• ই-পেপার

বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব হলেন দেলোয়ার হোসেন

ভাঙা আঙুলে ১১ সেভ, ফাইনালে ট্র্যাজিক হিরো মার্তিনেজ

অনলাইন ডেস্ক
ভাঙা আঙুলে ১১ সেভ, ফাইনালে ট্র্যাজিক হিরো মার্তিনেজ

লিওনেল মেসির ‘লাস্ট ড্যান্স’-এ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত অধরাই থেকে গেল। একপেশে ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্প্যানিশরা।

শেষ বাঁশি বাজার পর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, পাও কুবার্সিরা। অন্যদিকে হতাশায় ভেঙে পড়েন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল ও জিওভান্নি সিমিওনিরা। তবে ম্যাচটি যে ১২০ মিনিট পর্যন্ত গড়াবে, তা কেউ ভাবেননি। তার মূল কারণ ছিলেন একজনই—এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ।

ভাঙা আঙুল নিয়েও অনবদ্য পারফরম্যান্স
ভাঙা আঙুল নিয়েই বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিলেন আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক। পুরো টুর্নামেন্টে নিজের সেরা ছন্দে না থাকলেও ফাইনালে তিনি দেখিয়েছেন কেন বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলকিপার হিসেবে বিবেচিত হন। একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভ করে দীর্ঘ সময় স্পেনকে গোলবঞ্চিত রাখেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১১টি সেভের পর ভাঙে তার দুর্ভেদ্য প্রতিরোধ। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে জয়ের হাসি হাসে স্পেন। আর অসাধারণ ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও ট্র্যাজিক হিরো হয়ে থাকেন মার্তিনেজ।

১১ সেভে বিশ্বকাপ ফাইনালের নতুন ইতিহাস
পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ সেভের আগের রেকর্ড ছিল ৯টি। সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন ৩৩ বছর বয়সী এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে তিনি করেন ১১টি সেভ। দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হলেও নিজের নাম তুলে নিলেন ইতিহাসের পাতায়।

ম্যাচের শুরু থেকেই যেন স্পেনের প্রতিটি আক্রমণের সামনে একাই প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। নিকো উইলিয়ামস, লামিন ইয়ামাল, মার্ক কুকুরেয়া, পেদ্রি ও ফেরান তোরেসদের একের পর এক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন মার্তিনেজ। তবে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের শট আর ঠেকাতে পারেননি তিনি।

একাই ছিলেন আর্জেন্টিনার ভরসা
ম্যাচের শুরুতেই ইয়ামালের শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। ৩৯তম মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলের সুযোগও নষ্ট করে দেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আলেক্স বায়েনার শট ফিরিয়ে দেন, এরপর ৬৭তম মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড অবিশ্বাস্য দক্ষতায় রুখে দেন।

৭৭তম মিনিটে টানা পেদ্রি ও ইয়ামালের দুটি শট প্রতিহত করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ দিকে ইয়ামালের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকও উড়ে গিয়ে রক্ষা করেন।

ট্রফি না পেলেও জিতে নিলেন সম্মান
২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে অবিশ্বাস্য কিছু সেভ করে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এবারও ফাইনালের আগে জানিয়েছিলেন, আঙুলের চোট তার পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে দেবে না। মাঠে সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন দেখা গেছে।

খেটে খাওয়া পরিবার থেকে উঠে আসা এই গোলরক্ষক ফাইনালেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন। একাই হয়ে উঠেছিলেন আর্জেন্টিনার শেষ ভরসা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে শিরোপা এনে দিতে পারেননি। তাই রেকর্ড গড়েও ট্রফিবঞ্চিত থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো হয়েই মাঠ ছাড়তে হলো এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজকে।

সূত্র : এই সময় অনলাইন

যে ৫ কারণে হেরেছে আর্জেন্টিনা

অনলাইন ডেস্ক
যে ৫ কারণে হেরেছে আর্জেন্টিনা

ফাইনালে স্পেনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আর্জেন্টিনা। যে দলে লিয়নেল মেসির মতো ফুটবলার রয়েছেন তারা সারা ক্ষণ ডিফেন্স করে গেল। কোচ লিয়োনেল স্কালোনির পরিকল্পনায় গলদ ছিল? না কি অন্য কোনও কারণ? আর্জেন্টিনার হারের পাঁচ কারণ খতিয়ে দেখা যাক।

১) অতিরিক্ত মেসি নির্ভরতা
এখনও এই দল মেসির উপরেই নির্ভরশীল। আগের ম্যাচগুলিতে কঠিন পরিস্থিতি থেকে মেসি দলকে টেনে তুলেছিলেন। গোল করেছিলেন। করিয়েছিলেন। কিন্তু এ ম্যাচে পারেননি। কার্যত দর্শকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাকে। মেসি আটকে যেতে আটকে গিয়েছে আর্জেন্টিনা।

২) স্পেনের মাঝমাঠ
গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে ফুল ফুটিয়েছে স্পেনের মাঝমাঠ। ফাইনালেও সেই ছবিই দেখা গিয়েছে। বলের দখল তাদের পায়েই ছিল। তারা নিজেদের ছন্দে খেলা চালিয়েছে। আক্রমণে উঠেছে। গোটা ম্যাচ জুড়ে স্পেনকে তাড়া করে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠের দখল নিতে পারেনি তারা।

৩) এঞ্জো ফের্নান্দেজের লাল কার্ড
তা-ও ১১ বনাম ১১ জনের যুদ্ধে লড়াই করছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু এঞ্জো ফের্নান্দেজের লাল কার্ড দেখার পর আর কিছু করার ছিল না তাদের। ১০ জন নিয়ে এ স্পেনকে সামলানো অসম্ভব ছিল। সেটাই হয়েছে।

৪) লিসান্দ্রো মার্তিনেজের চোট
বিশ্বকাপের শুরু থেকে আর্জেন্টিনার রক্ষণকে সামলাচ্ছিলেন লিসান্দ্রো। আবার আক্রমণেও সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু এ ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পেয়ে প্রথমার্ধে উঠে যেতে বাধ্য হন তিনি। লিসান্দ্রো উঠে যাওয়ায় আর্জেন্টিনার রক্ষণ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে।

৫) স্কালোনির রক্ষণাত্মক মানসিকতা
গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে স্কালোনির এ রক্ষণাত্মক মানসিকতার সমালোচনা হয়েছে। খেলার গতি কমিয়ে, অযথা ফাউল করে খেলার ছন্দ নষ্ট করেছেন তার ফুটবলারেরা। ফাইনালেও রক্ষণাত্মক মানসিকতার বাইরে বার হতে পারলেন না তিনি। অথচ, আর্জেন্টিনা আক্রমণ করলে কতটা ভয়ঙ্কর তা আগের ম্যাচে দেখা গিয়েছে। কিন্তু ফাইনাল স্কালোনির পরিকল্পনা ডুবিয়ে দিল দলকে।

গাভির এক মন্তব্যেই চড়াও হন আর্জেন্টিনার পারেদেস

ক্রীড়া ডেস্ক
গাভির এক মন্তব্যেই চড়াও হন আর্জেন্টিনার পারেদেস
গাভিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন পারেদেস। ছবি: রয়টার্স

দীর্ঘ ৩৮ দিনের ফুটবল মহাযজ্ঞের সমাপ্তি ঘটল গত রাতে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। 

তবে বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষের বাঁশি বাজতেই মাঠে তৈরি হয় এক নজিরবিহীন উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি এবং আর্জেন্টিনার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের মধ্যকার তুমুল হাতাহাতি ম্যাচ পরবর্তী সব আলোচনা কেড়ে নিয়েছে।

মাঠের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির জেরে খেলা শেষ হওয়ার পরও পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।

উত্তেজনার সূত্রপাত ও গাভির সেই মন্তব্য

অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের পর ম্যাচ রেফারি যখন শেষ বাঁশি বাজান, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব জয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে স্পেন। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। 

স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচ শেষ হতেই স্পেনের গাভি আর্জেন্টিনার পারেদেসের খুব কাছে গিয়ে কিছু একটা বলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গাভির করা সেই মন্তব্য মোটেও পছন্দ হয়নি পারেদেসের। ঠিক কী শব্দ বা বাক্য গাভি উচ্চারণ করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি। তবে তা যে চরম উসকানিমূলক ছিল, তা পারেদেসের প্রতিক্রিয়া দেখেই স্পষ্ট।

মাঠে হাতাহাতি এবং কোচের হস্তক্ষেপ

গাভির কথা শোনার পর মেজাজ হারান পারেদেস। তিনি তীব্র ক্ষোভ নিয়ে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। এরপরই দুই দলের খেলোয়াড় এবং সাইডবেঞ্চের সদস্যরা মাঠে ছুটে আসেন। 

পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজে মাঠে ঢুকে পারেদেসকে টেনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে।

পারেদেসের লাল কার্ড

মাঠের এই নজিরবিহীন শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেন রেফারি। ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে ফাইনাল শেষের পর লাল কার্ড দেখার এমন ঘটনা একেবারেই বিরল।

ম্যাচ চলাকালীন বা ম্যাচ শেষে স্লেজিং নতুন কিছু নয়। তবে গাভি পারেদেসকে ঠিক কী বলেছিলেন, তা নিয়ে এখন বিশ্ব ফুটবলে চলছে নানা ধরনের গুঞ্জন। দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।

খেলা ছাড়িয়ে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরা তারকাদের মেলা

অনলাইন ডেস্ক
খেলা ছাড়িয়ে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরা তারকাদের মেলা

গোল, কান্না আর মাঠের নাটকীয় ফুটবলকে ছাপিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন পরিণত হয়েছিল বিশ্বের সব শীর্ষ তারকাদের এক বিনোদন উৎসবে। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা, হলিউড সুপারস্টার, ইন্টারনেট সেনসেশন ও ফুটবলের কিংবদন্তিদের উপস্থিতিতে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম (মেটলাইফ স্টেডিয়াম) এক ঐতিহাসিক মহাযজ্ঞের সাক্ষী হয়েছে

ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধের বিরতিতে প্রথা ভেঙে আয়োজিত হয় ঐতিহাসিক এক হাফ-টাইম শো। ব্রাজিলের দুই বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি রোনাল্ডো ও রোনালদিনহোর চালানো একটি ডুন বাগিতে চড়ে স্টেডিয়ামের টানেল দিয়ে জমকালো প্রবেশ করেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। এরপর তিনি তার ২০০০ সালের হিট গান ‘মিউজিক’-এর নতুন সংস্করণ গেয়ে মাতান। এরপরই জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘টেড ল্যাসো’-র চরিত্র জেসন সুডেইকিস ও ব্রেন্ডন হান্টের মজার পরিচয়ের পর মঞ্চে আসেন জাস্টিন বিবার। অ্যাকোস্টিক গিটারে তার শান্ত ‘এভরিথিং হ্যালিলুয়াহ’ গানটির পরিবেশনা শো-র আবহ পুরোপুরি বদলে দেয়।

কনসার্টের গতি ও আসল উন্মাদনা ফিরিয়ে আনেন পপকুইন শাকিরা। নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয় এবং উগান্ডার অনূর্ধ্ব তরুণ নাচের দল ‘ঘেটো কিডস’-কে সাথে নিয়ে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই’ গেয়ে পুরো স্টেডিয়াম নাচিয়ে তোলেন তিনি। এরপর লাল-কালো পোশাকে বিটিএস তাদের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় গান ‘ডিনামাইট’ গেয়ে পরিবেশনায় নতুন মাত্রা যোগ করে। সোয়ে লি-কে সঙ্গে নিয়ে হিট গান ‘সানফ্লাওয়ার’ পরিবেশন করেন পোস্ট মেলোন। পুরো ইভেন্টজুড়ে রবি উইলিয়ামস, জেনিফার হাডসন, নিকোল শেরজিঙ্গার, লরা পাউসিনি ও মারিয়া বেসেরার মতো বিশ্বসঙ্গীতের একাধিক তারকার উপস্থিতিতে ফাইনালটি একাধারে অ্যাওয়ার্ড শো, মিউজিক ফেস্টিভ্যাল ও ফুটবল ম্যাচে রূপ নেয়।

শুধু মিউজিক নয়, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনেও ছিল বৈচিত্র্যের ছোঁয়া। ঐতিহ্যবাহী ‘দ্য মাপ্পেটস’-এর অ্যানিমেলের ড্রামস এবং গুস্তাভো ডুডামেলের পরিচালনায় নিউ ইয়র্ক ফিলহারমোনিক অর্কেস্ট্রার ‘সেভেন নেশন আর্মি’ গানের সুর বিশ্ববাসীকে এক পরাবাস্তব মুহূর্ত উপহার দেয়। অন্যদিকে, সাদামাটা পোশাকে হলিউড সুপারস্টার টম ক্রুজের নাটকীয় ম্যাচ-পূর্ব ভাষণ এবং দুই দল স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া গ্যালারিতে এনে দেয় আলাদা গাম্ভীর্য। পাশাপাশি জনপ্রিয় গ্লোবাল স্ট্রিমার আইশোস্পিড ভিআইপি বক্সে উল্লাসের পাশাপাশি ফাইনালের আগে তার ‘চ্যাম্পিয়নস’ গান দিয়ে পুরো আয়োজনের সূচনা করেন।

মাঠে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ঐতিহাসিক শিরোপা লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, হলিউড, মিউজিক এবং ইন্টারনেট সংস্কৃতির শীর্ষ তারকাদের এই ঐতিহাসিক মেলবন্ধন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালকে ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য ও চিরস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে খোদাই করে রাখল।