• ই-পেপার

শিক্ষার্থীদের উসকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় একটি মহল : হামিম

গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন মাসুদ কামাল

অনলাইন ডেস্ক
গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে রুমিন ফারহানার মন্তব্যকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বললেন মাসুদ কামাল

সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, রুমিন ফারহানার ‘আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না’ মন্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এর পেছনের কারণ নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। এটা কিন্তু খুব জরুরি একটা প্রসঙ্গ।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে নিজের ফেসবুক পেজ ‘কথা’-তে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাসুদ কামাল বলেন, ২০২৪ সালের হয়ে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানের সুফল ভোগ করছেন না, হয়তো করছেন। কারণ ২০২৪-এ গণ-অভ্যুত্থান না হলে, হাসিনা সরকারের পতন না হলে এখনো কিন্তু দেশে শেখ হাসিনার সরকার থাকতো। তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতোই। তখন তো রুমিন ফারহানা এত দ্রুত ইলেক্টেড হয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য হতে পারতেন না।

সে হিসেবে উনি একভাবে কিন্তু তার সুবিধাভোগী বটে। সেই সুবিধাভোগী ব্যক্তিটাই এখন কেন বলছেন যে আগামী ১০০ বছরেও এদেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না। রাগ থেকে বলছেন, অভিমান থেকে বলছেন, ক্ষোভ থেকে বলছেন নাকি একদম হিসেব-নিকেশ করেই বলছেন? 

তিনি বলেন, আচ্ছা এই গণ-অভ্যুত্থান যেটা হয়েছে ২০২৪ সালে একটা আন্দোলন হয়েছে পুরো জুলাই মাস ধরে এবং আগস্টের ৫ তারিখে শেখ হাসিনা সরকার তাসের ঘরের মতো হুরহুর করে ভেঙে পড়েছে। এদের যে কেন্দ্রীয় নেতা মূল যারা নেতা ছিলেন তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশরও বেশি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এই বাস্তবতা আমরা দেখেছি কাদের নেতৃত্বে এটা হলো কারা করল এ অনেকে অনেক কথা বলবেন। 

অনেকে বলবেন আমরাই মূল। অনেকে বলবেন না আমরা না ওরা মূল। জামায়াত বলবে আমরাই আসল। অনেকে অনেক কথা বলবেন। কিন্তু আমরা জানি আমরা যারা দেশে ছিলাম এবং পুরো আন্দোলনের সময় ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকেই ছিলাম। জুলাই মাসের আগে থেকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রকাশ্যে সমালোচনা করতাম। আমরা খুব ভালো করেই জানি। এই আন্দোলনটা ছিল আসলে জনগণের আন্দোলন। মানে গণ-অভ্যুত্থান। মানে জনগণের অভ্যুত্থান। জনগণ ক্ষেপে গিয়েছিল। জনগণ বিরক্ত ছিল ওই সরকারের প্রতি। জনগণ ওই সরকারের পতন চেয়েছিল। জনগণ রাস্তায় নেমেছিল। এই জন্যই ওই সরকারের পতন ঘটেছিল।

এর মাঝখানে আর যাদেরকে দেখেন যারা দাবি করে আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি অমুক করেছি তমুক করেছি। তারা অনেক কিছুই করেছেন কিন্তু তার মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটেনি এবং ঘটতোও না যদি জনগণ নামতো। তাদের কারোর ওপর দেশে জনগণের কোনো আস্থা ছিল না। ছিল না এই কারণে তারা তো মোটেই পরীক্ষিত কোনো নেতৃত্ব ছিল না। তারা কতগুলো ছাত্র ছিল এবং এই ছাত্ররা মাঠে ছিল। মাঠে আরো অনেকেই ছিল। কিন্তু যারা ছিল তাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটা। সেটা হলো হাসিনা সরকারের পতন। 

মাসুদ কামাল বলেন, হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে যে যার মতো ঘরে ফিরে চলে গেছে সুবিধাবাদীরা সুবিধাভোগীরা যারা সুবিধা পেতে চেয়েছেন তারা নেতৃত্ব নিয়ে কামড়াকামড়ি করেছেন এবং হাসিনা সরকারের পতনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে যে একটা প্রত্যাশা ছিল সেই প্রত্যাশাটাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন। কারা হত্যা করেছেন? কে দায়ী ছিল এর জন্য? প্রধানত দায়ী কে ছিল? সে আলোচনায় আমি যাব। কিন্তু তার আগে আমি রুমিন ফারহার কয়েকটা কথা বলে নেই। উনি কি কি বলেছেন দেখুন উনার কথাগুলো শুনলে আপনারা কিন্তু বুঝতে পারবেন। উনি মোটামুটি সবগুলো পয়েন্টে টাচ করে গেছেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।

তিনি বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে যে স্বপ্ন ছিল ২৪ সালে শেষবারের মতো মানুষ তার জীবন বাজি রেখেছিল। তারপর যখন দেখল এটা কতিপয় মানুষের নিজস্ব সম্পত্তি। এটা বাংলাদেশে উগ্রবাদে নতুন উত্থান। অদ্ভুতভাবে কিছু নেই থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার একটা প্রকল্প। তখন স্বাভাবিকভাবেই গণমানুষ হাজারবার লক্ষবার কোটিবার চিন্তা করবে এরকম গণ-অভ্যুত্থানে যাওয়ার আগে। মানুষের হতাশার কথা বলেছেন। প্লাস সে হতাশা কেন মানুষের মধ্যে ভর করেছে সেই কথা বলেছেন।

রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ
সংগৃহীত ছবি

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নিচু সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেট এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচের অংশে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে এবং কোথাও কোথাও তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার পর ট্রাফিক পুলিশের গুলশান বিভাগ তাদের ফেসবুক পেজে এ পরিস্থিতির কথা জানায়। বার্তায় বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় ভারী বর্ষণের প্রভাবে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যা সড়ক যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কাকলী মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামা যানবাহন এবং নিচের সড়ক ব্যবহারকারী চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক সদস্যরা কাজ করছেন।

এ পরিস্থিতিতে মোটরযান চালক ও পথচারীদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি জলাবদ্ধ এলাকায় ধীরগতিতে গাড়ি চালানো, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, সম্ভব হলে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করা এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জামায়াত থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই : রাশেদ খান
রাশেদ খান।

বাংলাদেশে রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। এটি দিন দিন আরো স্পষ্ট হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খানের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এবং ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ) দ্বারা অতীতে তার আক্রান্ত হওয়ার ছবি পোস্ট করে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ দ্বারা অতীতে আমার আক্রান্ত হওয়ার ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করছে জামায়াত-শিবিরের লোকজন। এরা কতবড় জঘন্য, নিজেরা সারাজীবন গুপ্ত থেকেছে আর আমরা রাস্তায় মাইর খেয়েছি সেটিকে এখন ওরা নেতিবাচকভাবে প্রচার করছে যে, আমি নাকি অপকর্ম করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছি!’

এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন ফোনকল পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘ওদের (জামায়াত-শিবির) গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে অনেকে আমাকে কল ও মেসেজ করে খোঁজখবর নেওয়ার প্রেক্ষিতে ফেসবুকে পোস্ট করে বিষয়টি সম্পর্কে খোলাসা করলাম।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত থাকতে যে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই, সেটির ডে বাই ডে আরো স্পষ্ট হচ্ছে।’

মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে : রাশেদ খান
গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান।

বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এ দাবি করেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে টার্গেট করে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার কৌশল নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন টক শোতে বিরোধীপক্ষের মুখ থেকে এটাই শুনেছি যে মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু! আমি বিষয়টি নিয়ে কনফিউশনে ছিলাম! গতকাল দেখলাম  মীর শাহে আলম বিষয়টি পরিষ্কার করলেন যে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে বেশ ছোট, কখনো একই সঙ্গে স্কুল-কলেজে পড়েননি, রাজনৈতিক সূত্র ধরেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু দেখেন, কিভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় টক শোতে মীর শাহে আলমকে আক্রমণের নামে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করে বিরোধী শিবির।’

রাশেদ খান বলেন, ‘হ্যাঁ, মীর শাহে আলম সরকারের প্রতিমন্ত্রী। দায়িত্বে থাকার কারণে তার সমালোচনা হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মিথ্যাচার ও সমালোচনা কি এক জিনিস? যেখানে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ ৭ নম্বরে এবং বগুড়া ১৬ নম্বরে। কিন্তু প্রচার করা হলো সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়ে গেছেন  মীর শাহে আলম!’

তিনি বলেন, ‘তার (শাহে আলম) কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সেই সমালোচনা আমরা করব। কিন্তু সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে নিশ্চিত কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে। এই ষড়যন্ত্র মূলত মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে সরকারকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণের জন্য অপচেষ্টা করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজকেও তিনি (শাহে আলম) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিরোধীদলীয় নেতা, জামায়াতের আমিরের ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের জন্য আমিরের সঙ্গেও সমন্বয়সভা করেছেন। ইতিপূর্বে উন্নয়ন করার জন্য আমিরের সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এগুলোর জন্য বিরোধী দল তাকে বাহবা তো দূরে থাক, সারাক্ষণ ভিলেন বানাতে ব্যস্ত!’

রাশেদ খান বলেন, “তাদের (বিরোধী শিবির) চিন্তা হলো, মীর শাহে আলমকে বিতর্কিত করতে পারলে বুঝি প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার মিশন সফল হবে। মীর শাহে আলমের পেছনে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররাও সোচ্চার। এর কারণ হলো, তিনি মাসখানেক আগে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না!’ এসব কারণে বর্তমান বিরোধী দল ও পতিত স্বৈরাচারের দল সব একযোগে উঠেপড়ে লেগেছে!”