ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপেই খেলছেন ফাইনাল। আর সেই ফাইনাল খেলতে নামার আগে ভক্তদের এক ব্যতিক্রমী ও মজার প্রতিশ্রুতি দিলেন স্পেনের তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। বার্সেলোনার এই ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার জানিয়েছেন, স্পেন যদি এবারের বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে পারে, তবে টানা তিন সপ্তাহ তিনি দাড়ি-গোঁফ কাটবেন না। শুধু তা-ই নয়, এই শিরোপা জয়ের উদ্যাপনকে স্মরণীয় করে রাখতে ভক্তদের ১০০টি প্রিমিয়াম বিটস হেডফোন উপহার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
নিজের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের নানা পরিকল্পনা ও ভাবনার কথা বলতে গিয়ে এসব কথা জানান ইয়ামাল। স্পেনের জার্সিতে এটিই হতে যাচ্ছে এই তরুণ তারকার প্রথম বিশ্বকাপ অভিযান।
মেগা টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতা ও মানসিক চাপ সামলানোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ২০২৪ সালের ইউরো জয়ের স্মৃতি রোমন্থন করেন ইয়ামাল।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে কিছুটা স্নায়ুচাপ বা বাড়তি চাপ থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। তবে ইউরো থেকে আমি একটা বড় শিক্ষা পেয়েছি-শুরুটা যদি মনের মতো নাও হয়, তবুও ধৈর্য হারাতে নেই। নিজের সহজাত খেলায় মনোযোগ ধরে রাখাটাই আসল, কারণ বড় টুর্নামেন্ট মানেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার লড়াই।’
ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন এবং তার সাবেক বার্সা সতীর্থ উসমান দেম্বেলের এই পুরস্কার জেতা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন ইয়ামাল। তিনি অকপটে স্বীকার করেন, ‘একটা সময় আমার মনে হয়েছিল পুরস্কারটি হয়তো আমিই পেতে যাচ্ছি। কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছি, ওই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি পাওয়ার মতো পরিপক্বতা তখনো আমার আসেনি। এর ভেতরের গভীরতা অনুধাবন করার বয়সও আমার ছিল না। তাই দেম্বেলের হাতে ব্যালন ডি’অর ওঠাটা একদম সঠিক ছিল এবং আমি তার জন্য দারুণ খুশি।’
ফরাসি তারকা দেম্বেলের সঙ্গে নিজের দারুণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইয়ামাল আরো বলেন, ‘দেম্বেলে মাঠের ভেতরে ও বাইরে আমাকে সবসময় আগলে রেখেছেন। কঠিন সময়ে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে নিয়মিত নানা পরামর্শ দিয়েছেন। আমার আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে তার অবদান অনেক।’




