আয় পৌঁছেছে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে আর সেটি ২৫ দিনে দাঁড়িয়েছে ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের ২৫ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা ২০ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

এ প্রবাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মাসেও রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

বাসস
বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম ও দেশের মুদ্রানীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা, মুদ্রানীতির লক্ষ্য, বাস্তবায়ন কৌশল ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপস্থাপনার পর কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ পরিবেশ, ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও মুদ্রানীতির কার্যকারিতা নিয়ে মতামত দেন।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মো. জালাল উদ্দিন, মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও মো. আবুল হাসনাত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়া বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত কার্যক্রম ও অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে সদস্যরা মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

অনলাইন ডেস্ক
চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
ফাইল ছবি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে সরকার ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তা সত্ত্বেও সরকার রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পণ্যের বহুমুখীকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

দাম আরো কমে যত ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম আরো কমে যত ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা
সংগৃহীত ছবি

সব শেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছে সোনার দাম। এখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

রবিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের (বাজুস) সব শেষ সমন্বয়কৃত দামেই বিক্রি হচ্ছে। গত শুক্রবার নতুন দাম সমন্বয় করে বাজুস। যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৮ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।