• ই-পেপার

কেইনকে রক্ষণে নামানোর সমালোচনা করলেন ‘ফুটবল বিশ্লেষক’ ট্রাম্প

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ যে কারণে ফেলনা নয়

সাহিদ রহমান অরিন
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ যে কারণে ফেলনা নয়
আজ রাতে ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। ছবি : সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল কিংবা ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে; দুজনের কথার সারসংক্ষেপ একটাই—তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তাদের আগ্রহ নেই। কোনাতে তো এর গুরুত্বহীনতা বোঝাতে মজা করে ‘চকোলেট মেডেল ম্যাচ’ও বলেছেন। 

ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড অনেক বড় স্বপ্ন নিয়েই এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। কিন্তু সেমিফাইনালে এসে সেই স্বপ্ন ফুড়ুৎ করে উড়ে গেল। স্পেনের কাছে ফ্রান্স হারল ২-০ গোলে। আর্জেন্টিনা লিখল ঘুরে দাঁড়ানোর আরেকটি গল্প। পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতে ইংল্যান্ডকে হতভম্ব করে দিল। ভাঙা মনের সেই ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডই মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ রাতে তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে নামছে।

তবে এই ম্যাচ খেলতে না চাওয়ার কারণ খুব সম্ভবত সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক কোচ লুই ফন গাল। ২০১৪ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ব্রাজিলকে হারিয়ে তৃতীয় হওয়া ফন গালের যুক্তি ছিল এমন—বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে নামে চারটি দল। সেমিফাইনালে হেরে স্বপ্ন ভেঙে চৌচির হয়ে যাওয়া দুটি দল মুখোমুখি হয় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। ভাঙা হৃদয় নিয়ে কি নিজেদের সেরা ফুটবল কেউ উপহার দিতে পারে?

কিন্তু তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অর্থহীন মনে করা হলেও এর পেছনে অর্থযোগ মোটেও কম নয়। মায়ামিতে আজকের জয়ী দল পাবে প্রায় ৩৫৫ কোটি টাকা; হারলে পাবে প্রায় ৩৩০ কোটি।

শুধু কি তাই? সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হলেও এই ম্যাচ কি প্রিয় তারকাকে দেখার আরেকটি সুযোগ করে দেয় না? কখনো কখনো এটিই হয়ে যায় শেষ সুযোগ। 

kahn
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ জার্মানির জার্সিতে অলিভার কানের শেষ ম্যাচ হয়ে আছে। ছবি: সংগৃহীত

কিলিয়ান এমবাপ্পে ও হ্যারি কেইনের জায়গায় লিওনেল মেসিকে কল্পনা করুন। আর্জেন্টিনা যদি সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যেত, তাহলে হয়তো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটাই হয়ে থাকত দেশের জার্সিতে মেসির ‘লাস্ট ড্যান্স’! যেমনটা জার্মানির অলিভার কান, পতুর্গালের লুইস ফিগোর মতো কিংবদন্তিদের ক্ষেত্রে হয়েছে। 

তা ছাড়া এটি যেহেতু একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ, তাই বিশ্বকাপের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা হওয়ার ক্ষেত্রে এই ম্যাচের পারফরম্যান্সও বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

এসব বাদ দিন। তৃতীয় হওয়ার লড়াইটা যদি না-ই থাকত, তাহলে বিশ্বকাপ ফুটবলের যে ইতিহাস আমাদের জানা, তা অনেকটাই বদলে যেত। 

হয়তো জাস্ট ফন্টেইনের নাম জানাই হতো না! ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ১৩ গোল করেছিলেন ফ্রান্সের প্রয়াত এই ফরোয়ার্ড। ৬৮ বছর পরও এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড হিসেবে টিকে আছে তা। হয়তো টিকে থাকবে আরো কয়েক যুগ। 

ধরুন, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বলে বিশ্বকাপে কিছু নেই, কখনো ছিল না। কী হতো, বলুন তো? ফন্টেইনের বদলে এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ডে থাকত সান্দোর ককসিসের নাম। হাঙ্গেরিয়ান কিংবদন্তি ১৯৫৪ বিশ্বকাপে করেছিলেন ১১ গোল। ১৯৫৮ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ৪ গোল করেই যে ককসিসকে পেছনে ফেলেন ফন্টেইন।

just
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন একাই ৪ গোল করেন। ছবি: ফিফা

৯৬ বছরের ইতিহাসে মাত্র দুটি বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নামে কোনো ম্যাচ ছিল না—১৯৩০ ও ১৯৫০ আসরে। ১৯৫০ সালে তো নকআউট পর্ব বলে কোনো শব্দই ছিল না। 

বাকি বিশ্বকাপগুলোতে কম গল্প উপহার দেয়নি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ১৯৩৮ আসরে তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করেই সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন ব্রাজিলের লিওনিদাস। 

শুধুই কি ফন্টেইন আর লিওনিদাস? ইতালির সালভাতর শিলাচি (১৯৯০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকার (১৯৯৮), জার্মানির টমাস মুলার (২০১০) তো সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলেই। এবারো এমবাপ্পে-কেইনদের সামনে থাকছে সেই সুযোগ।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম গোলটিও কিন্তু তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেরই উপহার। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ১১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেছিলেন তুরস্কের হাকান সুকুর।

sukur
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম গোল করেন তুরস্কের হাকান সুকুর। ছবি: এএফপি

ব্যর্থতার ইতিহাসও আছে। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ‘অর্থহীন’ এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক পেলেই ফন্টেইনের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলতেন জার্মানির জার্ড মুলার। ১৯৯৪ সালে একটি গোল পেলেই এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন রিস্টো স্টইচকভ। তা করতে না পেরে শুধু নিজের চুল ছিঁড়তেই বাকি রেখেছিলেন বুলগেরিয়ার এই স্ট্রাইকার।

অনেক দেশের তো বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য হয়ে আছে এই ম্যাচ জিতে তৃতীয় হওয়াটাই। তাই কারো কারো চোখে অর্থহীন ম্যাচেও আমাদের চোখ রাখতে হয়। আর যাই হোক, এই ম্যাচ কোনোভাবেই ফেলনা নয়। 

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় নিষিদ্ধ পাকিস্তানি ক্রিকেটার

ক্রীড়া ডেস্ক
ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় নিষিদ্ধ পাকিস্তানি ক্রিকেটার
পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ। ছবি : সংগৃহীত

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজকে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

শনিবার (১৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলম্বোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের পর পাকিস্তানের ৩২ বছর বয়সী নওয়াজের দেওয়া নমুনায় কার্বক্সি-টিএইচসির উপস্থিতি পাওয়া যায়।

আইসিসির অ্যান্টি-ডোপিং বিধিমালার আওতায় এটিকে ‘অপব্যবহারযোগ্য পদার্থ’ হিসেবে গণ্য করা হয়। 

নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন নওয়াজ। পাশাপাশি নওয়াজ প্রমাণ করেছেন যে টুর্নামেন্ট চলাকালীন মাদক গ্রহণ করেননি এবং মাঠে খেলার পারফরমেন্স বাড়ানোর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না।

তিন মাসের এই নিষেধাজ্ঞার ২০২৬ সালের ১ মে থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে, আইসিসি-অনুমোদিত মাদকাসক্তি নিরাময় কর্মসূচি সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা তিন মাস থেকে কমিয়ে এক মাস করা হয়েছে (স্বেচ্ছায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার তারিখ থেকে)।

আইসিসি আরো জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই মাস অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন নাওয়াজ। পুনর্বাসন কর্মসূচিতে সফলভাবে সম্পন্ন করার শর্তে, আর কোনো মেয়াদে শাস্তি ভোগ করতে হবে না তাকে।

ডোপিং বিধিমালা অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১ মে পর্যন্ত তিনি যেসব ম্যাচ খেলেছেন, সেগুলোর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।

অনুশীলন সূচি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ স্কালোনির

ক্রীড়া ডেস্ক
অনুশীলন সূচি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ স্কালোনির

আর দুই ম্যাচ পরে শেষ হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। আগামী রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা এবং স্পেন। ফাইনালের আগে প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে দুই ফাইনালিস্ট। তবে দলের প্রস্তুতির সময় সূচি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি বলেছেন, আগামী রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে গতকাল রাতে নিউ জার্সিসে পৌঁছানোর পর দলকে বিকেলে বাধ্য হয়ে অনুশীলন করতে হয়েছে।

ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘আমরা ফাইনালের আগে অল্প বিশ্রাম নিতে পেরেছি। কারণ গতকাল রাত ১১টার দিকে এখানে (নিউ জার্সি) পৌঁছেছি। অথচ আজ এমন সময়ে অনুশীলন করতে হয়েছে, যা আমরা চাইনি। সংবাদ সম্মেলন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতার কারণে তাড়াহুড়ো করে একটি সেশন শেষ করতে হয়েছে। যেখানে কৌশলগত প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল না।’

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টসে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আটলান্টা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে ফাইনালের ভেন্যুর শহর নিউজার্সিতে পৌঁছায় আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ভ্রমণের পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ মেলেনি আলবিসেলেস্তেদের। শুক্রবার বিকেলে অনুশীলনে নামতে হয়েছে তাদের। এ নিয়ে নিজের অসন্তোষ গোপন করেননি আর্জেন্টিনা কোচ। কারণ তার খেলোয়াড়রা বিশ্রামের জন্য সীমিত সময় পাওয়া। যা তাকে বিরক্ত করেছে।

ফাইনালের আগে তাই খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থার ওপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন দিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘এখন আমাদের মূল লক্ষ্য খেলোয়াড়দের বিশ্রাম নিশ্চিত করা। এরপর দেখব তারা কী অবস্থায় আছে। কারণ কয়েকজন ফুটবলার এখনো শতভাগ ফিট নয়। তাদের অবস্থা মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

প্রতিপক্ষ স্পেনের শক্তিমত্তাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন স্কালোনি। এমন একটি দলের বিপক্ষে ফাইনালে যে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে সেটা ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন এই কোচ, ‘আমরা নিজেদের খেলাটা মাথায় রেখেই মাঠে নামব। তবে প্রতিপক্ষের ভালো দিকগুলোও অবশ্যই বিবেচনায় রাখছি।’

আগামী রবিবার নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। সেখানে জিততে পারলে ৬৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে টানা দুবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে মেসি-স্কালোনির দল।

‘খেলতে না চাওয়া’ ম্যাচেই রেকর্ডের হাতছানি এমবাপ্পের

ক্রীড়া ডেস্ক
‘খেলতে না চাওয়া’ ম্যাচেই রেকর্ডের হাতছানি এমবাপ্পের
প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগ এমবাপ্পের সামনে। ছবি : রয়টার্স

স্বপ্ন দেখেছিল বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার। তবে ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের কপালে তা জোটেনি। মায়ামিতে তাই আজ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হচ্ছে তাদের। কিছু পাওয়ার না থাকায় তাই ম্যাচটা খেলতে চায় না কেউই। না চাইলে কী হবে? নিয়মরক্ষার জন্য যে খেলতেই হবে।

তবে দলের পাওয়ার কিছু না থাকলেও আছে খেলোয়াড়দের। নাম ধরে বললে কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮), জুড বেলিংহাম (৬), হ্যারি কেইন (৬) ও উসমান দেম্বেলের (৫)। ৪ জনেরই সুযোগ আছে ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের। 

সবার থেকে এগিয়ে অবশ্য এমবাপ্পে। লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে ৮ গোল করে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় শীর্ষে আছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। তাতে একটা রেকর্ড ডাকছে তাকে। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় ২ বার ‘গোল্ডেন বুট’ জিততে পারেননি। সেখানে টানা দ্বিতীয়বার ব্যক্তিগত মর্যাদার পুরস্কারটি জয়ের সুযোগ পাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার।

২০২২ বিশ্বকাপেও ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন এমবাপ্পে। ৮ গোল করে পুরস্কারটি জেতেন তিনি। টানা দ্বিতীয় পুরস্কারটি জিততে হলে অবশ্যই মেসিকে পেছনে ফেলতে হবে ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই শেষ সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। অন্যথা, স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসি গোল করে তাকে ছাড়িয়ে গেলে পুরস্কারটি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের হাতে উঠবে। তাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটির গুরুত্ব ফ্রান্সের কাছে না থাকলেও এমবাপ্পের কাছে রয়েছে।