kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

কপ-২৬-এ দেশের স্বার্থ ভালোভাবে তুলে ধরতে হবে

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে দেশের স্বার্থ রক্ষা কৌশল অধিকতর জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। গতকাল বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সেমিনারে অংশ নিয়ে তাঁরা গ্লাসগোতে আসন্ন জলবায়ু সম্মেলনে বিভিন্ন আলোচনায় কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য নাগরিক সমাজকে সুযোগ প্রদানের সুপারিশ করেছেন।

‘কপ-২৬ : সরকারি অবস্থান এবং নাগরিক সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক এই সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে কোস্ট ফাউন্ডেশন, অর্গানাইজেশন ফর সোসিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এওএসইডি), সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি), কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (সিডিপি), কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্লিন) এবং ইকুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইকুইটিবিডি)।

ইকুইটিবিডির রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সেমিনারে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মীর্জা শওকত, সিপিআরডির মো. শামসুদ্দোহা, সাংবাদিক নিখিল ভদ্র, কানসা-বিডির রাবেয়া বেগম, সিপিডির জাহাঙ্গীর হোসেন মাসুম, লিডার্সের মোহন কুমার মণ্ডল, অ্যাওসেডের শামীম আরেফিন, ক্লিনের হাসান মেহেদী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইকুইটিবিডির সৈয়দ আমিনুল হক।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রবাহকে বাংলাদেশের অনুকূলে নিয়ে আসার চেষ্টা অবশ্যই থাকবে। এর বাইরেও আমাদের প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশগুলোকে বাস্তবসম্মতভাবে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস লক্ষ্যমাত্রা মেনে চলতে এবং জিসিএফ তহবিলে ১০০ বিলিয়ন জোগান দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করবেন।’

মির্জা সাওকাত বলেন, ‘আমরা কপ-২৬-এর জন্য একটি অবস্থান তৈরি করেছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে  বিষয়গুলো নিয়ে সমন্বয় প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান প্রাথমিকভাবে অর্থ ও প্রযুক্তির ওপর জোর দেওয়া এবং আমরা চেষ্টা করব জিসিএফ তহবিলে অভিযোজনের জন্য ৫০ শতাংশ বরাদ্দ রাখার ব্যাপারে একটি ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা।’

গবেষক মো. শামসুদ্দোহা বলেন, ‘বাংলাদেশকে উন্নত দেশগুলোর ওপর তাদের এনডিসি লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর জন্য জোরালো চাপ প্রয়োগ করতে হবে, কারণ লক্ষ্য না বাড়ালে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে যাবে। আর তাপমাত্রা বাড়লে আমাদের দেশকে অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে।



সাতদিনের সেরা