• ই-পেপার

সৌদিতে প্রতারিত

সর্বস্বান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফিরলেন ৭০ প্রবাসী

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ

জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল) থেকে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরও ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করে বলেন, ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ৩৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো। আগামী ৬ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে, চলতি বছরের ১১ মার্চ এ মামলায় ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তারও আগে গত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ইউসিবি ব্যাংক থেকে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, জাবেদ তার মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহকে মালিক দেখিয়ে দুটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। পরে জাল নথিপত্র তৈরি করে ইউসিবি ব্যাংকের চট্টগ্রাম পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিলেও তা উপেক্ষা করা হয়। দুদকের দাবি, পরে ওই অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার স্ত্রী ও ইউসিবিএলের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান, সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী ও রোকসানা জামান চৌধুরী।

এ ছাড়া সাবেক পরিচালক বশির আহমেদ, আফরোজা জামান, সৈয়দ কামরুজ্জামান, মো. শাহ আলম, মো. জোনাইদ শফিক, অপরূপ চৌধুরী, তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান, ইউনুছ আহমদ, হাজী আবু কালাম, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরীসহ মোট ৩৬ জন আসামি রয়েছেন।

জঙ্গল সলিমপুরের যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ

নিজস্ব প্রতিবেদক ও সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জঙ্গল সলিমপুরের যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। যে স্থানে বিষ মেশানো হয়েছে সেখান থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি বলেন, আজ সকালে সকালে পানিতে ফেনা ও দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। পানির দায়িত্বে যিনি রয়েছেন তিনি দুর্গন্ধ পেয়ে পানির ট্যাংও ঢাকনা খুলে দেখেন ফেনাও ভাসছে। তাৎক্ষণিক তিনি সব বাহিনীকে পানি ব্যবহার থেকে বিরতে থাকতে সতর্ক করেন। আমাদেরও টিম গিয়ে পানির নমুনা সংগ্রহ করেছে। টেনে নেওয়া পানির লাইনের একটা জায়গায় বিষের খালি কৌটা পাওয়া গেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি অন্তর্ঘাতমূলক অপরাধ। মামলা দায়ের হচ্ছে। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর আলীনগর এলাকায় অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যে পানি পান করেন রবিবার সকালে সে পানি গ্লাসে নেওয়ার পর তাতে সাদা ফেনা এবং বিষাক্ত গন্ধ পাওয়া যায়। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পুলিশ সদস্যরা পানি পান না করায় কারো কোন বিপদ ঘটেনি। 

প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য খ্যাত সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে দখল মুক্ত করতে প্রশাসনের নানামুখী প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছে একটি মহল। ইতোমধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকা পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ক্যাম্পে গুলি চালিয়ে স্থাপনা ভেঙে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সড়ক যোগাযোগ নিরবিচ্ছিন্ন করতে ছয়টি সড়ক নির্মাণের কাজ করছে। এতে প্রশাসনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন হলে সন্ত্রাসীরা আস্তানায় ফিরতে পারবে না বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। 

যৌথবাহিনীর পানিতে বিষ মেশানো জঙ্গল সলিমপুর থেকে প্রশাসনকে উচ্ছেদ চেষ্টার অংশ বলে জানায় পুলিশ।

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত : আইনমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জনদাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কেউ অন্যায়ের শিকার হোক, সেটা সরকার চাইবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘সদ্যোবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। এতটুকু ভরসা সরকারপ্রধান ও আমাদের ওপর রাখতে হবে।’

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নবাগত আইনজীবীর ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার একদিকে যেমন জনদাবিকে গুরুত্ব দেবে, আবার কেউ অন্যায়ের শিকার হোক, তা-ও চাইবে না। সুতরাং বিষয়টি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী করণীয় আছে, সেটা সরকার যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিয়োগ সংবিধানের ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগের দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হওয়ার কথা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ীই পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

পদত্যাগী রাষ্ট্রপতির চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রায় কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আইনগত বাধা আছে কি না, তা জানতে চান সাংবাদিকরা। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওটা হোম মিনিস্ট্রি জানবে। এগুলো কনফিডেনশিয়াল বিষয়, এটা পাবলিকলি এভাবে আমরা বলতে পারব না। কার নিষেধাজ্ঞা আছে, সেটা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে।’

পিরোজপুরের একটি প্রকল্পের উদাহরণ টেনে আইনমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘সেখানে একজন এমপি ছিলেন, নাম ছিল মহারাজ। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে শুধু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। এক ইঞ্চি রাস্তা নির্মাণ হয়নি, এক বিন্দু বালু পড়েনি, এক ছটাক সিমেন্ট পড়েনি, এক কেজি রড পড়েনি। মহারাজসহ সেখানকার কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ দেখিয়ে সেই অর্থ লুটপাট করেছেন।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আর কত কোটি টাকার কাজ যে বেগমপাড়ায় গেছে, তার কোনো হিসাব নেই। বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের একটি প্রতিবেদনে বলেছে, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে ডকুমেন্টেড উপায়ে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে। এমন একটি চোরাবালির পথ পেরিয়ে আমরা এখন গণতন্ত্রের মহাসড়কের দিকে প্রবেশ করেছি।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রায় এক হাজার ৫৪ জন নবীন আইনজীবী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

মা-বাবাকে কাঁচির আঘাতে হত্যার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মা-বাবাকে কাঁচির আঘাতে হত্যার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কাঁচি দিয়ে মা-বাবাকে হত্যা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাদের একমাত্র ছেলে মিরাজ দাশকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিও উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে আনোয়ারা থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মা-বাবার সঙ্গে রমিরাজের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন দুপুরে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তিনি ঘরে থাকা একটি কাঁচি দিয়ে প্রথমে তার মা কল্পনা দাশ গুপ্তকে আঘাত করেন। পরে মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও একই কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কল্পনার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত স্বপনকে স্থানীয়রা আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজ কক্ষেই অবস্থান করছিলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে, পারিবারিক কলহ ও দীর্ঘদিনের মানসিক ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই তপন দাশ গুপ্ত বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এরপর অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।