• ই-পেপার

‘মেসি সবার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত’

ইতিহাস গড়ে ভারতে ‌বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ

ক্রীড়া ডেস্ক
ইতিহাস গড়ে ভারতে ‌বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ
ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বাইরে হতে চলেছে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশ (বিবিএল)। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে হবে ভারতের চেন্নাইয়ের বিখ্যাত এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে। ম্যাচটিতে মুখোমুখি হবে  বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পার্থ স্কচার্স এবং মেলবোর্ন রেনিগেডস ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিদেশি ক্রিকেট লিগ ভারতের মাটিতে ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) মেলবোর্ন সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তার পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। এতে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচিত হলো ক্রীড়াক্ষেত্রে।

এই ঘোষণার পর ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বাইরে কোনো দেশে বিগ ব্যাশ লিগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ২০২৬-২৭ মৌসুমে জমকালো উদ্বোধনী ম্যাচটি আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ভারতের অন্যতম প্রধান ক্রিকেট কেন্দ্র চেন্নাই। আগামী ১২ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ের বিখ্যাত এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পার্থ স্কচার্স এবং মেলবোর্ন রেনিগেডসের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিগ ব্যাশ লিগ।

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের উপস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের এই ক্রমবর্ধমান অংশীদারিকে স্বাগত জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খেলাধুলার মতোই এই যৌথ প্রয়াস সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাবে। 

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, এই ক্রীড়া সহযোগিতা যেমন দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আনন্দ দেবে। তেমনই বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পকেও চাঙ্গা করবে। এই ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে ভারতে ‘জি’ডে নমস্তে নামক সপ্তাহব্যাপী একটি উৎসবও উদযাপিত হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং বিগ ব্যাশ লিগের কর্মকর্তারা ভারতকে বিশ্বক্রিকেটের হৃদস্পন্দন হিসেবে বর্ণনা করে চেন্নাইকে এই ঐতিহাসিক অভিষেকের জন্য আদর্শ ভেন্যু হিসেবে বেছে নিয়েছেন। চেন্নাইয়ের দর্শকদের ক্রিকেটীয় আবেগ ও উন্মাদনার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। টিকিট বিক্রির চূড়ান্ত রূপরেখা এখনো তৈরি না হলেও, গ্যালারি যে দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে, তা নিয়ে আয়োজকরা অত্যন্ত আশাবাদী।

পার্থ স্কচার্স ও ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের কর্মকর্তারাও এই সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট বাজারে নিজেদের মেলে ধরার এই লড়াইকে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।

অ্যালকোহল প্রমোট করেন না এমবাপ্পে

ক্রীড়া ডেস্ক
অ্যালকোহল প্রমোট করেন না এমবাপ্পে
সংগৃহীত ছবি

শুধু মাঠের জাদুকরী ফুটবলই নয়, মাঠের বাইরেও নিজের কঠোর কিছু নীতি ও আদর্শের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত কিলিয়ান এমবাপ্পে। একজন গ্লোবাল আইকন হিসেবে তিনি কখনোই অ্যালকোহল, ফাস্ট ফুড কিংবা জুয়ার মতো নেতিবাচক বিষয়ের প্রমোশন বা বিজ্ঞাপন করেন না। কোটি কোটি টাকার লোভনীয় প্রস্তাব পায়ে ঠেলে সবসময় এসব থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন ফরাসি অধিনায়ক। নিজের এই অনড় অবস্থানের কারণে কাতার বিশ্বকাপে ম্যাচসেরার ট্রফিতে থাকা অ্যালকোহলের লোগো ঢেকে রেখে জরিমানার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে।

তরুণ প্রজন্মের কাছে নিজেকে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান এমবাপ্পে। আর এ কারণেই নিজের ইমেজ রাইটস ও বাণিজ্যিক চুক্তিগুলোর ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন তিনি। সবসময় স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং যুবসমাজের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এমন ব্র্যান্ডগুলোর সাথেই কেবল চুক্তিবদ্ধ হন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

নিজের এই কড়া নীতির প্রতিফলন তিনি দেখালেন চলমান বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের হাইভোল্টেজ জয়ের ম্যাচেও। ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে দলের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি। তবে অবধারিতভাবেই টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল অ্যালকোহল স্পনসরের কোনো ব্র্যান্ডিং বা লোগো ছিল না তার ট্রফিতে।

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে মুসলিম খেলোয়াড়দের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিবর্তন এনেছে ফিফা। এই নতুন নিয়মে স্পেশাল ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের জন্য ট্রফি ও মঞ্চ থেকে অ্যালকোহল সম্পর্কিত ব্র্যান্ডিং সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সাধারণত ম্যাচসেরার পুরস্কারে বিয়ার ব্র্যান্ড ‘মিশেলব আল্ট্রা’র লোগো ব্যবহৃত হলেও, মুসলিম ফুটবলারদের জন্য রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ একটি ‘সুপিরিয়র প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ ডিজাইন এবং ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ব্র্যান্ডিং। এম্বাপ্পে নিজে খ্রিষ্টান ধর্মানুসারী হলেও, ব্যক্তিগত নৈতিকতার খাতিরে মুসলিমদের জন্য বরাদ্দকৃত সেই নিরপেক্ষ পুরস্কারটিই গ্রহণ করেন।

অবশ্য কাতার বিশ্বকাপ থেকেই এই ধারা বজায় রেখেছেন এমবাপ্পে। সেবার ম্যাচসেরা হওয়ার পর ট্রফি হাতে ছবি তোলার সময় সচেতনভাবেই স্পনসর কোম্পানির লোগোটি হাতের আড়ালে রাখতেন তিনি। নিজের আদর্শ ধরে রাখতে ফিফা কিংবা স্পনসরদের রোষানলে পড়া বা জরিমানা গোনা কোনো কিছুতেই পিছু হটেন না এই ফরাসি তারকা।

বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এর ঠিক ৬ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফরাসিরা যখন সেমিফাইনালের টিকিট কাটল, ততক্ষণে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের ২০তম গোলটি করে ফেলেছেন এমবাপ্পে।

সামাজিক মাধ্যমে সতীর্থদের আনফলো করছেন রোনালদো!

ক্রীড়া ডেস্ক
সামাজিক মাধ্যমে সতীর্থদের আনফলো করছেন রোনালদো!
ছবি : রয়টার্স

তারকায় ঠাসা দল নিয়েও এবারের বিশ্বকাপেও দ্রুত বিদায় নিয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে তাদের। তবে মাঠের ব্যর্থতার চেয়েও আসরজুড়ে বেশি চর্চা হয়েছে রোনালদোর সঙ্গে দলের বাকি সতীর্থদের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও মতবিরোধের গুঞ্জন নিয়ে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, ড্রেসিংরুমের এই ঠান্ডা যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাঠের পারফরম্যান্সে। 

কিন্তু বিশ্বকাপ মিশন শেষ হতেই কি তবে আবারও পুরোনো তিক্ততা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল! পর্তুগিজ শিবিরের অন্দরের সম্পর্ক আসলে কতটা স্বাভাবিক, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি সোশ্যাল মিডিয়া জরিপ। ইনস্টাগ্রামে পর্তুগাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের একে অপরকে ফলো বা অনুসরণ করার একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে, যেখানে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে খোদ অধিনায়ক রোনালদোর তালিকায়। সতীর্থদের ফলো করার ক্ষেত্রে সবার নিচে অবস্থান করছেন এই ফুটবল মহাতারকা।

ব্রাজিলিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘গ্লোবো’ এই ভাইরাল জরিপটির সত্যতা যাচাই করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে, পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ জন ফুটবলারের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে রোনালদো অনুসরণ করেন মাত্র ৪ জনকে! সিআরসেভেনের সেই ‘লাকি ফোর’ সতীর্থ হলেন—দিওগো দালোত, জোয়াও কান্সেলো, রাফায়েল লেয়াও এবং ব্রুনো ফার্নান্দেজ। তবে রোনালদো কি আগে থেকেই বাকিদের ফলো করতেন না, নাকি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর নতুন করে আনফলোর তালিকায় পাঠিয়েছেন, তা অবশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রকাশিত ওই তালিকায় খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সম্পর্কের গ্রাফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে দেখা যায় দলের বাকি সদস্যরা যখন প্রায় পুরো স্কোয়াডকেই ইনস্টাগ্রামে ফলো করছেন, সেখানে রোনালদো পড়ে আছেন তালিকার তলানিতে।

বিপরীতে পর্তুগাল দলের একতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একদম ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং গোলরক্ষক হোসে সার প্রোফাইলে। তারা দুজনেই বিশ্বকাপের পর্তুগিজ স্কোয়াডের ২৬ সতীর্থের সবাইকেই ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন। তাদের ঠিক পরেই রয়েছেন নেলসন সেমেদো ও ভিতিনিয়া; তারা দুজনেই ফলো করছেন দলের ২৪ জন সতীর্থকে। 

সুইসদের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

ক্রীড়া ডেস্ক
সুইসদের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
ছবি : রয়টার্স

মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য আর রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এবার মেসিদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচকে সামনে রেখে আলবিসেলেস্তেদের একাদশে বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই বলেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে। 

মিসরের বিপক্ষে একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেখান থেকে শেষ মুহূর্তের জাদুকরী প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানের জয় ছিনিয়ে আনে স্কালোনির দল। ম্যাচটিতে দলের সার্বিক পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচিং স্টাফ। তাদের মতে, ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল আর্জেন্টিনার। তবে ফরোয়ার্ডদের গোল মিসের মহড়া আর রক্ষণের কিছু ভুলের কারণে ম্যাচটি কঠিন হয়ে উঠেছিল।

এ কারণে সুইসদের বিপক্ষে খোলনলচে বদলে ফেলার কোনো ভাবনা নেই স্কালোনির। তবে দুটি পজিশন নিয়ে এখনো কিছুটা মধুর সমস্যায় রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। রাইট-ব্যাক পজিশনে নাহুয়েল মোলিনা নাকি গঞ্জালো মন্টিয়েল শুরু করবেন, তা নিশ্চিত নয়। অন্যদিকে, আক্রমণভাগে হুলিয়ান আলভারেসের জায়গায় লাওতারো মার্তিনেস সুযোগ পাবেন কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে মোলিনা ও আলভারেস নিজেদের চেনা ছন্দে ছিলেন না। বিপরীত দিকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মন্টিয়েল ও লাওতারো। বিশেষ করে লাওতারো মার্তিনেস দলের দ্বিতীয় গোলে অবদান রাখার পাশাপাশি জয়সূচক তৃতীয় গোলটিতে নিখুঁত অ্যাসিস্ট করেন। আর এ কারণেই শেষ মুহূর্তে একাদশে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা প্রবল।

আগামী দুটি অনুশীলন সেশনে বিভিন্ন কম্বিনেশন বা সমন্বয় পরখ করে দেখবেন মাস্টারমাইন্ড স্কালোনি। এরপরই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের চূড়ান্ত একাদশ চূড়ান্ত করবেন তিনি। তবে কৌশলগত কারণে এক বা দুটি পরিবর্তন ছাড়া দলে বড় কোনো ওলটপালট হচ্ছে না, তা বলাই যায়।

আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ: 
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা/গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ/লাওতারো মার্তিনেজ।