• ই-পেপার

ইয়ামালদের শৈল্পিক ফুটবলের মুখোমুখি মেসিদের লড়াকু মানসিকতা

ফাইনালে শুধু জয়েই মনোযোগ এমি মার্তিনেজের

ক্রীড়া ডেস্ক
ফাইনালে শুধু জয়েই মনোযোগ এমি মার্তিনেজের
ছবি : রয়টার্স

স্পেনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ বলেছেন, টুর্নামেন্টের আগে ডান হাতের অনামিকায় চিড় ধরার কারণে প্রতিদিন প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। শনিবার (১৮ জুলাই) ফিফা ফ্যানাটিকস ফেস্ট অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। এ সময় সঙ্গে ছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নিউ জার্সিতে ইউরোপীয়দের বিপক্ষে ম্যাচের দুই দিন আগে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ বলেন, ‘আমার হাতে এখনো প্রতিদিন ব্যথা করে। আমি জানতাম যে অনেক ব্যথা হবে। আমি অস্ত্রোপচার এড়িয়ে গেছি; যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ডে আমি যে সমস্ত বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করেছিলাম। তাঁরা সবাই আমাকে বলেছিলেন অস্ত্রোপচার করতে। কিন্তু আমি এড়িয়ে গেছি।’

গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো চলাকালীন আমি ঠিকঠাক অনুশীলন পর্যন্ত করতে পারিনি। তবে শেষ ষোলোয় মিসরের বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকে আমি ব্যথার কথাটা মাথা থেকেই ঝেড়ে ফেলেছি, এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো বোধ করছি বলে যোগ করেন অ্যাস্টন ভিলার এই আর্জেন্টাইন গোলকিপার।

কয়েক বছর আগে সতীর্থদের সাথে এক আলাপচারিতায় দুটি বিশ্বকাপ জিতলে অবসর নেবেন ভাইরাল মন্তব্যটি নিয়ে জানতে চায়লে তিনি বলেন,ওটা নিকোর সাথে জাতীয় দলের হয়ে এক (এএফএ) অনুশীলন বলা হয়েছিল... কিন্তু প্রথমে আমাদের জিততে হবে। আমি শুধু সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। এই দলটি বছরের পর বছর ধরে উন্নতি করে চলেছে। আমরা যা অর্জন করেছি তা ভেবে মাঝে মাঝে আমার চোখে জল চলে আসে। সামনে উপভোগ করার মতো আনন্দের মুহূর্ত এখনো বাকি রয়েছে।

জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাব মার্তিনেজকে দলে ভেড়াতে উন্মুখ হয়ে আছে, ট্রান্সফার মার্কেটে তাঁকে নিয়ে গুঞ্জন তুঙ্গে। তবে ৩৩ বছর বয়সী এই গোলকিপারের চোখ এখন ওসবে নেই। তাঁর ধ্যান-জ্ঞান কেবল একটাই— নিউ জার্সির মাঠে স্পেনের বিপক্ষে জিতে আর্জেন্টিনার জার্সিতে চতুর্থ তারকাটি জুড়ে দেওয়া।

স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল নিয়ে যা বললেন জাভি ও মাসচেরানো

ক্রীড়া ডেস্ক
স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল নিয়ে যা বললেন জাভি ও মাসচেরানো

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। ফাইনালটি দুই দেশের জাতীয় জার্সিতে অনুষ্ঠিত হলেও এই ম্যাচের সর্বত্র বার্সেলোনার ছায়া দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দুই কিংবদন্তি স্পেনের জাভি হার্নান্দেজ এবং আর্জেন্টিনার হাভিয়ের মাসচেরানো। শনিবার (১৮ জুলাই) নিউ ইয়র্কের বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকার সামনে সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের সাথে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তারা।

স্পেনের লা মাসিয়া (বার্সার একাডেমি) থেকে উঠে আসা তরুণ খেলোয়াড়দের থেকে শুরু করে বার্সেলোনা একাডেমির সবচেয়ে উজ্জ্বল আবিষ্কার লিওনেল মেসি—যিনি ৩৯ বছর বয়সেও নিজের ইচ্ছামতো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছেন—সবখানেই ক্লাবের প্রভাব স্পষ্ট।

জাভি ছিলেন স্পেনের সেই সোনালি প্রজন্মের মূল স্তম্ভ, যাদের ‘টিকি-টাকা’ পজিশন গেম ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় দেশকে প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল। অন্যদিকে, মাসচেরানো ছিলেন বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা দলে মেসির সাবেক সতীর্থ এবং এই বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত ইন্টার মায়ামিতে তাঁর কোচ।

স্পেন দলে রয়েছে বার্সার ব্যাপক প্রভাব, যার মধ্যে আছেন লামিনে ইয়ামাল এবং পাউ কুবারসি। এই দুই খেলোয়াড় যখন কিশোর ছিলেন, তখন বার্সেলোনার ম্যানেজার হিসেবে জাভি নিজেই তাদের পেশাদার ফুটবলে অভিষেক করিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা দলে আছেন মেসি, যিনি চার বছর আগে কাতারে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিলেন এবং ৩৯ বছর বয়সেও সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে নিয়ে এসেছেন।

৪২ বছর বয়সী মাসচেরানো বলেন, মেসির কোনো কীর্তিই এখন আর কারও জন্য বিস্ময়কর হওয়া উচিত নয়—যদিও বাস্তবতায় তা এখনো সবাইকে অবাক করে।

মাসচেরানো বলেন, ‌‘সে একজন অনন্য সাধারণ খেলোয়াড়। আপনি তাঁর সাথে কারও তুলনা করতে পারবেন না। সে সম্পূর্ণ আলাদা, একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবার যখন আমরা তাঁকে দেখি, প্রতিবারই তা এক বিস্ময় নিয়ে আসে। কারণ সে এমন অনেক কিছু করছে যা আমরা অন্য কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে কখনই দেখব না। তাই আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে তাঁর মতো খেলোয়াড় খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। আমি মনে করি এটা অসম্ভব।’

বার্সেলোনায় মেসির সাথে বছরের পর বছর ধরে মাঝমাঠের জাদু দেখানো ৪৬ বছর বয়সী জাভি এবং মাসচেরানো একই সাথে বসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলের জয় ম্যাচটি দেখছিলেন।

এ সময় জাভি বলেন, ‘আমরা একসাথে ম্যাচটি দেখছিলাম এবং মাসচেরানো আমাকে বলল, ‘৩৯ বছর বয়স, আর সে মাঠে কী করছে!’ 

এটি সত্যিই অসাধারণ। সে ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় এবং সে এখনো মাঠে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা, তাঁর মনোভাব—সে একজন যোদ্ধা। সে নিঃসন্দেহে সর্বকালের সেরা বলে যোগ করেন সাবেক এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।

জাভির থেকে আরো একধাপ এগিয়ে মাসচেরানো বলেন, ‘মেসি এখনো যেন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে ধরে রেখেছেন।’

আমার মনে হয় সে এখনো প্রমাণ করছে যে সেই এই খেলার মালিক। বল যখন তাঁর পায়ে থাকে, তখন সে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয় যে সে ম্যাচটি জেতাতে যাচ্ছে এবং সে ঠিক সেটাই করে দেখায় বলে যোগ করেন সাবেক এই আর্জেন্টাইন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। 

জাভির জন্য আগামী রবিবারের ফাইনালের গর্ব শুধু মেসিকে ঘিরেই নয়। তিনি জানান, ১৫ বছর বয়সের লামিনে এবং ১৬ বছর বয়সের কুবারসিকে খুব কাছ থেকে দেখার পর, আজ তাদেরকে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট হিসেবে পরিপক্ক হতে দেখাটা তাঁর জন্য অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক।

জাভি বলেন, ‘বার্সেলোনার ফুটবল দর্শন এই দুই ফাইনালিস্টের মধ্যেই প্রবাহিত হচ্ছে।’ যদিও মাসচেরানো দ্রুত মনে করিয়ে দেন বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে বার্সেলোনার খুব বেশি খেলোয়াড় নেই। 

আমাদের দলে বার্সার খুব বেশি খেলোয়াড় নেই, তবে খেলার ধরনটা অনেকটাই সেরকম। আমার কাছে,  এই টুর্নামেন্টের তারাসেরা দুটি দল। যারা একই শৈলীতে খেলে। তারা বল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করে এবং বল না থাকলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। সম্ভবত যে দল বলের দখল বেশি রাখতে পারবে, তারাই ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করবে বলে যোগ করেন মাসচেরানো।

 এটি আমাদের জন্য সম্ভাব্য সেরা একটি ফাইনাল হবে বলে জানান এই দুই সাবেক ফুটবলার। তবে জয়ী কে হবে তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতেনি কেউই।

ইরানে খেলতে যাওয়ায় বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারকে ফাইনাল দেখার ভিসা দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

ক্রীড়া ডেস্ক
ইরানে খেলতে যাওয়ায় বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারকে ফাইনাল দেখার ভিসা দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে স্পেনের ডিফেন্ডার ক্যাপদেভিলা। ছবি : এক্স থেকে

দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফাইনালের টিকিট পেয়েছে স্পেন। নিজেদের ইতিহাসের একমাত্র সোনালি ট্রফিটি জিতেছে ২০১০ বিশ্বকাপে। ইতিহাস গড়া বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে সেবার সব ম্যাচই খেলেছেন হোয়ান ক্যাপদেভিলা। উত্তরসূরিরা ফাইনালে ওঠায় ভীষণ খুশি স্পেনের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী দলের লেফ্ট ব্যাক।

সন্তানদের নিয়ে তাই ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে চান ক্যাপদেভিলা। কিন্তু তার সাধে বাদ সাধছে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা। আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল দেখতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে থাকতে চেয়েও পারছেন না তিনি। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডারকে ভিসা দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তা চেয়েছেন ক্যাপদেভিলা। সামাজিক মাধ্যমে ৪৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডার লিখেছেন, ‘আমাকে সাহায্য করুন, ডোনাল্ড ট্রাম্প! আমি ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারছি না!’

 

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফর ট্রাভেল অথরাইজেশনে (ইএসটিএ) আবেদন করে প্রত্যাখ্যান হয়েছেন ক্যাপদেভিলা। তিনি লিখেছেন, ‘তারা আমাকে জানিয়েছে, আমার ইএসটিএ আবেদন বাতিল হওয়ায় সন্তানদের নিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে যেতে পারব না আমি।’

ফাইনাল দেখতে এবং স্পেনকে সমর্থন জানাতে কতটা মুখিয়ে আছেন তা ভাষায় বোঝাতে পারছেন না জানিয়ে ক্যাপদেভিলা লিখেছেন, ‘কেউ কি আমাকে সাহায্য করতে পারেন? ২০১০ সালের সতীর্থদের সঙ্গে এবং বর্তমান স্পেন দলকে সমর্থন জানাতে সেখানে উপস্থিত থাকতে কতটা মুখিয়ে আছি, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। বিশ্বাসই করতে পারছি না, আমাকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ফুটবলপাগল সন্তানদের নিয়ে এমন মুহূর্তও আমাকে মিস করতে হবে। কেউ যদি এই সমস্যার সমাধান জানেন, তাহলে আমি সারাজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।’

 

ভিসা কেন পাচ্ছেন না সেটাও জানিয়েছেন ক্যাপদেভিলা। ১০ বছর আগে ইরানে ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলেন তিনি। সেটাই আজ ফাইনাল দেখার পথে বাধা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘কারণ হচ্ছে? ১০ বছর আগে একটি ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলাম। এ কারণেই এখন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারছি না’

বিষয়টি সমাধানের জন্য ট্রাম্পকেই শুধু ট্যাগ করেননি, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও স্পেন সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কেও করেছেন।

ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন কার পক্ষে বাজি ইব্রাহিমোভিচের

ক্রীড়া ডেস্ক
ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন কার পক্ষে বাজি ইব্রাহিমোভিচের
ফাইনালে স্পেনের পক্ষে বাজি ইব্রাহিমোভিচের। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ ফাইনাল আর তা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী হবে না এমনটা কি হতে পারে? এক শব্দের উত্তর—না। মানুষ দুই দলে বিভক্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালেও তাই ব্যতিক্রম কিছু হচ্ছে না।

ভক্ত-সমর্থকরা তো আগে বিভক্ত হয়েছেনই, এবার ফুটবল পণ্ডিত হচ্ছেন। তালিকার ব্যক্তিরা হচ্ছেন ফুটবল জগতের বিখ্যাত নাম। যারা নিজেদের সময়ে মাঠে দাপট দেখিয়েছেন। তাদেরই একজন হচ্ছেন জ্লাতন ইব্রাহিমোভিচ। 

পুরো বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির খেলায় মুগ্ধ হয়ে তার প্রশংসা করলেও শিরোপা জয়ে আর্জেন্টিনাকে পিছিয়ে রাখছেন ইব্রাহিমোভিচ। সুইডিশ কিংবদন্তির মতে, ফাইনালে স্পেন দাপট দেখাবে।

ফক্স স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে ইব্রাহিমোভিচ বলেছেন, ‘ফ্রান্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলেছে স্পেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও তাই করবে। পজেশনাল খেলাটাই খেলবে। কাউন্টার অ্যাটাকিং দল নয় আর্জেন্টিনা। তারা দলীয় খেলাটাই খেলবে। আর আমার বিশ্বাস ফাইনালে স্পেনই আধিপত্য দেখাবে।’

ইব্রাহিমোভিচের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন মাইকেল ওয়েন। আর্জেন্টিনার থেকে স্পেনকেই এগিয়ে রাখছেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার। তিনি বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে আসতে কিছুটা ভাগ্যকেও পাশে পেয়েছে। বিপরীতে স্পেন দুর্দান্ত। ফ্রান্সের বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এটা সত্যিই দেখার মতো পারফরম্যান্স। তাই আমার মনে হয় আর্জেন্টিনার চেয়ে অনেক এগিয়ে স্পেন। আশা করছি এবার বিশ্বকাপ তারাই জিতবে, আর সেটাই হবে ন্যায্য।’

বিপরীতে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখছেন কাইলর নাভাস। রিয়াল মাদ্রিদ ও কোস্টারিকার সাবেক গোলরক্ষকের মতে, মেসির কারণেই চ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা। তিনি বলেছেন, ‘কোনো একটা দলকে এগিয়ে রাখা বেশ কঠিন। ফাইনালটা সেয়ানে-সেয়ানে লড়াই হবে। দুদলই দুর্দান্ত। তবে আমাকে একটি দল বেছে নিতে হলে আর্জেন্টিনাকে নেব। কারণ তাদের দলে মেসি আছে।’