• ই-পেপার

গালাগাল, কুরুচিপূর্ণ শব্দ কোনো অশ্লীলতা নয় : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

ট্রাম্প, বিবার ও শাকিরার উপস্থিতিতে নজিরবিহীন এক বিশ্বকাপ ফাইনাল

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প, বিবার ও শাকিরার উপস্থিতিতে নজিরবিহীন এক বিশ্বকাপ ফাইনাল

মাঠে ফুটবল রোমাঞ্চের চেয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে মূল আলো কাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পপ তারকা জাস্টিন বিবার ও শাকিরা। অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হলেও নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের এই ফাইনালটি মূলত ট্রাম্পের উপস্থিতি এবং তারকাদের কনসার্টের জন্যই বেশি সংবাদের শিরোনামে এসেছে।

হেলিকপ্টার বহর নিয়ে স্টেডিয়ামে পৌঁছান ট্রাম্প। খেলা শেষে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের হাতে ট্রফি ও পদক তুলে দেন তিনি। তবে দর্শকসারির একাংশ থেকে ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়। এমনকি পদক গ্রহণের সময় আর্জেন্টিনার ফুটবলার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ট্রাম্পের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে সরাসরি তাকে এড়িয়ে চলে যান। এর আগে লাল কার্ড পাওয়া মার্কিন স্ট্রাইকারের শাস্তি মওকুফ করতে ফিফা সভাপতির সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার বিষয়টিও টুর্নামেন্টে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

এ ছাড়া ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ‘সুপার বোল’ ধাঁচে ২৭ মিনিটের এক বিশাল মিউজিক্যাল শো আয়োজন করা হয়। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই’ গেয়ে পুরো গ্যালারি মাতিয়ে তোলেন। ‘এভরিথিং হ্যালিলুয়াহ’ গানের অ্যাকোস্টিক সংস্করণ গাওয়ার পাশাপাশি ম্যাডোনা, বিটিএস ও কোল্ডপ্লে পারফর্ম করেন। তবে খেলার মাঝখানের বিরতি বাড়িয়ে এত বড় শোর আয়োজন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভক্ত ও সাবেক খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার ওয়েইন রুনি এই দীর্ঘ বিরতিকে সরাসরি ‘জঘন্য’ বলে মন্তব্য করেন।

ট্রফি দিয়েও পোডিয়াম থেকে নামতে নারাজ ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক
ট্রফি দিয়েও পোডিয়াম থেকে নামতে নারাজ ট্রাম্প!
ট্রফি দেওয়ার পর ট্রাম্প–ছবি : সোশ্যাল মিডিয়া

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থাকবেন, আর সেখানে আলোচনার জন্ম হবে না—এমনটি যেন হয়ই না। রবিবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ট্রফি বিতরণ শেষে মঞ্চ ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দেন তিনি। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো একাধিকবার অনুরোধ করলেও ট্রাম্প পোডিয়াম ছাড়েননি। এমন দৃশ্য দেখে অনেকের কাছেই মনে হয়েছে, যেন তিনিই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য।

১৬ বছর পর বিশ্বজয়ের স্বাদ পেল স্পেন। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করে লা রোহা। লামিন ইয়ামাল, পাও কুবারসি, দানি ওলমো ও ফেরান তোরেসদের প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে স্পেন যোগ্য দল হিসেবেই শিরোপা জিতে নেয়। অন্যদিকে ফাইনালে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে হতাশ করেছে আর্জেন্টিনাও। একপ্রকার একতরফা ম্যাচেই হার মানতে হয় তাদের।

তবে ম্যাচ শেষে শিরোপা উদযাপনের মুহূর্তে তৈরি হয় ভিন্ন এক দৃশ্য। স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন ট্রফি নিয়ে উদযাপনের অপেক্ষায়, তখন ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথমে তিনি খেলোয়াড়দের মাঝখানেই অবস্থান নেন। পরে ফিফার কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান, যেন স্পেনের ফুটবলাররা স্বাভাবিকভাবে উদযাপন করতে পারেন। ট্রাম্প কিছুটা পাশে সরে দাঁড়ালেও মঞ্চ ছাড়েননি।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিজেই ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। বরং ট্রাম্প খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপনের অংশ হয়ে যান। ট্রফির প্রতি তার বাড়তি আগ্রহও সবার নজর কেড়েছে।

এর আগে ম্যাচ শুরুর সময় ট্রাম্প ভিআইপি বক্সে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পাশে বসে খেলা উপভোগ করেন। তাকে দেখা মাত্রই গ্যালারির একাংশ থেকে বিদ্রুপধ্বনি শোনা যায়। সেই সময় বিশ্বকাপের ট্রফিটিও তার সামনে নিয়ে আসা হলে তিনি কয়েকবার সেটিতে হাত বুলিয়ে দেখেন।

তবে ট্রফি বিতরণ মঞ্চে ট্রাম্পের এমন আচরণ এবারই প্রথম নয়। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সেবারও তিনি ট্রফি হাতে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন দল চেলসির খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপনে মেতে ওঠেন। একপর্যায়ে চেলসির অধিনায়ক রিস জেমস তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

মার্কিন ডলার ছেড়ে চীনা পেমেন্ট সিস্টেমে যোগ দিল লিবিয়া

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন ডলার ছেড়ে চীনা পেমেন্ট সিস্টেমে যোগ দিল লিবিয়া

মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে চীনের আন্ত সীমান্ত অর্থ লেনদেন ব্যবস্থায় (সিআইপিএস) যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিবিয়া। এ লক্ষ্যে লিবিয়ার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চীনের ক্রস-বর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের (সিআইপিএস) সঙ্গে সংযুক্ত করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। খবর আনাদুলু এজেন্সি

বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে নতুন কৌশলগত অংশীদারির সূচনা এবং লিবিয়ার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সিআইপিএসের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর আরো সহজ ও দ্রুত হবে।

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১৫ সালে সিআইপিএস চালু করে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে আন্তর্জাতিক লেনদেন সরাসরি সম্পন্ন করা যায়। ফলে মার্কিন ডলার বা মধ্যবর্তী ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

এ ছাড়া দুই দেশ বিদ্যমান বাণিজ্যিক বাধা দূর করে পারস্পরিক বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চীনে সরাসরি অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা চালু করা হবে, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য লেনদেন সহজ করবে। এ ছাড়া চীনের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে সরাসরি লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার সুযোগও তৈরি হবে বলে জানিয়েছে লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দুই পক্ষ শিগগিরই লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি ব্যাংকিং প্রতিনিধিদল বেইজিং সফরের বিষয়েও সম্মত হয়েছে। সফরে লিবিয়ার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা অংশ নেবেন এবং চীনা ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ও সরাসরি আর্থিক লেনদেন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।

লেবানন-ইসরায়েল কাঠামো নিয়ে রুবিও-আউনের বৈঠক, কী কথা হলো

অনলাইন ডেস্ক
লেবানন-ইসরায়েল কাঠামো নিয়ে রুবিও-আউনের বৈঠক, কী কথা হলো
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত ত্রিপক্ষীয় (ট্রিল্যাটারাল) কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পরে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, রুবিও লেবাননের সরকারের ‘সাহসিকতা’ এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ত্রিপক্ষীয় এই কাঠামো বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়। পাশাপাশি লেবাননের শান্তি প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং দেশটির জনগণের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় ওয়াশিংটনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন রুবিও।

এর আগে চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। প্রায় ২০ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম লেবাননের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে হোয়াইট হাউস সফর করছেন। 

আগামী মঙ্গলবারের এই বৈঠকে আউন ও ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে।