• ই-পেপার

সরেজমিন : রূপগঞ্জ

এবার মায়ের কবরও বুলডোজারের মুখে

  • পূর্বাচলে ক্ষতিগ্রস্তরা আবারো উচ্ছেদের মুখে
  • ৩৮.৭৬ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা আতঙ্কে ২০০ পরিবার
  • গোপনে সার্ভের অভিযোগ, গণশুনানি ছাড়াই অধিগ্রহণের প্রস্তুতি
  • ১৬শ'র বেশি ভোটার, শতাধিক কবর ও কৃষিজমি হারানোর শঙ্কায় চার মৌজা
  • আমরা কী এই দেশের মানুষ, নাকি রোহিঙ্গা? - ভুক্তভোগী কাজী আনোয়ার

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
সংগৃহীত ছবি

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, তুরস্ক পৌঁছে সেনাবাহিনী প্রধান সেদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরকালে, সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার, তুর্কি চিপ অব দ্য জেনারেল স্টাফ সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি স্থল বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল ও ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনক ইয়েতকিন-এর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়াও, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি (এসএবি)-এর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। তুর্কি স্থল বাহিনীর সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে এএসআইএসগার্ড, তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (তুসাস), এমকেই (Makine ve Kimya Endüstrisi A.Ş.), সারসিলমাজ (SARSILMAZ), এসটিএম (Savunma Teknolojileri Mühendislik ve Ticaret A.Ş.), রকেটসান (Rocket Industry and Trade Inc.), আসিলসান (Askerî Elektronik Sanayi) এবং বায়াকার টেকনোলজি (Baykar Teknoloji) উল্লেখযোগ্য।

পরিদর্শনকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, গঠন হচ্ছে কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, গঠন হচ্ছে কমিটি

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন, শুধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাড়ি বগুড়া হওয়ার কারণে এ অঞ্চল দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার সেই বৈষম্য দূর করে বগুড়াকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসতে কাজ করছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বগুড়া জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বগুড়া জেলা ও বগুড়া সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মতবিনিময় সভায় পিছিয়ে পড়া বগুড়ার দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, কোনো প্রকল্প দায়সারাভাবে প্রণয়ন বা মনিটরিং করা যাবে না। দায়িত্ব পালনে অবহেলা কিংবা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া জেলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প এবং জেলার ১২টি পৌরসভার উন্নয়নে আরো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হবে, যা বগুড়ার অবকাঠামো ও নাগরিক সেবায় নতুন গতি আনবে। ২০ বছর পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে কাজ করা হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা সড়ক, ড্রেনেজ, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, বিভাগীয় কমিশনার আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ উজ্জ্বল হোসাইনসহ জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক
যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
ফাইল ছবি

দেশের ৭ জেলার ওপর দিয়ে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৯টা থেকে রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না। সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলেই সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব।

দুর্গাপূজাসহ কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো দুর্বৃত্ত কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমির প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, মন্দিরের জমি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। কোনো ভূমিদস্যু, দুর্বৃত্ত বা মাফিয়া চক্রকে মন্দিরের সম্পত্তি স্থায়ীভাবে দখলে থাকতে দেওয়া হবে না।