• ই-পেপার

জামায়াতের ওপর নাখোশ শরিকরা

নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয় : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয় : রিজভী
সংগৃহীত ছবি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচন নির্দলীয় হবে। নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে নির্বাচন ভবনে পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না, তাই এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ চেয়েছে, এ ক্ষেত্রে বিএনপির অবস্থান কী—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন নির্দলীয়।

নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়। অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়।

ইসিতে হিসাব দাখিল

বিএনপির বার্ষিক আয় ২২ কোটি, ব্যয় ১৫ কোটি

অনলাইন ডেস্ক
বিএনপির বার্ষিক আয় ২২ কোটি, ব্যয় ১৫ কোটি

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বার্ষিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টার পর কমিশন সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হিসাব জমা দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

দলটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে তাদের মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত বা জমা রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।

প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহদপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।

তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন (অডিট রিপোর্ট) হস্তান্তর করেন। 

সাধারণত দলের সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ থেকে আয় দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে, দলের সারা বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুঃস্থ নেতাকর্মীদের সহায়তার খাতে ব্যয়ের হিসাব দেখায়। 

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো দল পরপর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের আইনি বিধান রয়েছে।

মবের শাসনের বদলে আইনের শাসনে ফিরতে হবে : সাইফুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
মবের শাসনের বদলে আইনের শাসনে ফিরতে হবে : সাইফুল হক
ছবি : কালের কণ্ঠ

মবের শাসনের পরিবর্তে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করে নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও সংসদের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতি আয়োজিত ‘২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও বিচারবিভাগের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল হক বলেন, বিগত সরকার রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে বিচার বিভাগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। সে উদ্দেশ্যে রাজনৈতিকভাবে অনুগত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ভবিষ্যতে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের কোনো তৎপরতা জনগণ মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের কার্যকর নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মবের শাসনের পরিবর্তে আইনের শাসনে ফিরতে হবে। কোনো নির্বাচিত সরকারই মবতন্ত্রের কাছে জিম্মি হতে পারে না। বিচার বিভাগের ওপর জনআস্থা নষ্ট হলে সামাজিক নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে। গত ১৭ বছর বিরোধী দলগুলো যে ধরনের স্বাধীন বিচারব্যবস্থার দাবি করেছে, এখন সেই ধরনের বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

সভায় গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে, তা বাস্তবায়নের পথে বাধা তৈরি হচ্ছে। বিচার বিভাগের সচিবালয় গুটিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, সরকার-সমর্থকরা যদি আবার সবকিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত হবে। আইনজীবী সমিতির নির্বাচনগুলো যেভাবে একতরফাভাবে হচ্ছে, তা অতীতের পরিস্থিতির কথাই মনে করিয়ে দেয়। তিনি সবাইকে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।

গণতান্ত্রিক আইনজীবী সংহতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুবুল করিম টিপুর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সুমন মিয়ার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট অনুরুদ্ধ সরকার, অ্যাডভোকেট পিয়াস মজুমদার ও মীর রেজাউল আলম।

সভা শুরুর আগে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান
সংগৃহীত ছবি

জামায়াতের মতো মোনাফেক, দুষ্ট ও শয়তান রাজনৈতিক দল পৃথিবীতে আর জন্মগ্রহণ করেনি বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আমি তাদের বিরুদ্ধেই বলছি। যারা ঈমানদার ও ভালো মাওলানা তাদের এক শ সালাম। তবে এদের থেকে সাবধান থাকবেন।’

সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে ৩০ লাখ টাকা দিয়েছেন মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, মন্দির ও শ্মশানের জন্য। কোনো ধর্মস্থান টাকা না পেলে জানাবেন। আরা যারা পায়নি তার আগামী বরাদ্দে প্রথমে পাবেন।’