• ই-পেপার

জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬৩

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

বাসস
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নির্মাণ ও সংস্কার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এরপরই  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুবিধাজনক সময় ও অনুমতি সাপেক্ষে অতি দ্রুত এই স্মৃতি জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

সংস্কৃতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দুঃশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান পেয়েছি।’

তিনি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের গভীরতা, ব্যাপকতা ও এর মূল তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পকে আরো নিখুঁত ও স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন ও আইনি পরিমার্জন আনা হয়েছে।

জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্ব ও ব্যয় সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জাদুঘর পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদ ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালককে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর পরিচালনায় স্থায়ী জনবল কাঠামো ও সুনির্দিষ্ট অর্গানোগ্রাম প্রয়োজন। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আইনি অনুমতি ও বিধিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিশেষ কর্মসূচি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও স্পিরিট মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে রাখতে ও দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল ১৫ জুলাই থেকে আমাদের অধীনস্থ সব প্রতিষ্ঠান দেশজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে।’

ডা. জাহেদ উর রহমান আরো বলেন, ‘১৫ জুলাই আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কারণ ১৪ জুলাই রাত ১২টার পর ছাত্ররা রাজপথে নেমে আসে এবং ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ১৬ জুলাইয়ের মহান আত্মত্যাগের মিছিলকে তরান্বিত করে।’

তিনি এই ল্যান্ডমার্ক দিনগুলোর চেতনা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অনুষ্ঠানমালার প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন বিকেল ৩টায় শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে।

পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াতের মাধ্যমে এ অধিবেশন শুরু হয়।

বন্যায় ৫৪ মৃত্যুর বেশির ভাগেরই কারণ পাহাড়ধস : ত্রাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বন্যায় ৫৪ মৃত্যুর বেশির ভাগেরই কারণ পাহাড়ধস : ত্রাণমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বন্যায় ৫৪ জনের বেশির ভাগই পাহাড়ধসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। 

মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ত্রাণকার্য পরিচালনার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণভাণ্ডার থেকে প্রত্যেক জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজের জন্য আমরা সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড নিয়োজিত করেছি। তাদের উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট পাঠিয়েছি।’

মন্ত্রী আরো বলেন, আজকের গুরুত্বপূর্ণ সভায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যেসব রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, অল্প সময়ের মধ্যে তারা সেটা মেরামত করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব সড়ক, তারা সেটা মেরামত করবে। আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে, সেগুলোকে আমরা কাবিখা-কাবিটা দিয়ে মেরামত করব।’

খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘বন্যার ঘটনায় সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। ওনার নির্দেশনায় আমি আগামীকাল থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করব। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।’

এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

অর্ধেক হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা

অনলাইন ডেস্ক
অর্ধেক হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা

সরকারি চাকরিজীবীদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুমোদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাগণ যারা সুদমুক্ত ঋণ গ্রহণের পর গাড়িসেবা নগদায়নের আওতায় মোটর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় হিসেবে যে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন তা কিছুটা হ্রাস করার সুযোগ রয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, 'মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মাসিক ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে ২৫ হাজার টাকা হারে নির্ধারণের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় নির্দেশনা রয়েছে।'

বর্তমানে উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিতে পারেন। পাশাপাশি, ওই গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ তারা প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাতা পান।

প্রশাসনের প্রায় ২ হাজার ৪০০ কর্মকর্তা বর্তমানে এ সুবিধা ভোগ করছেন।