• ই-পেপার

বিশ্বকাপের পর মাঠে নেমেই জোড়া গোল নেইমারের

ক্যাম্প ন্যু সংস্কারকাজে প্রাণ হারালেন নির্মাণশ্রমিক, শোকস্তব্ধ বার্সেলোনার বার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্যাম্প ন্যু সংস্কারকাজে প্রাণ হারালেন নির্মাণশ্রমিক, শোকস্তব্ধ বার্সেলোনার বার্তা
ছবি : রয়টার্স

স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম ‘ক্যাম্প ন্যু’-এর সংস্কারকাজ চলাকালে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক নির্মাণশ্রমিক। কর্মক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে কাতালান ক্লাবটি।

শনিবার প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানিয়েছে, ‘ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজের সময় কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় যে শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন, তার মৃত্যুতে ক্লাব গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে।’ একই সঙ্গে নিহতের পরিবার, স্বজন এবং সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

কাতালান পুলিশের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা জানায়, মাথায় মারাত্মক আঘাত পাওয়ার কারণে ৫৪ বছর বয়সী ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি পুলিশ।

ইউরোপের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত ক্যাম্প ন্যু আধুনিকায়নে ২০২৩ সালে বড় ধরনের সংস্কারকাজ শুরু করে বার্সেলোনা। সংস্কারকাজ চলাকালীনই সীমিত দর্শক ধারণক্ষমতা নিয়ে গত বছরের নভেম্বরে নিজেদের এই মাঠে ফুটবল ফেরায় ক্লাবটি।

টানা দুই মৌসুমের লা লিগা চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা আগামী ২৩ আগস্ট এলচের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নতুন মৌসুমের অভিযান শুরু করবে। আর সংস্কারকাজের মাঝে আংশিক চালু থাকা ক্যাম্প ন্যুতে তাদের প্রথম হোম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ আগস্ট, অ্যাথলেতিক বিলবাওর বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, পূর্ণাঙ্গ সংস্কার শেষ হলে ক্যাম্প ন্যু-এর আসনসংখ্যা দাঁড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজারে পৌঁছাবে, যা এটিকে ইউরোপের সর্ববৃহৎ স্টেডিয়াম হিসেবে আগের অবস্থানকে আরো শক্ত করে ধরে রাখবে।  

মেসি-ডি পলের ‘নিষেধাজ্ঞা’ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি-ডি পলের ‘নিষেধাজ্ঞা’ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ছবি : রয়টার্স

টানা দ্বিতীয় বছরের মতো মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) অল-স্টার গেমে থাকছেন না বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। তবে স্বস্তির খবর হলো, গত বছরের মতো এবার তাকে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হচ্ছে না। তার সঙ্গে বিশেষ ছাড় পাচ্ছেন আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা ডি পলও। 

মেসিসহ অল-স্টার স্কোয়াড থেকে সরে দাঁড়ানো চার খেলোয়াড়ের জায়গায় নতুন চারজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এমএলএস। ইন্টার মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট, ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের আন্দ্রেস কুবাস, হিউস্টন ডায়নামোর গিলহের্মে এবং শিকাগো ফায়ারের ফিলিপ জিঙ্কারনাগেলকে নতুন করে দলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মন্টেরিতে পাড়ি জমানো গোল্ডেন বুট রেসের শীর্ষ তারকা হুগো কাইপার্স, রদ্রিগো দে পল এবং ম্বেকেজেলি ম্বোকাজিও এবার মিস করছেন অল-স্টার প্রদর্শনী।

আগামী বুধবার রাতে শার্লট এফসির ব্যাংক অফ আমেরিকা স্টেডিয়ামে লিগা এমএক্স অল-স্টারের মুখোমুখি হবে এমএলএস। মেসির অনুপস্থিতিতে এমএলএস অল-স্টার একাদশের মূল আকর্ষণ হতে যাচ্ছেন সন হিউং-মিন এবং থমাস মুলার। তাদের সঙ্গী হিসেবে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ তারকা ম্যাট ফ্রিজ, টিম রিম ও ম্যাক্স আরফস্টেন।

গত বছরের প্রেক্ষাপট অবশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, চোট ছাড়া কোনো খেলোয়াড় অল-স্টার গেম মিস করলে এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। গত গ্রীষ্মে ক্লাব বিশ্বকাপের চরম ব্যস্ত সূচির কারণে মেসি ও জর্ডি আলবা অল-স্টার গেম এড়িয়ে গেলে তাদের এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। যাকে সে সময় ইন্টার মায়ামির মালিক জর্জ মাস একে ‘কঠোর ও নির্মম’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের কারণে এবার নিয়মে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ জুলাই আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন মেসি ও ডি পল। দীর্ঘ টুর্নামেন্ট শেষে ফিরে আসা খেলোয়াড়দের বিশ্রাম নিশ্চিত করতে ক্লাবগুলোকে নমনীয় হওয়ার সুযোগ দিয়েছে লিগ কর্তৃপক্ষ। ফলে মেসিদের ওপর কোনো শাস্তির খড়গ আসছে না।

এমএলএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘২০২৬ মৌসুম শুরুর আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, বিশ্বকাপ শেষে খেলোয়াড়দের ক্লাবে ফেরা ও বিশ্রামের সময়সীমা ক্লাব ও খেলোয়াড়রা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করবে। সেই সমঝোতার আলোকেই মেসি ও ডি পলকে অল-স্টার গেম থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে।’

মেক্সিকান ‘লিগা এমএক্স’ অল-স্টারসের হয়ে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ দলের পাঁচ তারকা গিলবার্টো মোরা, এরিক লিরা, জেসুস গ্যালার্দো, আরমান্ডো গঞ্জালেজ ও ব্রায়ান গুতিয়েরেস অংশ নেবেন। সঙ্গে থাকছেন কোস্টারিকার অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। 
 

গ্রিজমানের অভাব পূরণ করতে পিএসজি তারকাকে দলে ভেড়াল অ্যাতলেতিকো

ক্রীড়া ডেস্ক
গ্রিজমানের অভাব পূরণ করতে পিএসজি তারকাকে দলে ভেড়াল অ্যাতলেতিকো
সংগৃহীত ছবি

প্যারিস সেইন্ট-জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে স্প্যানিশ জায়ান্ট অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিচ্ছেন দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিল্ডার লি কাং-ইন। শনিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অ্যাতলেতিকো ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত স্প্যানিশ ক্লাবটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন ২৫ বছর বয়সী এই তারকা।

ট্রান্সফার ফির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তির অঙ্ক ৩৫ থেকে ৪০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ৩৯.৮ থেকে ৪৫.৫ মিলিয়ন ডলার) মধ্যে।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন লি কাং-ইন। যদিও দুই ম্যাচে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় দলটি। 

দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচনে জন্ম নেওয়া কাং-ইন অবশ্য স্প্যানিশ ফুটবলের অচেনা কেউ নন। মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমান স্পেনে, যোগ দেন ভ্যালেন্সিয়ার ফুটবল অ্যাকাডেমিতে। পরবর্তীতে ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে ৬২টি ম্যাচে মাঠে নামেন। মায়োর্কার হয়ে কিছুদিন খেলার পর ২০২৩ সালে তিনি ফরাসি জায়ান্ট পিএসজিতে যোগ দেন। সেখানে ১২৪ ম্যাচে অংশ নিয়ে ১৬টি গোল ঝুলিতে পুরেন তিনি।

গত মৌসুমে লা লিগায় চতুর্থ স্থানে থেকে শেষ করা এবং কোপা দেল রেই-এর ফাইনালে ওঠা অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে এবার নিজের নতুন ইনিংস শুরু করবেন এই কোরিয়ান তারকা। আতলেতিকোর ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা অঁতোয়ান গ্রিজমান এমএলএসে পাড়ি জমানোয় দলে যে সৃজনশীলতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে, কাং-ইনকে দিয়ে সেটিই পূরণ করতে চাইছে সিমিওনের দল। 
 

রদ্রি অনিশ্চয়তা ও গার্দিওলা পরবর্তী যুগে কেমন হতে পারে সিটির মিডফিল্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
রদ্রি অনিশ্চয়তা ও গার্দিওলা পরবর্তী যুগে কেমন হতে পারে সিটির মিডফিল্ড

ম্যানচেস্টার সিটি এখন এক বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর দলের সফল কোচকে বিদায় জানিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করা কোনো সহজ কাজ নয়। তার ওপর আবার দলের ভেতরে চলছে ব্যাপক পুনর্গঠন।

২০২২-২৩ মৌসুমে সিটির ঐতিহাসিক ‘ট্রেবল’ জয়ী দলের অন্যতম চার কাণ্ডারি, ম্যানুয়েল আকানজি, নাথান আকে, বের্নার্দো সিলভা ও জন স্টোনস চলতি গ্রীষ্মেই ক্লাব ছেড়েছেন। অন্যদিকে ১১৬ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে এলিয়ট অ্যান্ডারসন এবং ১৭ বছর বয়সী প্রতিভাবান জেরোমি মঙ্গাকে দলে ভিড়িয়েছে ক্লাবটি।

এদিকে অধিনায়ক হিসেবে স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতানোর পরপরই পিঠের অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হচ্ছেন দলের নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার রদ্রি। সিটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র এক বছর বাকি থাকা এই ৩০ বছর বয়সী তারকাকে নিয়ে দলবদলের গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। কতদিন তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে তা স্পষ্ট নয়, তবে নিজের প্রথম সংবাদ সম্মেলনেই নতুন কোচ এনজো মারেসকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি রদ্রিকে দলে রাখতে চান।

কিন্তু স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ যখন রদ্রিকে ডেরায় ভেড়াতে উন্মুখ, তখন সিটি কী করবে? রদ্রি সুস্থ হওয়ার পর তাকে বিক্রি করে বড় অংকের অর্থ তুলবে, নাকি মারেসকার চাওড়াকেই অগ্রাধিকার দেবে? আর রদ্রি থাকুক বা যাক, নতুন কোচের অধীনে কেমন হবে সিটির মিডফিল্ড? এমন অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সিটি ভক্তদের মনে।

রদ্রিকে ধরে রাখার পরিকল্পনা সিটির সুস্পষ্ট হলেও যেকোনো পরিস্থিতির জন্য বিকল্প পথ খোলা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই লক্ষ্যেই অ্যান্ডারসনকে আনা হয়েছে এবং বিশ্বকাপে মরক্কোর হয়ে নজর কাড়া ফরাসি লিগ আঁর ক্লাব লিলের ১৮ বছর বয়সী তরুণ আইয়ুব বুয়াদ্দিকেও রাডারে রেখেছে সিটি।

মারেসকার খেলার ধরণ বুঝতে হলে তার স্ট্র্যাটেজি জানা জরুরি। পেপ গার্দিওলার শিষ্য হওয়ার কারণে তিনি পজিশনাল প্লে-তে বিশ্বাসী এবং নিজের ফুটবল দর্শনকে দাবার সঙ্গে তুলনা করতে পছন্দ করেন। তার ভাষায়, ‘দাবা ও ফুটবলের মধ্যে দারুণ মিল আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক পজিশনিং ও কৌশল। কোচের মানসিকতা হওয়া উচিত একজন দাবাড়ুর মতো, পরিকল্পনা করা, প্রতিপক্ষের চাল বোঝা এবং ছকের ঘুঁটিগুলো সঠিক জায়গায় সাজানো।’

মারেসকার প্রধান কৌশল থাকে ৩-২-২-৩ ফরমেশনে বল পজিশন ধরে রেখে আক্রমণ সাজানো। রদ্রি সিটির চালিকাশক্তি হতে পারতেন কারণ তিনি খেলার গতি বুঝে যেকোনো পজিশনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। বিশ্বকাপে দেখা গেছে, আইমেরিক লাপোর্তে যখন ওপরে উঠতেন, রদ্রি নামতেন সেন্ট্রাল ডিফেন্সে, আবার সুযোগ পেলেই আক্রমণে উঠে যেতেন।

২৩ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন তার ক্যারিয়ারে অ্যাটাকিং থেকে শুরু করে মিডফিল্ডের প্রায় সব পজিশনেই খেলেছেন। রদ্রির পাশে খেলে অ্যান্ডারসন যেমন নিচে নেমে রক্ষণে সাহায্য করতে পারবেন, তেমনি রদ্রিকেও ওপরে উঠে স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ করে দেবেন।

অন্যদিকে তরুণ বুয়াদ্দিকে দলে ভেড়ানো গেলে তিনি হতে পারেন ম্যান সিটির ট্রাম্প কার্ড। একাধারে হোল্ডিং মিডফিল্ড, রাইট-ব্যাক ও সেন্টার-ব্যাকে সমান পারদর্শী এই খেলোয়াড়। রক্ষণে বল দখলে তার দৃঢ়তা এবং পায়ে বল রেখে সাজানো পাসিং ডিফেন্স থেকে মিডফিল্ডে ওঠার ক্ষেত্রে জন স্টোনসের ভূমিকা মনে করিয়ে দেন তিনি।

রদ্রি থাকলে দলের নিয়ন্ত্রণ, পজিশনিংয়ের অভিজ্ঞতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিখুঁত ক্ষমতার কারণে সিটি নির্ভার থাকবে। তবে যদি তিনি ক্লাব ছাড়েনও, খেলোয়াড়দের নতুন পজিশনে খেলিয়ে সেরাটা বের করে নেওয়ার ক্ষেত্রে মারেসকার জুড়ি নেই। চেলসিতে থাকতে মোইসেস কাইসেদোকে রাইট-ব্যাক থেকে মিডফিল্ডে এনে সাফল্য পেয়েছেন তিনি, মার্ক কুকুরেয়াকে খেলিয়েছেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে।