• ই-পেপার

ইকামা নিয়ে সুখবর দিল সৌদি আরব

ভারতে প্রথম ৪-৬০ বছর বয়সীদের জন্য ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে প্রথম ৪-৬০ বছর বয়সীদের জন্য ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন
ছবি : রয়টার্স

ভারতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু প্রতিরোধী টিকা কিউডেঙ্গা (টিএকে-০০৩) ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। জাপানের টাকেডা ফার্মাসিউটিক্যালস তৈরি করা এই টিকা ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য অনুমোদিত হয়েছে।

কী এই কিউডেঙ্গা এবং টিকার ডোজ কয়টি?

কম্পানির তথ্য অনুযায়ী, কিউডেঙ্গা ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন থেকেই সুরক্ষা দিতে পারে। টিকাটি তিন মাসের ব্যবধানে দুটি ডোজে নিতে হয়। টিকাটি দুই ডোজে দেওয়া হবে। প্রতিটি ডোজের পরিমাণ ০.৫ মিলিলিটার। এটি নেওয়ার আগে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন নেই এবং আগে ডেঙ্গু হয়েছে কি না, সেটিও বিবেচ্য নয়। 

এই অনুমোদন ১৯টি ফেজ-১, ফেজ-২ ও ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফলের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। এসব গবেষণায় ডেঙ্গুপ্রবণ ও অ-ডেঙ্গুপ্রবণ অঞ্চলের ২৮ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন।

টাকেডার প্রধান ফেজ-৩ ‘টিডস’ (ডিইএন-৩০১) গবেষণায় ডেঙ্গুপ্রবণ আটটি দেশের ২০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। গবেষণায় দেখা যায়, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১২ মাস পর টিকাটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৮০.২ শতাংশ কার্যকর ছিল। এ ছাড়া ১৮ মাস পর ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে এর কার্যকারিতা ছিল ৯০.৪ শতাংশ। সাড়ে চার বছর পরও হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে কার্যকারিতা ছিল ৮৪.১ শতাংশ।

সাত বছর পর্যন্ত অনুসরণে দেখা গেছে, টিকাটি ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ভারতে ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের ওপর পরিচালিত আরেকটি ফেজ-৩ গবেষণায়ও কিউডেঙ্গাকে নিরাপদ, ভালোভাবে সহনীয় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে কার্যকর বলে পাওয়া গেছে।

টাকেডার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভারত অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার পিটার স্ট্রেইবল বলেন, ডেঙ্গু শুধু একটি দেশের সমস্যা নয়, এটি পুরো অঞ্চলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই এ রোগ মোকাবিলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির মেডিকেল অ্যাফেয়ার্স প্রধান ডা. গোহ চু বেং বলেন, ভারতের অনেক এলাকায় ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরনই ছড়িয়ে পড়ে। কিউডেঙ্গা এসব ধরন থেকেই সুরক্ষা দিতে পারে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় কিউডেঙ্গা ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। টিকাটি ডব্লিউএইচওর প্রাক-যোগ্যতা স্বীকৃতিও পেয়েছে।

বর্তমানে কিউডেঙ্গা এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের ৪৩টি দেশে অনুমোদিত। এ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি ডোজ বিতরণ করা হয়েছে। ব্রাজিলের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে টিকাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সরকারি কর্মসূচিতেও এটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভারতে ডেঙ্গু এখনও বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। গত দুই দশকে দেশটিতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। বিশ্বে ডেঙ্গুর মোট সংক্রমণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভারতে ঘটে। তবে গবেষকদের মতে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে আরও বেশি হতে পারে।

 

 


 

সিকিমে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে বিস্ফোরণে নিহত ৭

অনলাইন ডেস্ক
সিকিমে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে বিস্ফোরণে নিহত ৭
সংগৃহীত ছবি

ভারতের সিকিমের নামচি জেলায় নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গে মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ ও ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর সুড়ঙ্গের ভেতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে সাতজনকে উদ্ধার করা হলেও বাকি ১৮ জন এখনো ভেতরে আটকা রয়েছেন। তাদের জীবিত উদ্ধার করতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

জেলা প্রশাসন সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে জাতীয় জলবিদ্যুৎ শক্তি করপোরেশনের (এনএইচপিসি) কর্মীরাও রয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নামচি জেলার এনএইচপিসির তিস্তা ষষ্ঠ ধাপ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে। ঘটনার পর থেকেই জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনী (এসডিআরএফ), জেলা প্রশাসন, পুলিশ, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি সেবা বিভাগসহ একাধিক সংস্থা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, মাটির নিচের শিলাস্তর থেকে বের হওয়া মিথেন গ্যাস সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জমে ছিল। পরে সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পরই ভূমিধস হয় এবং সুড়ঙ্গের একটি অংশ ধসে পড়ে। এতে প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায় এবং ভেতরে থাকা শ্রমিকদের বের হওয়ার পথও বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার সময় কয়েকজন শ্রমিক দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও অনেকেই সুড়ঙ্গের গভীরে আটকা পড়ে যান। সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। তবে শুরু থেকেই উদ্ধারকাজে বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে হয়। সুড়ঙ্গের ভেতরে বিপজ্জনক মাত্রায় মিথেন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে সেখানে অক্সিজেনের মাত্রা অনেক কমে যায়। ধসের কারণে ভেতরে দৃশ্যমানতাও খুব কম ছিল এবং সুড়ঙ্গের পথ ছিল অত্যন্ত সরু। এসব কারণে উদ্ধারকর্মীদের পক্ষে ভেতরে প্রবেশ করা এবং আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রথমে অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি সেবা বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। কিন্তু বিষাক্ত গ্যাস এবং অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে তাদের শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। এ সময় কয়েকজন উদ্ধারকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযান সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হয়। পরে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও একই কারণে তারাও খুব বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপর উদ্ধার অভিযান আরো জোরদার করতে পাশের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্যাস প্রতিরোধী বিশেষ সরঞ্জামসহ একটি বিশেষজ্ঞ দল আনা হয়। পাশাপাশি পাকিয়ং ও শিলিগুড়িভিত্তিক এনডিআরএফের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত সদস্যদেরও ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আরো কয়েকটি জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন।

সিকিম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা সারা রাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে গেছে। উদ্ধারকারীরা জানান, সুড়ঙ্গের ভেতরের পরিবেশ এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও আটকে পড়া ১৮ শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করা হবে না : ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করা হবে না : ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

আমেরিকা সফরে এলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুকে শহরে প্রবেশের পর আটক করা যায় কি না, সে বিষয়ে আইনি পথ খুঁজে দেখার কথা জানান। মেয়রের এমন মন্তব্যের পরেই ট্রাম্প ও ইসরায়েল প্রশাসনের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (হেগে) পাঠানো উচিত। নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে আসলে স্থানীয় আইন অনুযায়ী কী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, তা জানতে পৌরসভার কর্মকর্তাদের সাথে আইনি আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মেয়রের এই উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছে। একই সাথে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ভুয়া আখ্যা দিয়ে আদালতটিকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বলে অভিহিত করেছে। ইসরায়েলের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কারো ওপরই এই আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মামদানির বক্তব্যের বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন নেতানিয়াহু কোনোভাবেই গ্রেপ্তার হবেন না।’ তিনি যোগ করেন যে, নেতানিয়াহু মূলত ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছেন, যারা হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য বা চুক্তিভুক্ত দেশ না হওয়ায়, এই ধরনের পরোয়ানা মেনে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতাও ওয়াশিংটনের ওপর নেই।

ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী
ছবি : রয়টার্স

ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তেহরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ঠেকাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ইরানও আমেরিকান ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পাশাপাশি কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেনাপ্রধান ও সামরিক কমান্ডারদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যতবার ইরান কোনো মার্কিন সৈন্যকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের বহু গুণে মাশুল দিতে হবে। আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো সামরিক পরিকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করেই এই নতুন বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

হামলার জবাবে ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে একটি মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। তবে এর মধ্যেই ইরানের বন্দর আব্বাস, সিরিক ও উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজসহ একাধিক স্থানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় কুয়েত ও জর্ডান তাদের আকাশসীমায় শত্রু লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে এবং বাহরাইনে বিপদের সতর্কসংকেত বা সাইরেন বাজানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষা’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং তারা নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও প্রতিরোধব্যবস্থা বজায় রাখবে।

উভয়পক্ষের মুখোমুখি অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একদিকে আমেরিকা যেমন কঠোর প্রতিশোধের নীতি বজায় রাখছে, অন্যদিকে ইরানও পিছু না হটার ঘোষণা দেওয়ায় পুরো অঞ্চলজুড়ে চরম অস্থিরতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।