• ই-পেপার

‘তোমাকে বাংলাদেশের দরকার’, হাদীকে নিয়ে ঢাবি শিক্ষিকা মোনামির পোস্ট

এমপি নজরুলকে আরো ২ বিয়ের পরামর্শ রফিক উল্লাহ আফসারীর

অনলাইন ডেস্ক
এমপি নজরুলকে আরো ২ বিয়ের পরামর্শ রফিক উল্লাহ আফসারীর
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে আরো দুই বিয়ে করার পরামর্শ দিয়েছেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী। তিনি বলেন, ‘উচিত হচ্ছে আমার গাজী নজরুল ইসলাম ভাই আরো দুইটা বিয়ে করা। হালাল জিনিস, এটাতে কোনো শরম নেই। যারা এ ধরনের ভিডিও ভাইরাল করছেন, তাদের একদিন আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামের বিভিন্ন সাহাবিদের বৈবাহিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে রফিক উল্লাহ আফসারী বলেন, দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ইসলামের স্বাভাবিক শিক্ষা। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল করে কাউকে হেয় করা ঠিক নয়। বিবাহ একটি পবিত্র সম্পর্ক এবং এটি আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য একটি উপহার।

গাজী নজরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম ভাই, সাতক্ষীরা শহরের সম্মানিত এমপি, একামতে দ্বিনের অতন্দ্র প্রহরী, কোটি কোটি মুসলমানের কলিজা। তাদের স্বামী-স্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল করে কী শান্তিটা পেলেন?

মিডিয়ার সমালোচনা করে রফিক উল্লাহ আফসারী বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন এটি বড় কোনো অপরাধ। তিনি দাবি করেন, বিবাহিত জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত জনসমক্ষে ছড়িয়ে দেওয়া সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এতে ভালো মানুষও বিব্রত হন।

রফিক উল্লাহ আফসারী আরো বলেন, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভিডিও যেভাবে ভাইরাল হয়, হোক। কিন্তু যারা এগুলো করছে, রবের সামনে একদিন তাদের জবাব দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তা সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উসকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় একটি মহল : হামিম

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষার্থীদের উসকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় একটি মহল : হামিম
সংগৃহীত ছবি

সুযোগ পেলেই যারা গত দেড় বছর রাস্তা অবরোধ করেছে আজকেও তারা শিক্ষার্থীদের উসকে দিয়ে রাজনৈতিক ফয়দা লুটতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকসুর সাবেক জিএস পদপ্রার্থী ও ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামিম। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের সঙ্গে অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ আমিও করব। একইভাবে তোমাদের যেন কেউ অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত করতে না পারে তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এটি খেয়াল রাখবে। এইচএসসি বাকি পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করার অনুরোধ রইল।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত লোকজন উসকাচ্ছে মন্তব্য করে শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, তোমাদের একদল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত লোক বিভিন্নভাবে উসকাচ্ছে মিছিল-মিটিংয়ের জন্য। কারো পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। গতকালকে পরীক্ষাটি দুর্যোগের মধ্যে নেওয়া উচিত হয়নি। পাশাপাশি তোমরাও পরীক্ষা সম্পন্ন করেছ।
 

গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক
গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন মাসুদ কামাল

সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, রুমিন ফারহানার ‘আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না’ মন্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এর পেছনের কারণ নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। এটা কিন্তু খুব জরুরি একটা প্রসঙ্গ।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে নিজের ফেসবুক পেজ ‘কথা’-তে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাসুদ কামাল বলেন, ২০২৪ সালের হয়ে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানের সুফল ভোগ করছেন না, হয়তো করছেন। কারণ ২০২৪-এ গণ-অভ্যুত্থান না হলে, হাসিনা সরকারের পতন না হলে এখনো কিন্তু দেশে শেখ হাসিনার সরকার থাকতো। তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতোই। তখন তো রুমিন ফারহানা এত দ্রুত ইলেক্টেড হয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হতে পারতেন না।

সে হিসেবে উনি একভাবে কিন্তু তার সুবিধাভোগী বটে। সেই সুবিধাভোগী ব্যক্তিটাই এখন কেন বলছেন যে আগামী ১০০ বছরেও এদেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না। রাগ থেকে বলছেন, অভিমান থেকে বলছেন, ক্ষোভ থেকে বলছেন নাকি একদম হিসেব-নিকেশ করেই বলছেন? 

তিনি বলেন, আচ্ছা এই গণ-অভ্যুত্থান যেটা হয়েছে ২০২৪ সালে একটা আন্দোলন হয়েছে পুরো জুলাই মাস ধরে এবং আগস্টের ৫ তারিখে শেখ হাসিনা সরকার তাসের ঘরের মতো হুরহুর করে ভেঙে পড়েছে। এদের যে কেন্দ্রীয় নেতা মূল যারা নেতা ছিলেন তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশরও বেশি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এই বাস্তবতা আমরা দেখেছি কাদের নেতৃত্বে এটা হলো কারা করল এ অনেকে অনেক কথা বলবেন। 

অনেকে বলবেন আমরাই মূল। অনেকে বলবেন না আমরা না ওরা মূল। জামায়াত বলবে আমরাই আসল। অনেকে অনেক কথা বলবেন। কিন্তু আমরা জানি আমরা যারা দেশে ছিলাম এবং পুরো আন্দোলনের সময় ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকেই ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রকাশ্যে সমালোচনা করতাম। আমরা খুব ভালো করেই জানি। এই আন্দোলনটা ছিল আসলে জনগণের আন্দোলন। মানে গণ-অভ্যুত্থান। মানে জনগণের অভ্যুত্থান। জনগণ ক্ষেপে গিয়েছিল। জনগণ বিরক্ত ছিল ওই সরকারের প্রতি। জনগণ ওই সরকারের পতন চেয়েছিল। জনগণ রাস্তায় নেমেছিল। এই জন্যই ওই সরকারের পতন ঘটেছিল।

এর মাঝখানে আর যাদেরকে দেখেন যারা দাবি করে আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি অমুক করেছি তমুক করেছি। তারা অনেক কিছুই করেছেন কিন্তু তার মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটেনি এবং ঘটতোও না যদি জনগণ নামতো। তাদের কারোর ওপর দেশে জনগণের কোনো আস্থা ছিল না। ছিল না এই কারণে তারা তো মোটেই পরীক্ষিত কোনো নেতৃত্ব ছিল না। তারা কতগুলো ছাত্র ছিল এবং এই ছাত্ররা মাঠে ছিল। মাঠে আরো অনেকেই ছিল। কিন্তু যারা ছিল তাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটা। সেটা হলো হাসিনা সরকারের পতন। 

মাসুদ কামাল বলেন, হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে যে যার মতো ঘরে ফিরে চলে গেছে সুবিধাবাদীরা সুবিধাভোগীরা যারা সুবিধা পেতে চেয়েছেন তারা নেতৃত্ব নিয়ে কামড়াকামড়ি করেছেন এবং হাসিনা সরকারের পতনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে যে একটা প্রত্যাশা ছিল সেই প্রত্যাশাটাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন। কারা হত্যা করেছেন? কে দায়ী ছিল এর জন্য? প্রধানত দায়ী কে ছিল? সে আলোচনায় আমি যাব। কিন্তু তার আগে আমি রুমিন ফারহার কয়েকটা কথা বলে নেই। উনি কি কি বলেছেন দেখুন উনার কথাগুলো শুনলে আপনারা কিন্তু বুঝতে পারবেন। উনি মোটামুটি সবগুলো পয়েন্টে টাচ করে গেছেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।

তিনি বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল ২৪ সালে শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি। এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদে নতুন উত্থান। অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প। তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার লক্ষবার কোটিবার চিন্তা করবে এরকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে। মানুষের হতাশার কথা বলেছেন। প্লাস সে হতাশা কেন মানুষের মধ্যে ভর করেছে সেই কথা বলেছেন।

রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ
সংগৃহীত ছবি

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নিচু সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেট এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচের অংশে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে এবং কোথাও কোথাও তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার পর ট্রাফিক পুলিশের গুলশান বিভাগ তাদের ফেসবুক পেজে এ পরিস্থিতির কথা জানায়। বার্তায় বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় ভারী বর্ষণের প্রভাবে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যা সড়ক যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কাকলী মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামা যানবাহন এবং নিচের সড়ক ব্যবহারকারী চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক সদস্যরা কাজ করছেন।

এ পরিস্থিতিতে মোটরযান চালক ও পথচারীদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি জলাবদ্ধ এলাকায় ধীরগতিতে গাড়ি চালানো, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, সম্ভব হলে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করা এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।