• ই-পেপার

রোহিতকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টির নতুন রাজা গাপটিল

ফ্যাক্ট চেক

ভারতীয় ওপেনার কি সত্যিই ৯ বছরের বড় অভিনেত্রীর প্রেমে মজেছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
ভারতীয় ওপেনার কি সত্যিই ৯ বছরের বড় অভিনেত্রীর প্রেমে মজেছেন
ম্রুণাল ঠাকুর ও যশস্বী জয়সওয়ালকে মুম্বাইয়ের একটি ক্যাফেতে একসঙ্গে দেখা গেছে। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালকে ঘিরে হঠাৎই প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

মুম্বাইয়ের একটি ক্যাফের ভাইরাল ভিডিও দেখে অনেকেই ধারণা করছেন, বলিউড ও ক্রিকেটে হয়তো নতুন একটি জুটির সূচনা হতে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ম্রুণাল ঠাকুর কিংবা যশস্বী জয়সওয়াল—দুজনের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা গেছে?

আলোচনা শুরু হয় মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্টের বুজি ক্যাফে থেকে ধারণ করা একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে।

ভিডিওতে দেখা যায়, যশস্বী জয়সওয়াল ক্যাফে থেকে বেরিয়ে আসছেন আর ম্রুণাল ঠাকুর তখনও ভেতরে অবস্থান করছেন। তবে ভিডিওতে তাদের মধ্যে কোনো ঘনিষ্ঠতা বা প্রেমের সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

তবু একই জায়গায় দুজনের উপস্থিতি থেকেই বিভিন্ন ফ্যান পেজে তাদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

তারা কি সত্যিই সম্পর্কে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন?

ম্রুণাল ঠাকুর ও যশস্বী জয়সওয়াল প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন—এই গুঞ্জনের পক্ষে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। শুধুমাত্র একসঙ্গে কোথাও উপস্থিত থাকার ভিত্তিতে এ ধরনের দাবি করা যায় না।

ম্রুণাল-যশস্বীর ওই সাক্ষাৎ পেশাগত কোনো বৈঠক, বিজ্ঞাপনের শুটিং বা অন্য কোনো কাজের অংশও হতে পারে। অনেকে একটি মাত্র ভাইরাল ভিডিও দেখে তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

বয়সের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা

প্রেমের গুঞ্জনের পাশাপাশি তাদের বয়সের ব্যবধান নিয়েও অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

বর্তমানে ম্রুণাল ঠাকুরের বয়স ৩৩ বছর, আর যশস্বী জয়সওয়ালের বয়স ২৪ বছর। অর্থাৎ তাদের বয়সের পার্থক্য ৯ বছর।

ম্রুণালের অতীত প্রেমকাহিনি

এটিই প্রথম নয়, এর আগেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ম্রুণাল ঠাকুর।

গত বছর দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা ধানুশকে ঘিরেও তার প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। একাধিক অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়া এবং ভবিষ্যতের কিছু প্রকল্পে কাজ করার খবর প্রকাশের পর সেই আলোচনা শুরু হয়। পরে এমনও খবর ছড়ায় যে, তারা নাকি বিয়ের পরিকল্পনা করছেন।

তবে এ বছরের শুরুতে একটি সিনেমার প্রচারে অংশ নিয়ে ম্রুণাল এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘জানি না এসব গুজব কারা ছড়ায়। এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।’ ম্রুণাল আরো জানান, কাজের ব্যস্ততার কারণে ডেটিং করার সময় নেই তার। 

এখন কী নিয়ে ব্যস্ত ম্রুণাল ও যশস্বী?

সম্প্রতি বরুণ ধাওয়ান ও পূজা হেগড়ের সঙ্গে হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায় সিনেমায় দেখা গেছে ম্রুণাল ঠাকুরকে। বর্তমানে তিনি বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রেও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে, যশস্বী জয়সওয়াল অনেক আগেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সম্ভাবনাময় তরুণ ব্যাটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর তিনি ভারতের হয়ে নিয়মিত খেলছেন। পাশাপাশি আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়েও খেলছেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

কমনওয়েলথে ভারতের ঐতিহাসিক দিন: একই ইভেন্টে সোনা-ব্রোঞ্জ জয়

ক্রীড়া ডেস্ক
কমনওয়েলথে ভারতের ঐতিহাসিক দিন: একই ইভেন্টে সোনা-ব্রোঞ্জ জয়
সংগৃহীত ছবি

কমনওয়েলথ গেমসের পঞ্চম দিনে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক সাফল্যের সাক্ষী থাকল প্রতিবেশী দেশ ভারতের ক্রীড়াঙ্গন। একই ইভেন্টে একই সঙ্গে পোডিয়ামে উঠলেন দুই ভারতীয়, একজন জিতলেন স্বপ্নের সোনা, অন্যজনের গলায় উঠল ব্রোঞ্জ। কমনওয়েলথের ইতিহাসে এমন ঘটনা এবারই প্রথম! শুধু তা-ই নয়, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডেও লেখা হয়েছে সাফল্যের নতুন ইতিহাস। সবমিলিয়ে পঞ্চম দিনে ভারতের ঝুলিতে এসেছে মোট ৬টি পদক, যার ওপর ভর করে চলমান আসরে তাদের মোট পদকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০-এ। 

পঞ্চম দিনে তারা সেরা সাফল্যটি পেয়েছে প্যারা গেমসে। মহিলাদের এফ৫৭ শটপুট ইভেন্টে ইতিহাস গড়েন ভারতের শর্মিলা ধনকড়। ৯.৮১ মিটার দূরত্বে শটপুট ছুড়ে ভারতকে ঐতিহাসিক স্বর্ণপদক উপহার দেন তিনি। কমনওয়েলথ প্যারা গেমসে এটিই কোনো ভারতীয় অ্যাথলিটের প্রথম সোনা জয়ের রেকর্ড। রোমাঞ্চের তখনও বাকি ছিল! এই ইভেন্টে প্রথমে চতুর্থ হলেও পরবর্তীতে তৃতীয় স্থানে থাকা প্রতিযোগীর থ্রো বাতিল হয়ে যাওয়ায় ব্রোঞ্জ লাভ করেন ভারতের আরেক কন্যা শিল্পা শায়লা। আর তাতেই কমনওয়েলথের একই ইভেন্টে জোড়া পদক জয়ের বিরল নজির গড়ে ভারত।

এদিকে দিনের শুরুতে ভারোত্তোলনে নারীদের ৫৩ কেজি বিভাগে দুর্দান্ত পারফর্ম করে রুপা জিতে নেন জ্ঞানেশ্বরী। নিজের ক্যারিয়ারের সেরা ১৯৯ কেজি ওজন তুলে আলো ছড়ান ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্প থেকে উঠে আসা এই তরুণী।

এরপর হাই জাম্পের বার উঁচুতে তুলে ইতিহাস লেখেন সর্বেশ কুশার। হাই জাম্পে এর আগে কমনওয়েলথে ভারতের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল ব্রোঞ্জ। সেই রেকর্ড ভেঙে রুপো জিতে গেমসের ইতিহাসে ভারতের সফলতম হাই জাম্পার হিসেবে নিজের নাম খোদাই করে নেন সর্বেশ।

ভারতের জন্য ভারোত্তোলন থেকে দিনের শেষভাগে আসে আরো দুই সাফল্য। পুরুষদের ৭৯ কেজি বিভাগে মোট ৩৩০ কেজি তুলে রুপা নিশ্চিত করেন ভাল্লুরি অজয় বাবু। অন্যদিকে মহিলাদের ৫৮ কেজি বিভাগে ১৯৯ কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ জেতেন বিন্দিয়ারানি দেবী।

‘আনফিট’ বুমরাহসহ চমক রেখে শ্রীলঙ্কা টেস্টের দল ঘোষণা ভারতের

ক্রীড়া ডেস্ক
‘আনফিট’ বুমরাহসহ চমক রেখে শ্রীলঙ্কা টেস্টের দল ঘোষণা ভারতের
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক সময়ের চোট-আঘাতের মিছিলের মধ্যেই শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য দুই ম্যাচের টেস্ট দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই)। ঘোষিত এই স্কোয়াডে নাম রয়েছে তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহের, তবে চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামার আগে তাকে পার হতে হবে ফিটনেস পরীক্ষার কঠিন বাধা। অন্যদিকে দীর্ঘ চোট কাটিয়ে আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। তবে ইনজুরির কারণে দলের বাইরেই থেকে যেতে হয়েছে নীতীশ রেড্ডি ও হর্ষিত রানার মতো তরুণদের।

আগামী ১৫ আগস্ট গল-এ শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ২৩ আগস্ট কলম্বোয় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে দুই দল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার দৌড়ে টিকে থাকতে হলে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শুভমান গিলের দলের সামনে সিরিজ জয়ের বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার সকালে স্কোয়াড প্রকাশের আগে ক্রিকেটপাড়ায় সবচেয়ে বড় কৌতূহল ছিল জশপ্রীত বুমরাহকে নিয়ে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে বাঁ হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন এই স্পিয়ারহেড। তবে সিরিজের আরও তিন সপ্তাহ বাকি থাকায় তাকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। মেডিকেল টিমের অধীনে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে এবং নির্ধারিত সময়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষেই ম্যাচ খেলার সবুজ সংকেত পাবেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার স্পিন-সহায়ক কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে রবীন্দ্র জাদেজার প্রত্যাবর্তনকে ভারতের বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডের পর চোটের কারণে জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এই অলরাউন্ডার। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে মধ্যপ্রদেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ১৩১টি উইকেট নেওয়া স্পিনার সারাংশ জৈনকে প্রথমবার টেস্ট স্কোয়াডে ডেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। সাই সুদর্শনকেও দলে রাখা হলেও তাকে বুমরাহের মতো ফিটনেস টেস্ট উৎরাতে হবে।

সিরিজের আনুষ্ঠানিক লড়াই শুরু হওয়ার আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে ভারত।

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের টেস্ট স্কোয়াড:
শুভমান গিল (অধিনায়ক), কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), দেবদত্ত পাড়িক্কল, সাই সুদর্শন, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মানব সুথার, সারাংশ জৈন, জশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও গুর্নুর ব্রার।

‘স্পেনই পাওয়ার যোগ্য ছিল’: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্লেষকের অকপট স্বীকারোক্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
‘স্পেনই পাওয়ার যোগ্য ছিল’: ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা বিশ্লেষকের অকপট স্বীকারোক্তি
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ঘুরেফিরে নানা ধরনের ‘কনস্পিরেসি থিওরি’ বা ষড়যন্ত্রের জল্পনা-কল্পনা দেখা গেলেও তা এক তুড়িতে উড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান ভিডিও বিশ্লেষক মাতিয়াস মান্না। কোনো অজুহাত বা গুঞ্জন না দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—ফাইনালে আর্জেন্টিনা নয়, বরং শিরোপা পাওয়ার যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছিল স্পেন। তার এই মন্তব্য মূলত কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালার আগের অবস্থানেরই প্রতিধ্বনি।

‘টাইসি স্পোর্টস’-এর বরাত দিয়ে ‘উইয়েল্তা ই মেদিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মান্না জানান, তিনি ফাইনাল ম্যাচটি বেশ কয়েকবার নতুন করে বিশ্লেষণ করেছেন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার পর তার মনে হয়েছে, স্প্যানিশ দলটি মাঠের পারফরম্যান্সে অনেক এগিয়ে ছিল।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মান্না বলেন, ‘আমি ফাইনাল খেলাটি আরো দুই-তিনবার দেখেছি। ২০২২ সালেও আমার এমন হয়েছিল। সেবারও অতিরিক্ত সময়ের খেলা পুনরায় দেখিনি, এবারও দেখিনি। কারণ অতিরিক্ত সময়ে ছক বা কৌশলের চেয়ে মানসিক আবেগটাই বেশি কাজ করে। আমি তো মূলত টেকনিক্যাল বিষয়গুলোই খোঁজার চেষ্টা করি। সব কিছু বিশ্লেষণ করে বলতে পারি, স্পেন সত্যিই আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো খেলেছে।’

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেই ফাইনালে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। সেখানে ১০৬ মিনিটে বদলি নামা ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত ভলিতে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে দে লা ফুয়েন্তের স্পেন। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে এনজো ফার্নান্দেজ মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে মাত্র চার বছরের ব্যবধানে নেশনস লিগ, ইউরো এবং বিশ্বকাপের মতো ফুটবলের তিন শ্রেষ্ঠ মুকুট জয়ের এক বিরল রেকর্ড গড়ে স্পেন।

স্পেনকে যোগ্য বিজয়ী মেনে নিলেও স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা যে নিজস্ব ফুটবল ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে, তা নিয়েও গর্ববোধ করেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টাইন ফুটবলের একটা আলাদা পরিচয় আর খেলার ধরন আছে—পাসের পর পাস সাজিয়ে আক্রমণে ওঠা। আমি আশা করি, আগামী ১৫ বছর পরও আমাদের দল এই স্টাইলেই খেলবে। এমনকি আমাদের বয়সভিত্তিক দলগুলোর তরুণরাও এখন এই একই ধারায় ফুটবল খেলছে।’

বিশ্বকাপ অভিযানের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মান্না কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি যোগ করেন, ‘কৃতজ্ঞতা জানানোর সেরা উপায় হলো নিজের সেরাটা দিয়ে কাজ করা। স্কালোনির নেতৃত্বে পুরো টিম তা-ই করেছে। আমাদের ফুটবলাররা সত্যিই এক দারুণ পরিবারে পরিণত হয়েছিল।’

অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাইনাল নিয়ে ছড়ানো নানা বিতর্ক নিয়ে মান্না সমর্থকদের বাস্তববাদী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘হারের পর সব সময়ই এমন কিছু সন্দেহ বা কানাঘুষা তৈরি হয়। বিশেষ করে আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সব কিছু ক্যামেরাবন্দি থাকায় মানুষ কথা থেকে কথা বানায়। তবে সত্য এটাই—মাঠে যা ঘটেছে, তা বাস্তব। আমাদের উচিত যে দল ভালো খেলে জিতেছে, তাদের অভিনন্দন জানিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া।’ 
 

রোহিতকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টির নতুন রাজা গাপটিল | কালের কণ্ঠ