• ই-পেপার

গ্লাসগোয় শুরু ২৩তম কমনওয়েলথ গেমস, উদ্বোধন করেন রাজা তৃতীয় চার্লস-রানি ক্যামিলা

শুধু ২০২৬ নয়, ২০১৪ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালেও অন টার্গেট শট নেই আর্জেন্টিনার!

ক্রীড়া ডেস্ক
শুধু ২০২৬ নয়, ২০১৪ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালেও অন টার্গেট শট নেই আর্জেন্টিনার!

বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মহা-মঞ্চের ভাগ্য অনেক সময় নির্ধারণ হয়ে যায় একক কোনো সুযোগ কাজে লাগানোর ওপর। আর সেই নির্মম সত্যটি বারবার কড়ায়-গণ্ডায় টের পেয়েছে আর্জেন্টিনা। পরিসংখ্যানের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ১৯৬৬ সালের পর থেকে আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বমঞ্চের তিনটি ফাইনালে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পরীক্ষা করার মতো একটি শটও তারা লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। আর প্রতিবারই ফলাফল এসেছে হুবহু ১-০ গোলের পরাজয়। 

প্রতিপক্ষ আর সালগুলো যেন একই ট্র্যাজেডির ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়। ১৯৯০ সালে জার্মানি, ২০১৪ সালে সেই জার্মানি এবং সবশেষে ২০২৬ সালে স্পেনের কাছে হার। ক্রীড়া তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা সোফাস্কোরের ডেটাসেট অনুযায়ী, এই তিনটি মেগা ফাইনালেই বিশ্বমঞ্চে আর্জেন্টিনার শটস অন টার্গেটের খাতায় জমা হয়েছিল এক অলস শূন্য।

সংখ্যার হিসাবটা যেমন সরল, তেমনি নির্মম। যখন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে সামান্যতম পরীক্ষায় ফেলা যায় না, তখন ভুলের মাশুল দেওয়ার সুযোগও শূন্যে নেমে আসে। ১৯৯০ সালে রোমে জার্মানির বিপক্ষে ১-০ হার, ২০১৪ সালে রিও ডি জেনিরোতে একই প্রতিপক্ষের কাছে ১-০ ব্যবধানে স্বপ্নভঙ্গ এবং ২০২৬-এ স্পেনের কাছে ১-০ গোলের সেই একই তিক্ত অভিজ্ঞতা। প্রতিটি ম্যাচেই চিত্রনাট্য ছিল একই রকম।

বিভিন্ন প্রজন্ম, আলাদা ট্যাকটিক্স আর ভিন্ন খেলোয়াড়দের যুগেও পরিসংখ্যানের এই ট্র্যাজেডি যেন এক সুতোয় গাঁথা। বিশ্বকাপ ফাইনাল সাধারণত হাই-স্কোরিং ম্যাচ হয় না, সেখানে একটি নিখুঁত ও লক্ষ্যভিত্তিক শটই পুরো ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু এই তিনটি ফাইনালে প্রতিপক্ষকে সেই ভীতির মুখে ফেলতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন আলবিসেলেস্তে ফরোয়ার্ডরা।

একটি বিশ্বকাপ মৌসুমে দলের সার্বিক সাফল্য বিচার করা হয় শেষ ম্যাচটি দিয়েই। ১৯৯০, ২০১৪ ও ২০২৬ সালের পরিসংখ্যান অন্তত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য এই তেতো সত্যিটাই মনে করিয়ে দেয়। রক্ষণভাগ যতটাই লড়াই করুক না কেন, আক্রমণের ধার ছাড়া সোনালী ট্রফিতে চুমু আঁকা অসম্ভব। 
 

গার্দিওলার আগে ‘ডন’কে চেয়েছিল ইতালি

ক্রীড়া ডেস্ক
গার্দিওলার আগে ‘ডন’কে চেয়েছিল ইতালি
গার্দিওলার আগে আনচেলত্তিকে কোচ করতে চেয়েছিল ইতালি। ছবি : এক্স থেকে

ফুটবলে কঠিন এক সময় পার করছে ইতালি। এতটাই যে সর্বশেষ তিন বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

কঠিন সময় থেকে মুক্তি পেতে ইতালি শরণাপন্ন হয় বিশ্বের অন্যতম ‍দুই সেরা কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও পেপ গার্দিওলার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইতালি ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পাওলো মালদিনি। 

শুরুটা আনচেলত্তিকে করেছিল ইতালি। তবে নিজ দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব না নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ ব্রাজিলকে বেছে নেন। নিজেদের সাবেক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে না পাওয়ায় এবার গার্দিওলার পেছনে ছুটছে ইতালি। ইতিমধ্যে সাবেক বার্সেলোনা-ম্যানচেস্টার সিটির কোচের সঙ্গে এফআইজিসির সভাপতি জিওভান্নি মালাগোর কথাবার্তাও হয়েছে। 

 

তবে ইতালির পরবর্তী কোচ গার্দিওলা হচ্ছেন কিনা তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। গত এপ্রিলে জেনেরো গাত্তুসো সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই ইতালির ডাগআউট খালি। অন্যদিকে ম্যানসিটির হয়ে দীর্ঘ ১০ বছর ডাগআউট সামলানো গার্দিওলাও বর্তমানে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। দুইয়ে দুইয়ে চার হয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। 

দুই কোচকে প্রস্তাব দেওয়ার বিষয় স্বীকার করে এক সংবাদ সম্মেলনে মালদিনি বলেছেন, ‘পেপের আগে আনচোলত্তির সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে এ বিষয়টি আমরা গোপন রাখতে চাই না। সত্যি বলতে, আমরা যাদের বিশ্বের সেরা ভাবি, তাদের দিয়েই শুরু করাটা আমাদের কাছে সঠিক মনে হয়েছিল।’

ব্রাজিলের হয়ে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি ফুটবলে ‘ডন’ নামে পরিচিত আনচেলত্তির। প্রথমবার কোনো জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় বিদায় নিতে হয়েছে। তাকে ‘ডন’ বলা হয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যর কারণে। শান্ত স্বভাবের সঙ্গে কঠিন পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ বের করে আনার দক্ষতার জন্য।   

ইতালির ডাগআউটে দাঁড়ানোর ইচ্ছে গার্দিওলার আছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদ মাধ্যম লা গাজেত্তা দেলো স্পোর্ট। তবে বার্ষিক স্যালারি ইতালির চেয়ে স্প্যানিশ কোচ দ্বিগুণ চেয়েছেন বলে নাকি চুক্তি ঝুলে রয়েছে। এ নিয়ে অবশ্য এখনি কথা বলতে চান না মালদিনি। ইতালির হয়ে ১২৬ ম্যাচ খেলা সাবেক ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘সত্যি বলতে এই মুহূর্তে কি চলছে সে বিষয়ে আর কোনো তথ্য এখনি জানাতে চাচ্ছি না আমরা।’

গত এক দশকে ম্যানচেস্টার সিটিকে অনেক শিরোপা এনে দিয়েছেন গার্দিওলা। বিশেষ করে ইংল্যান্ড ক্লাবটির স্বপ্ন চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ও পূরণ করেছেন তিনি। সঙ্গে তার সময়ে ৬ টি প্রিমিয়ার লিগ, ৫টি লিগ কাপ ও ৩ টি এফএ কাপও জিতেছে সিটিজেনরা।

শেষ পর্যন্ত গার্দিওলাকে রাজি করাতে না পারলে বিকল্পদের নিয়ে ভাববে ইতালি। বিকল্পদের মধ্যে আছেন আগেও দায়িত্ব পালন করা দুই কোচ আন্তোনিও কন্তে ও রবার্তো মানচিনি। সঙ্গে আজ্জুরিদের কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্দ্রে পিরলোকেও পছন্দ করছে তারা।

২৩তম কমনওয়েলথ গেমস নিয়ে যা জানা জরুরি

ক্রীড়া ডেস্ক
২৩তম কমনওয়েলথ গেমস নিয়ে যা জানা জরুরি
ছবি : রয়টার্স

সব জল্পনা-কল্পনা, তীব্র আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার কালো মেঘ কাটিয়ে অবশেষে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে পর্দা উঠছে ২৩তম কমনওয়েলথ গেমসের। ২৩ জুলাই ওভো হাইড্রো অ্যারেনায় জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই আয়োজন। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত টানা ১১ দিন গ্লাসগোর মাঠে লড়াইয়ে নামবেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সেরা অ্যাথলেটরা।

২০১৪ সালের সফল আয়োজনের মাত্র এক দশকের মাথায় আবারও গ্লাসগোতেই ফিরল এই বৈশ্বিক আসর। মূল আয়োজক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য অতিরিক্ত বাজেটের অজুহাতে হঠাৎ সরে দাঁড়ালে এবং পরবর্তীতে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর না করে দিলে গেমসের ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে। সেই সংকটকালে আসরটি টিকিয়ে রাখতে গ্লাসগো এগিয়ে আসে। তবে তা আয়োজনের খরচ ও ভেন্যু ব্যাপকভাবে কাটছাঁট করে একটি সম্পূর্ণ নতুন ও সাশ্রয়ী মডেল গ্রহণের শর্তে। 

খরচ আয়ত্তে রাখতে এবারের আসরে ইভেন্ট সংখ্যা ও ভেন্যু দুটোতেই বড় ছাঁটাই করা হয়েছে। ২০১৪ সালের আসরে ১৭টি খেলা থাকলেও এবার তা কমিয়ে আনা হয়েছে ১০টি খেলায়। এতে হকি ও সব ধরনের র‍্যাকেট স্পোর্টসের মতো জনপ্রিয় ইভেন্ট বাদ পড়ায় ক্রীড়ামোদী ও অ্যাথলেটদের মাঝে কিছুটা হতাশা দেখা গেছে। তবে আয়োজকরা জানিয়েছেন, বাজেট কমলেও গেমসের উত্তেজনা কমানো হয়নি; ৭৪টি দেশের প্রতিযোগীরা মোট ২১৫টি স্বর্ণপদকের জন্য চার প্রধান ভেন্যুতে লড়াইয়ে নামছেন।

যে ১০টি খেলা নির্বাচিত হয়েছে সেগুলো হলো, অ্যাথলেটিক্স এবং প্যারা-অ্যাথলেটিক্স (শুধুমাত্র ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড), সাঁতার এবং প্যারা-সাঁতার, শৈল্পিক জিমন্যাস্টিকস, ট্র্যাক সাইক্লিং এবং প্যারা-ট্র্যাক সাইক্লিং, নেটবল, ভারোত্তোলন এবং প্যারা-পাওয়ারলিফটিং, বক্সিং, জুডো, বোল এবং প্যারা-বোল, ৩x৩ বাস্কেটবল এবং ৩x৩ হুইলচেয়ার বাস্কেটবল। 

ভেন্যুর বিচারেও এবার দেখা গেছে বড় পরিবর্তন। খরচের হিসাব মেলাতে ঐতিহ্যবাহী বড় স্টেডিয়ামের বদলে অপেক্ষাকৃত ছোট ও কার্যকর ভেন্যুকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অ্যাথলেটিক্সের মতো সবচেয়ে বড় ড্র-কার্ড প্রতিযোগিতাটি এবার ৫২ হাজার ধারণক্ষমতার হাম্পডেন পার্কের বদলে মাত্র ১১ হাজার আসনবিশিষ্ট স্কটসটাউন স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সাঁতারের জন্য টলক্রস সুইমিং সেন্টার, সাইক্লিংয়ের জন্য স্যার ক্রিস হয় ভেলোড্রোম এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতার জন্য স্কটিশ ইভেন্ট ক্যাম্পাসকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এদিকে মাঠের খেলার পাশাপাশি টিভি সম্প্রচার ও টিকিটের চড়া দাম নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে দেখা গেছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। ১৯৫৪ সাল থেকে টানা ১৮টি আসর বিনা মূল্যে টিভিতে সম্প্রচার করে আসা দ্য ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি) এবার স্বত্ব হারিয়েছে। সর্বোচ্চ দর হেঁকে সব খেলা সম্প্রচারের দায়িত্ব পেয়েছে পে-টিভি চ্যানেল ‘টিএনটি স্পোর্টস’। ফলে সরাসরি খেলা দেখতে দর্শকে ফি গুনে ‘এইচবিও ম্যাক্স’ অ্যাপে চোখ রাখতে হচ্ছে। 

টিকিটের দামের ক্ষেত্রে আয়োজকরা জানিয়েছেন, পদকবিহীন সেশনগুলোর জন্য টিকিটের মূল্য ১৭ পাউন্ড এবং পদকপ্রাপ্ত ইভেন্টগুলোর জন্য ২৬ পাউন্ড থেকে শুরু হবে। অন্যদিকে সীমিত আসনের কারণে অ্যাথলেটিক্সের মতো জনপ্রিয় ইভেন্টগুলোর টিকিটের দাম হাঁকানো হচ্ছে তিন অঙ্কে। 

সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে এখন নজর কেবলই খেলার মাঠে। গ্লাসগোর আইকনিক ফিনিয়েস্টন ক্রেনের আদলে নির্মিত কাল্পনিক ইউনিকর্ন ‘ফিনি’-কে মাস্কট করে আয়োজিত এই ছোট বাজেটের গেমস যদি সফল হয়, তবে তা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের জন্য অলিম্পিক বা কমনওয়েলথের মতো বড় আসর আয়োজনের ক্ষেত্রে এক নতুন অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। 
 

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ‘ডাকের রাজা’ সাকিব

ক্রীড়া ডেস্ক
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ‘ডাকের রাজা’ সাকিব
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ডাক মেরেছেন সাকিব। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্যারিয়ারে অনেক পজিশনে এক নম্বরে ছিলেন সাকিব আল হাসান। এর মধ্যে নিশ্চয়ই বিশেষ তিন সংস্করণে অলরাউন্ডারের শীর্ষ পদে আসীন হওয়া। বিশ্বের প্রথম ও একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

তবে এবার বিব্রতকর এক রেকর্ডে নাম তুলেছেন সাকিব। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ‘ডাক’ মারার কীর্তি গড়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। ‘ডাকের রাজার’ নামের পাশে এখন সংখ্যা হচ্ছে ৩৩টি।

এত দিন সৌম্য সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে ৩২ ডাক মেরে চূড়ায় ছিলেন সাকিব। গতকাল ডাম্বুলায় সৌম্যকে ছাড়িয়ে যান বাঁ-হাতি ব্যাটার। জাফনা কিংসের হয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ‘গোল্ডেন ডাক’ মারেন তিনি। রানের খাতা খোলার আগেই তাকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান গল গ্যালান্টসের স্পিনার থারিন্দু রত্নানায়েকে।

তাতে ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার মঈন আলির পাশে বসেন সাকিব। ‍বাঁ-হাতি ব্যাটারই এখন ডাক সংখ্যা ৩৩। বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের সামনে অবশ্য আরো আটজন আছেন। ৫৪ ডাকে শীর্ষে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক স্পিনার সুনীল নারাইন। 

এমন বিব্রতকর রেকর্ডের রাতে সাকিবের দলও ম্যাচ হেরেছে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) ১০ম ম্যাচে গলের কাছে ৬০ রানের পরাজয় দেখেছে জাফনা। প্রথমে ব্যাট করে সেহান আরাচ্চিগের (৬৩) ফিফটিতে ৮ উইকেটে ১৯৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় গল। ৩ ওভারে ২৭ রান খরচ করে ১ উইকেট নেন সাকিব। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুনিত ভেল্লালাগে (৫৬) ফিফটি করলেও ১৩৩ রানে অলআউট হয় জাফনা।