তারকায় ঠাসা দল নিয়েও এবারের বিশ্বকাপেও দ্রুত বিদায় নিয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে তাদের। তবে মাঠের ব্যর্থতার চেয়েও আসরজুড়ে বেশি চর্চা হয়েছে রোনালদোর সঙ্গে দলের বাকি সতীর্থদের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও মতবিরোধের গুঞ্জন নিয়ে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, ড্রেসিংরুমের এই ঠান্ডা যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাঠের পারফরম্যান্সে।
কিন্তু বিশ্বকাপ মিশন শেষ হতেই কি তবে আবারও পুরোনো তিক্ততা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল! পর্তুগিজ শিবিরের অন্দরের সম্পর্ক আসলে কতটা স্বাভাবিক, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি সোশ্যাল মিডিয়া জরিপ। ইনস্টাগ্রামে পর্তুগাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের একে অপরকে ফলো বা অনুসরণ করার একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে, যেখানে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে খোদ অধিনায়ক রোনালদোর তালিকায়। সতীর্থদের ফলো করার ক্ষেত্রে সবার নিচে অবস্থান করছেন এই ফুটবল মহাতারকা।
ব্রাজিলিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘গ্লোবো’ এই ভাইরাল জরিপটির সত্যতা যাচাই করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে, পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ জন ফুটবলারের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে রোনালদো অনুসরণ করেন মাত্র ৪ জনকে! সিআরসেভেনের সেই ‘লাকি ফোর’ সতীর্থ হলেন—দিওগো দালোত, জোয়াও কান্সেলো, রাফায়েল লেয়াও এবং ব্রুনো ফার্নান্দেজ। তবে রোনালদো কি আগে থেকেই বাকিদের ফলো করতেন না, নাকি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর নতুন করে আনফলোর তালিকায় পাঠিয়েছেন, তা অবশ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রকাশিত ওই তালিকায় খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সম্পর্কের গ্রাফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে দেখা যায় দলের বাকি সদস্যরা যখন প্রায় পুরো স্কোয়াডকেই ইনস্টাগ্রামে ফলো করছেন, সেখানে রোনালদো পড়ে আছেন তালিকার তলানিতে।
বিপরীতে পর্তুগাল দলের একতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একদম ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং গোলরক্ষক হোসে সার প্রোফাইলে। তারা দুজনেই বিশ্বকাপের পর্তুগিজ স্কোয়াডের ২৬ সতীর্থের সবাইকেই ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন। তাদের ঠিক পরেই রয়েছেন নেলসন সেমেদো ও ভিতিনিয়া; তারা দুজনেই ফলো করছেন দলের ২৪ জন সতীর্থকে।




