• ই-পেপার

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারীর সাবেক এমপি পাভেল

পিপলস লীগকে তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
পিপলস লীগকে তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার নির্দেশ

বাংলাদেশ পিপলস লীগকে তিন মাসের মধ্যে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২২ জুলাই) এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন দলটির চেয়ারম্যান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী গরীব নেওয়াজ মোহাম্মদ। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. সেলিম মিয়া।

এর আগে দলটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব হোসেন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ পিপলস লীগ ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০২৫ সালে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্রুয়ারি নিবন্ধন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। পরে ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হলে আদালত রুল জারি করেন।

বুধবার সেই রুলের ওপর রায় দিয়ে তিন মাসের মধ্যে দলটিকে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১২৮ বার পিছিয়ে আগামী ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এদিন নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই  মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন–রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করতে হাইকোর্টের রুল

অনলাইন ডেস্ক
ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করতে হাইকোর্টের রুল
ফাইল ছবি

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

বুধবার (২২ জুলাই) রুল জারির তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান। এলজিআরডি সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জারি করা রুলে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না।

রুলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ধারা ২৬ এর অধীনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা (কমপক্ষে স্নাতক) নিশ্চিত করার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আদালতে রিট দায়ের করেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।

পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খান

অনলাইন ডেস্ক
পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খান

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খান। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে এমরান খান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হই। আমার ব্যক্তিগত কারণে উক্ত পদ হতে আজ পদত্যাগ করলাম।’

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে এমরান খান বলেন, ‘ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার ব্যক্তিগত ল চেম্বারের কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এখন আমি ব্যক্তিগত প্র্যাকটিসে সময় দিতে চাই। এ কারণে পদত্যাগ করেছি।’