• ই-পেপার

৭ শিয়াল রান্না করে রুটি দিয়ে খেল বরিশালের বাসিন্দারা!

ধলাই নদ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে কমলগঞ্জে মানববন্ধন

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
ধলাই নদ থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে কমলগঞ্জে মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার উত্তর আলেপুর গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ধলাই নদ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং নদীভাঙনের হাত থেকে বসতবাড়ি, কবরস্থান, ফসলি জমি ও নদীতীর রক্ষা বাঁধ সংরক্ষণের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কমলগঞ্জ পৌর এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উত্তর আলেপুর, চণ্ডীপুর ও দক্ষিণ কুমড়াকাপন গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিল।

মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে ধলাই নদীর তলদেশ থেকে বাণিজ্যিকভাবে বালু উত্তোলন করছে। বিশেষ করে নদীতীর সংলগ্ন এলাকা থেকে অবাধে বালু তোলার ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও তলদেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এতে নদীতীর রক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়ার পাশাপাশি উত্তর আলেপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বসতবাড়ি, কবরস্থান, কৃষিজমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

তারা বলেন, বৈধভাবে ইজারা নেওয়া স্থান থেকে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলনে তাদের আপত্তি নেই। তবে নদীর তীর ঘেঁষে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় নদীতীর রক্ষা বাঁধ, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কবরস্থান ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। এ ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

কমলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন বলেন, ‘ধলাই নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীর রক্ষা বাঁধ, ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে। ইজারার শর্ত মেনে বালু উত্তোলন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীতীর সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। তা না হলে বড় ধরনের নদীভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।’

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘নদীর পাশের বাঁধগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে নদীতীর সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নদীতীর রক্ষা বাঁধ দ্রুত সংস্কার ও নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে।’

জামালগঞ্জে ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
জামালগঞ্জে ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
ছবি : কালের কণ্ঠ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে ১৯৫ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে এমরান হোসেন রুবেল (৪৮) জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

বৃহস্পতিবার রাতে জামালগঞ্জ থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল উপজেলার জামালগঞ্জ বাজার ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৯৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার অপর ব্যক্তি হলেন জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের গোলামীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে আজিজুল হক (৪৮)। এমরান হোসেন রুবেল বেহেলী ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের মৃত নুরুল হোসেন ওরফে সুন্দর আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। দলীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঘরের ভেতর ৭ ফুট গর্ত, ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
ঘরের ভেতর ৭ ফুট গর্ত, ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
ঘরের ভেতর ৭ ফুট গর্ত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বানিয়াচাপড় গ্রামে ঘরের ভেতর সাত ফুট গভীর গর্ত পাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শয্যাশায়ী বাবা আব্দুস সালাম অভিযোগ করেছেন, তাকে মাটিচাপা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ছেলে ওই গর্ত খুঁড়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে পরিবারের এক স্বজন ঘরের দরজা খুলে প্রায় পাঁচ ফুট প্রস্থ ও সাত ফুট গভীর একটি গর্ত দেখতে পান। এ সময় ঘরের পাশে মাটিভর্তি কয়েকটি বস্তা ও কাদামাটির স্তূপ পাওয়া যায়।

আব্দুস সালাম জানান, তিনি পাঁচ বছর আগে গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এতে তার মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে যাওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। বড় ছেলে মোস্তাকিম তার দেখাশোনা করতেন।

তিনি অভিযোগ করেন, কয়েক দিন ধরে মোস্তাকিম ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে যাতায়াত করছিলেন এবং বালতিতে করে মাটি বের করে আনছিলেন। এতে তার সন্দেহ হয়। পরে স্বজনকে দিয়ে ঘর খুলে গর্ত দেখতে পান।

স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী মোস্তাকিমকে আটক করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করবেন বলে তাকে নিয়ে যান।

তবে বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গর্ত খোঁড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোস্তাকিমের বড় বোন সুরাইয়া বেগম। তিনি বলেন, তার ভাই মাদকাসক্ত হলেও বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গর্ত খুঁড়েছে—এ অভিযোগ সঠিক নয়। বিষয়টি তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

আব্দুস সালাম বলেন, তিনি বর্তমানে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা দাবি করেছেন।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মুহাম্মদ আব্দুল করিম বলেন, ঘটনার বিষয়ে মৌখিকভাবে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জে আকস্মিক বন্যায় ২৫ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জে আকস্মিক বন্যায় ২৫ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি অর্ধলক্ষাধিক মানুষ
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে ঘরবাড়ি ডুবে গেছে।

টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে খোয়াই নদী। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাড়ে ৯টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে একে একে অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানির প্রবল স্রোতে নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে ২৫টি গ্রামের অন্তত অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। গবাদি পশু ও আসবাব নিয়ে নিরাপদ স্থানে ছুটছে বন্যাদুর্গতরা। এর আগে একই দিন দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার অন্তর্গত খোয়াই নদীর রাধাপুুর বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে হাওরে প্রবেশ করতে থাকে পানি। 

এদিকে চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার সংলগ্ন এলাকায় নদীভাঙন আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাঙন দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। এতে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাস পাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবার চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনাও রয়েছে হুমকির মুখে। এ ছাড়া চরম ঝুঁকিতে রয়েছে খোয়াই নদীর মাছুলিয়া পয়েন্টের শহর রক্ষা বাঁধ। 

স্থানীয় বাসিন্দারা দিন-রাত বাঁধ রক্ষায় কাজ করছেন। তারা বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। একই অবস্থা সদর উপজেলা ভাদৈ বাঁধেরও। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতির কারণে ভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে। 

জানা গেছে, খোয়াই নদীর কালীগঞ্জে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ার পর দ্রুত বেগে নোয়াবাদ, চরহামুয়া, সুঘর, বনগাও, নতুন বাজার, বালিহাটা, কালীগঞ্জ, যাদবপুর, বিষ্ণরামপুর, দক্ষিনচর, রামনগর ও বনদক্ষিণ এলাকাসহ অন্তত ২৫টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে। এসব এলাকার অনেক পরিবারের ঘরে কোমর সমান পানি ওঠে। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা গবাদি পশু, প্রয়োজনীয় আসবাব, কাপড়চোপড় ও মূল্যবান জিনিসপত্র ও গবাদি পশু নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে শুরু করেন। আবার কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ও অনেকে স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান নিয়েছে। এ ছাড়া শহরের কামড়াপুর, দানিয়ালপুর ও যশেরআব্দা এলাকায়ও বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করে। 

অপরদিকে শুক্রবার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যায়। অনেক অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে সড়কটিতে সম্পূর্ণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সঙ্গে মিরপুর ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, খোয়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মাটি কাটার কারণে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এবং বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, ‘পানি বৃদ্ধি পেলে জেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে বৃষ্টিপাত কমে আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

হবিগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বন্যার পরিস্থিতি তদারকি করতে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫ লক্ষ টাকা, ১০০টন চাউল ও ১৮২০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে।’ 

হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ডা. জি এম সরফরাজ বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের আশ্রয়ন কেন্দ্রে উঠার জন্য বলা হয়েছে।’