• ই-পেপার

বাণিজ্যমন্ত্রী

চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি

অনলাইন ডেস্ক
স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
সংগৃহীত ছবি

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদে অন্তত একজন স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিংহভাগ কম্পানি শর্ত পালনে ব্যর্থ হওয়ায় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময় বাড়ানো হয়েছে।

আজ রবিবার (২৬ জুলাই) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এক নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) এক নির্দেশনায় এ সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিএসইসি।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, এই সময় বৃদ্ধি করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড-২০১৮-এর শর্ত ১(২)(ক)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই প্রকাশিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পর্ষদে অন্তত একজন স্বতন্ত্র নারী পরিচালক অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সিংহভাগ কম্পানিই এই শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

বিএসইসি জানায়, বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কম্পানি ও শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে যোগ্য নারী প্রার্থী খুঁজে পেতে জটিলতার কথা তুলে ধরেছিলেন। একই সাথে পর্ষদ গঠনে বিদ্যমান অন্যান্য নিয়ন্ত্রক শর্ত বজায় রেখে নতুন পরিচালক যুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন এ সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) নির্দেশ দিয়েছে, যাতে তারা অবিলম্বে খবরটি সব তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছে দেয়। এর ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক

বাসস
বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম ও দেশের মুদ্রানীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা, মুদ্রানীতির লক্ষ্য, বাস্তবায়ন কৌশল ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপস্থাপনার পর কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ পরিবেশ, ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও মুদ্রানীতির কার্যকারিতা নিয়ে মতামত দেন।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মো. জালাল উদ্দিন, মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও মো. আবুল হাসনাত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়া বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত কার্যক্রম ও অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক নিয়ে সদস্যরা মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দাম আরো কমে যত ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম আরো কমে যত ‍টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনা
সংগৃহীত ছবি

সব শেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছে সোনার দাম। এখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

রবিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের (বাজুস) সব শেষ সমন্বয়কৃত দামেই বিক্রি হচ্ছে। গত শুক্রবার নতুন দাম সমন্বয় করে বাজুস। যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৮ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

এক মিনিটে সর্বাধিক রড উৎপাদনে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছে একেএস

অনলাইন ডেস্ক
এক মিনিটে সর্বাধিক রড উৎপাদনে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছে একেএস

এক মিনিটে সর্বাধিক স্টিলের রড উৎপাদন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় স্টিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান একেএস। ‘এক মিনিটে সর্বাধিক স্টিলের রড উৎপাদন’ বিভাগে বিশ্বরেকর্ড গড়ে আন্তর্জাতিক এ স্বীকৃতি অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নির্ধারিত যাচাই প্রক্রিয়া অনুযায়ী একেএস মাত্র এক মিনিটে ৫২টি স্টিলের রড উৎপাদন করে। প্রতিটি রডের দৈর্ঘ্য ছিল ১০৮ মিটার। বিশ্বের দ্রুততম রড উৎপাদন কারখানা, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ প্রকৌশল এবং আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে এ রেকর্ড অর্জন সম্ভব হয়েছে।

একেএস জানায়, তাদের উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হলো বৈদ্যুতিক আর্ক চুল্লি প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে শতভাগ পরিশোধিত স্টিল উৎপাদন করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ বিষয়ে আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মোমিন বলেন, ‘এ বিশ্বরেকর্ড অর্জন শুধু একেএসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নয়, এটি বাংলাদেশের উৎপাদনশিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশ্বমানের প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং উৎকর্ষের প্রতি আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতির ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সর্বোচ্চ মানের স্টিল উৎপাদনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, উৎপাদন উৎকর্ষের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নেও তারা গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশে একমাত্র আবুল খায়ের স্টিলই তাদের উৎপাদনব্যবস্থায় শূন্য পানি নিঃসরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিল্প-কারখানায় ব্যবহৃত পানি সম্পূর্ণ পরিশোধন করে পুনর্ব্যবহার করছে।

এ ছাড়া সৌরশক্তির ব্যবহার, আধুনিক ধোঁয়া ও নির্গমন পরিশোধন ব্যবস্থার মাধ্যমে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণের পুনর্ব্যবহার এবং নিজস্ব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও দক্ষ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

একেএসের দাবি, দেশের আবাসন, শিল্প ও বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণে নির্ভরযোগ্য স্টিল সরবরাহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে কাজ করে আসছে। সর্বশেষ এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের স্টিলশিল্পের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উৎপাদন দক্ষতাকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।