বন্যায় ৫৪ জনের বেশির ভাগই পাহাড়ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ত্রাণকার্য পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণভাণ্ডার থেকে প্রত্যেক জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজের জন্য আমরা সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড নিয়োজিত করেছি। তাদের উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট পাঠিয়েছি।’
মন্ত্রী আরো বলেন, আজকের গুরুত্বপূর্ণ সভায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যেসব রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, অল্প সময়ের মধ্যে তারা সেটা মেরামত করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব সড়ক, তারা সেটা মেরামত করবে। আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে, সেগুলোকে আমরা কাবিখা-কাবিটা দিয়ে মেরামত করব।’
খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘বন্যার ঘটনায় সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। ওনার নির্দেশনায় আমি আগামীকাল থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করব। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।’
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।







