• ই-পেপার

ইংল্যান্ডকে নিয়ে বিনয়ী নরওয়ের গোলমেশিন

দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল : কল্লোল সংঘকে হারিয়ে চমক বিজি প্রেসের

ক্রীড়া ডেস্ক
দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল : কল্লোল সংঘকে হারিয়ে চমক বিজি প্রেসের
ছবি : সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিভাগ (অনূর্ধ্ব-১৮) ফুটবল লিগের তৃতীয় রাউন্ড ম্যাচে কল্লোল সংঘকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে বিজি প্রেস অ্যান্ড আরসি। ম্যাচে বিজি প্রেসের জিহাদের জোড়া গোলে ২-১ গোলে কল্লোল সংঘকে হারায়।

আজ (শুক্রবার) রাজধানী কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ম্যাচটি। 

ম্যাচে ৩৭তম ও ৭০তম মিনিটে দুটি গোল করেন জিহাদ এবং কল্লোলের হয়ে ৭৪তম মিনিটে ব্যবধান কমান শাহরিয়ার আহমেদ রিয়াদ। 

দিনের অন্য ম্যাচে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত যাত্রাবাড়ী ঝটিকা সংসদ ও চকবাজার কিংসের মধ্যকার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। এতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিতে হয় দল দুটির।

ম্যাচের ৪৫ মিনিটে শাহরিয়া আজ্জাদ সিয়ান গোল করে যাত্রাবাড়ীকে এগিয়ে নেন। যোগ করা সময়ে চকবাজারের হয়ে সমতাসূচক গোল করেন হাসান শেখ।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় সাদিও মানের

ক্রীড়া ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় সাদিও মানের
সেনেগালের জার্সিতে আর দেখা যাবে না সাদিও মানেকে। ছবি : রয়টার্স

ঘোষণাটা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন সাদিও মানে। বিশ্বকাপ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবলের পাট চুকাবেন তিনি। সেই কথা রাখলেন সেনেগালের কিংবদন্তি।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে সেনেগালের বিদায় নিশ্চিত হতেই অবসরের ঘোষণা দিলেন মানে। তাতে একটা যুগেরই যেন সমাপ্তি ঘটল। ১৪ বছরের বর্ণাঢ্য এক ক্যারিয়ারের পথচলা থামিয়ে দিলেন তিনি।

বিদায়ি বার্তায় সেনেগালের মানুষদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে মানে বলেছেন, ‘এই পতাকার জন্য আমি সব কিছু উৎসর্গ করেছি। নিজের সবটুকু নিংড়ে দিয়েছি এবং মাতৃভূমির জন্য সব সময় প্রাণপণ লড়েছি। আপনাদের অবিচল সমর্থনই ছিল আমার সফলতার মূল চালিকাশক্তি।’

 

খেলোয়াড় হিসেবে সম্পর্কের ছেদ ঘটলেও আগামীতে দেশের ফুটবলে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান মানে। তিনি বলেছেন, ‘আগামীতে নিজের অভিজ্ঞতাকে দেশের সেবায় কাজে লাগাতে পারলে অত্যন্ত আনন্দিত হবো—কোচিং স্টাফের অংশ, কোচ হিসেবে ডাগআউটে বসেই হোক, কিংবা প্রশাসনিক কোনো ভূমিকায়।’

২০১২ সালে সেনেগালের হয়ে অভিষেক হয় মানের। এ সময় দেশের হয়ে ১৩০ ম্যাচ খেলে সর্বোচ্চ ৫৪ গোল করেছেন তিনি। সেনেগালের হয়ে জিতেছেন ২০২১ আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স। সর্বশেষ টুর্নামেন্টেও মরক্কোকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। কিন্তু ফাইনালে রেফারির পেনাল্টি দেওয়ার প্রতিবাদে মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাদের শিরোপা কেড়ে নিয়েছে কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল। পরে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

আন্তজার্তিক ছাড়লেও ক্লাব ফুটবল চালিয়ে যাবেন মানে। বর্তমানে আল-নাসরের হয়ে সৌদি প্রো-লিগ মাতাচ্ছেন ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। এ ছাড়া লিভারপুল ও বায়ার্ন মিউনিখের মতো দলের হয়েও খেলেছেন তিনি।

যে কারণে মেসিকে ফাইনালে চান ইয়ামাল

ক্রীড়া ডেস্ক
যে কারণে মেসিকে ফাইনালে চান ইয়ামাল
মেসির সঙ্গে জার্সি বদল করতে চান ইয়ামাল। ছবি : রয়টার্স

খেলোয়াড়দের জার্সিসহ অন্যান্য কিট পাওয়ার আশায় তীর্থের কাকের মতো থাকেন ভক্ত-সমর্থকরা। সুযোগ পাওয়া মাত্রই প্রিয় খেলোয়াড়ের কাছ থেকে পছন্দের কিটটি চেয়ে বসেন। খেলোয়াড়রাও সেই চাওয়া পূর্ণ করেন। 

তবে শুধু কি ভক্ত-সমর্থকরাই তীর্থের কাক হয়ে থাকেন? এমনটা অবশ্য না। কখনো কখনো খেলোয়াড়রাও প্রতিপক্ষ কিংবা সতীর্থর কিট পাওয়ার আশায় থাকেন। খেলার মাঠে এমন মুহূর্ত অনেকবারই দেখা গেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হওয়ার খায়েশ লামিনে ইয়ামালের।

ইয়ামালের চাওয়া, মেসির সঙ্গে জার্সি বদল করবেন তিনি। আর সেই মুহূর্তটি বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে করতে চান তিনি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন ইচ্ছের কথাই জানিয়েছেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড।

সংবাদমাধ্যমটির ‘র‌্যাপিড ফায়ার’ অনুষ্ঠানে ইয়ামালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল—কোন খেলোয়াড়ের সঙ্গে জার্সি বদল করতে চান? ১৮ বছর বয়সী লামিনের উত্তর, ‘মেসি।’ আরেক প্রশ্নে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, স্পেন যদি ফাইনালের টিকিট পায় তাহলে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে দেখতে চান? স্পেন তারকার উত্তর, ‘আর্জেন্টিনা।’

আরেক প্রশ্নে স্পেনের সাবেক কোন ফুটবলারকে বিশ্বকাপের এই দলে নিতে চান, এমনটা জানতে চাওয়া হলে ইয়ামাল বলেন, ‘আন্দ্রে ইনিয়েস্তা।’

ইয়ামালের চাওয়া পূরণ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য অবশ্য আর্জেন্টিনা-স্পেন দুই দলকে নিজ নিজ ম্যাচে জিততে হবে। তবেই আগামী ১৯ জুলাই রাতে নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে মেসি-ইয়ামালের দেখা হবে। এ জন্য আরো দুই ধাপ পেরোতে হবে তাদের। আজ রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। অন্যদিকে শেষ আটে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা।

অনুশীলনে নতুন কৌশল পরীক্ষা স্কালোনির

ক্রীড়া ডেস্ক
অনুশীলনে নতুন কৌশল পরীক্ষা স্কালোনির
স্যামুয়েল ও আইমারের সাথে স্কালোনির প্রশিক্ষণের সময়। ছবি : জুয়ানো টেসোনে

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে দুর্দান্ত কামব্যাগে জয় তুলে নেয় আলবেসিলেস্তরা। কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় সুইসদের বিপক্ষে সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ে মাঠে নামবে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তাতে কঠোর অনুশীলনে কিছু নতুন কৌশল পরীক্ষা করে দেখেছেন কোচ স্কালোনি। তবে মিসরের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্সেও সন্তুষ্ট ছিলেন তিনি। 

আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ক্রীড়া সংবামাধ্যম দিয়ারিও ওলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে বিশ্বকাপে আসা আর্জেন্টিনা দলের ১০১টি ম্যাচে মাত্র তিনটি ম্যাচে একাদশে পরিবর্তন এনেছিল। আগামী শনিবার সুইসদের বিপক্ষে কোয়ার্টারে চতুর্থবারের মতো একাদশে পরিবর্তনের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনুশীলন সেশনে কোচ কৌশলগত গতিবিধি সম্পর্কে কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও এটি আনুষ্ঠানিক অনুশীলন ছিল না। মিসর ম্যাচের ধকল কাটিয়ে উঠতে প্রথম একাদশে থাকা বেশির ভাগ খেলোয়াড় অনুপস্থিত ছিলেন মাঠের অনুশীলনে। ম্যাচে কম সময় খেলা ও বেঞ্চের খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় অনুশীলন করেছেন স্কালোনি। 

এ সময় স্কালোনির কৌশলে বেশ কিছু রদবদল এনেছিলেন। যাতে ম্যাচের প্রয়োজনে শেষ অনুশীলনে শারীরিকভাবে ক্লান্ত থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে কারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা কাজে লাগানো যায়। 

সেশনটিতে রক্ষণভাগকে নিয়ে বেশি পরীক্ষা চালিয়েছেন। এ সময় নিকোলাস ওটামেন্ডি এবং লেফট-ব্যাকে ফাকুন্দো মেদিনা বার বার বাজিয়ে দেখা হয়েছে।

তাই রক্ষণভাগকে শক্তিশালী করার জন্য অনুশীলনের সময় মাঝে মাঝে নিকোলাস ওটামেন্ডি এবং লেফট-ব্যাকে ফাকুন্দো মেদিনা মাঠে নেমেছিলেন।

এবং নিকোলাস গঞ্জালেজ ও লাউতারো মার্তিনেজও আক্রমণে ছিলেন। কাকতালীয় হোক বা না হোক, মিসরের বিপক্ষে মাঠে নামা পাঁচজনের মধ্যে চারজনই মাঠে ছিলেন।

যদিও দলটি রক্ষণাত্মক এবং আক্রমণে ভুল করেছে, যা কোচিং স্টাফরা শুধরে নেওয়ার চেষ্টায় কৌশলী ছিল। শেষ দিনের অনুশীলনে শেষে স্কালোনির কৌশল সর্ম্পকে পুরোপুরি অবগত হওয়া যাবে।

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সম্ভাব্য একাদশ—

দিবু মার্তিনেজ; মলিনা, কুটি রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, তাগলিয়াফিকো; ডি পল, পারেদেস, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার; মেসি এবং হুলিয়ান আলভারেজের শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।