সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে খেলার সময় হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন নেদারল্যান্ডের তারকা মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ভুল মূল্যায়নের কারণে ব্যথা নিয়েই পুরো টুর্নামেন্ট খেলে গেছেন তিনি। বিশ্বকাপ থেকে নেদারল্যান্ডস বিদায় নেওয়ার পর ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায় ফিরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর হাঁটুর চোটটি গুরুতর হিসেবে ধরা পড়ে।
ইনজুরির তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর বার্সেলোনা ও দেশের প্রতি তাঁর নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন নেটিজেনরা। স্যোশাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিভ্রান্তমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়ে এই ডাচ তারকাকে নিয়ে।
এই বিভ্রান্তমূলক তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতি দিয়ে ইয়ং বলেন, ‘দেশ ও ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
ছুটির মধ্যেই আরো ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমি বার্সেলোনায় ফিরে আসি। পরীক্ষার ফলাফলগুলোতে দেখা গেছে, আঘাতটি প্রাথমিকভাবে যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়েও অনেক বেশি গুরুতর। এই মুহূর্তে কোনো সার্জারি প্রয়োজন নেই। পুরোপুরিভাবে সুস্থ হয়ে ওঠা ও যত দ্রুত সম্ভব মাঠে ফেরার দিকে মনোনিবেশ করছি বলে যোগ করেন তিনি।
ইয়ং আরো বলেন, ‘প্রতিটি দিন আমি নিজেকে সম্ভাব্য সেরা অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমি আমার পেশা, আমার শরীর এবং দলের প্রতি আমার দায়িত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিই। কিন্তু মাঝেমধ্যে এমন কিছু বিষয় থাকে যা আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না, আর এই চোটটি তেমনই একটি বিষয়।’
স্বস্তির বিষয় হলো, চিকিৎসকরা এই মুহূর্তে কোনো অস্ত্রোপচার না করিয়ে কনজারভেটিভ ট্রিটমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিন সপ্তাহ পর তাঁর অবস্থা পুনরায় পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এদিকে বার্সেলোনা নিশ্চিত করেছে, মেডিকেল পরীক্ষায় ডি ইয়ংয়ের ডান হাঁটুর মেডিয়াল কোল্যাটেরাল লিগামেন্ট (এমসিএল) ছিঁড়ে গেছে। মৌসুম শুরুতেই তার এই চোট কাতালান ক্লাবটির পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। যদিও কতদিনের জন্য তিনি ছিটকে গেছেন সেটি জানায়নি বার্সেলোনা। তবে স্প্যানিশ গণমাধ্যমের খবর, ৫ থেকে ৬ মাস মাঠে খেলতে পারবেন না তিনি।
ডাচ এই মিডফিল্ডার এখন বার্সার মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে থাকবেন। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তীতে মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করবেন।




