তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ১৪৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ডিওন মায়ার্সের ব্যাটে ভর করে লড়াকু সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। ৫৩ বলে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন এই ব্যাটসম্যান।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ স্পিনার মাহেদি হাসানের বলে এক্সট্রা কাভারে ইয়াসির আলি চৌধুরির হাতে ধরা পড়েন ওপেনার টাদিওয়ানাশে মারুমানি। ৪ রান করেন তিনি।
শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে নেন আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স। পাওয়ার প্লেতে দলকে ৪০ রান এনে দেওয়ার পর জুটিতেও অর্ধশতক পূর্ণ করেন তারা।
হাফ-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ১১তম ওভারে দলীয় ৭৭ রানে বাংলাদেশ পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে বোল্ড হন বেনেট। ৮টি চারে ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে মায়ার্সের সঙ্গে ৫৫ বলে ৭১ রান যোগ করেন বেনেট।
তৃতীয় উইকেটে ২৩ বলে ৩০ রান যোগ করে জিম্বাবুয়ের রান ১শ পার করেন মায়ার্স ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ৩ রানে রাজাকে থামিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পান বাংলাদেশ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
দলীয় ১০৭ রানে রাজা ফেরার পর জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন মায়ার্স ও রায়ান বার্ল। ১৭ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১২৭ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে।
তবে শেষ ৩ ওভারে বাংলাদেশের বোলার ও ফিল্ডারদের নৈপুণ্যে ১৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ফলে বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। শেষ ৪ উইকেটের দুটি রানআউট এবং বাকি দুই উইকেট ভাগাভাগি করেন আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন ও সাইফুদ্দিন।
এক প্রান্ত আগলে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন মায়ার্স। তার ৫৩ বলের ইনিংসে ৭ চার ও ২ ছক্কা ছিল।
বল হাতে বাংলাদেশের সাইফুদ্দিন ৩৫ রানে ২টি, মাহেদি-রিশাদ ও সাকলাইন ১টি করে উইকেট নেন।