• ই-পেপার

ভারতে প্রথমবার ৪-৬০ বছর বয়সীদের জন্য ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন

ভারতে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গ ধসে ১০ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গ ধসে ১০ জনের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গ ধসে এখন পর্যন্ত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনো অন্তত ১৮ জন সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি বলছে, হিমালয়সংলগ্ন সিকিম রাজ্যে তিস্তা নদীর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল সোমবার সামারদুং নামের ওই টানেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের কারণে সুড়ঙ্গটি ধসে পড়ে। 

এ অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কংগ্রেস নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার কংগ্রেস প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এ কর্মসূচির দৃশ্য দেখা যায়।

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আন্দোলন করছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার নয়াদিল্লিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ও লাঠিচার্জ করে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এতে অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘গতকাল শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তার জবাবদিহি চাইতে আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবন পর্যন্ত মিছিল করেছি।’

 

সোমবার যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনেক বিক্ষোভকারী ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগিয়ে যান। তাদের থামাতে সংসদ ভবনের কাছাকাছি এলাকায় বাস দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা জানান, বহু স্তরের ব্যারিকেড, প্রায় ৩ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার পরও বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী সংসদের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে।

 

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সিজেপির প্রথম বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা দলটির প্রতিনিধিদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, তাদের দাবিগুলো সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করবে। সোমবার সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

তবে সিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মসূচিতে দিল্লি পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। দলটির দাবি, বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে. আংমোর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।

যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ মঞ্চ সরিয়ে দেওয়ার পরও সিজেপি কেরালা হাউসের কাছে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

ইরান যুদ্ধে সেনা হতাহতের তথ্য গোপন করছে যুক্তরাষ্ট্র?

অনলাইন ডেস্ক
ইরান যুদ্ধে সেনা হতাহতের তথ্য গোপন করছে যুক্তরাষ্ট্র?
ছবি : রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত কতজন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের বিরুদ্ধে। তবে এর জবাবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে হতাহত সৈন্যদের সংখ্যা প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। 

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসের আইন প্রণেতাদের সামনে হাজির হওয়ার আগেই হতাহতের সৈন্যদের খবর জানাল পেন্টাগন।

প্রতিবেদনে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানান, গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ সেনা নিহত, প্রায় ১০০ সেনা আহত হয়েছেন। আহত সেনাদের মধ্যে অধিকাংশই মাথায় সামান্য আঘাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। তাদের ৯৬ শতাংশ ইতিমধ্যে আবারও দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

গত সপ্তাহে জর্ডান ও ইরাকে দায়িত্ব পালনকালে ওই তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে পেন্টাগন।

ইরানি হামলায় সেনা হতাহতের তথ্য গোপন করার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘পেন্টাগন কোনো তথ্য আড়াল করেনি।’

এদিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং একটি রাডার স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ওই জাহাজ থেকে নাবিকেরা সেটি ত্যাগ করে লাইফবোটে আশ্রয় নেন।

এদিকে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডান জানিয়েছে, তারা হামলা প্রতিহত করতে নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার একাধিক প্রতিবেদন তারা পেয়েছে। জাহাজটির ক্রুরা নিরাপদে লাইফবোটে আশ্রয় নিয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

২ সপ্তাহে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ১০০

অনলাইন ডেস্ক
২ সপ্তাহে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ১০০
ছবি : রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পর গত দুই সপ্তাহে তিন মার্কিন সেনা মারা গেছেন, আহত হয়েছেন অন্তত ১০০ জন। পেন্টাগন আজ এ তথ্য জনিয়েছে। নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ আজ প্রথম কংগ্রেসের আইন প্রণেতাদের সামনে হাজির হবেন। তার আগে পেন্টাগন সৈন্যদের হতাহতের খবর জানাল।

তবে প্রাণঘাতী নয়, এমন হামলার তথ্য প্রকাশে পেন্টাগন ধীরগতি নীতি অবলম্বন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানান, গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ সেনা নিহত, প্রায় ১০০ সেনা আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৯৬ ভাগ এরই মধ্যে আবার কাজে ফিরেছেন। 

পারনেল বলেন, অধিকাংশ সেনার মাথায় হালকা ধরনের আঘাত ছিল। আহত সেনারা দ্রুতই আবার দায়িত্বে ফিরতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী সেনাদের আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশে ধীরগতি দেখিয়েছে। তাদের দাবি, সেনাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এ বিলম্ব করা হয়েছে।

এদিকে যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা মঙ্গলবারের পরিবর্তে বুধবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত থাকতে পারেন। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুরু হয় এ যুদ্ধ। গত ১৭ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে হরমুজ প্রণালিতে হামলার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ভেঙে আবার হামলা শুরু করে, ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। গত ৭ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত ১৭ জুলাই জর্দানের বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন এবং ইরাকে ড্রোন হামলার গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করার সময় একজন মার্কিন সেনা নিহত হন। এ ছাড়া জর্দানের ঘটনায় এক মাকিন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরান সংঘাতে মোট ১৭ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। পেন্টাগনের ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালিটি অ্যানালিসিস সিস্টেম'-এর তথ্য অনুযায়ী, শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৪২৭ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।