এয়ার ট্যাক্সি ও সুপারসনিক বিমান দ্রুত মানুষের ব্যবহারে আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নতুন ধরনের উড়োজাহাজের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে প্রয়োজনীয় নিয়মে পরিবর্তন আনছে দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)।
মঙ্গলবার (২১জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফএএ এমন নিয়ম তৈরি করছে, যাতে নতুন প্রযুক্তির উড়োজাহাজ নিরাপদভাবে আকাশে চলাচল করতে পারে এবং কম্পানিগুলোও দ্রুত সেবা চালু করতে পারে।
এফএএ বর্তমানে ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং প্রযুক্তির উড়োজাহাজ নিয়ে একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই উড়োজাহাজগুলো হেলিকপ্টারের মতো সোজা ওপরে উঠতে ও নিচে নামতে পারে। এগুলোকে সাধারণভাবে এয়ার ট্যাক্সি বলা হয়। শহরের যানজট এড়িয়ে দ্রুত যাত্রী পরিবহনে এসব উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।
এই কর্মসূচিতে আটটি কম্পানি যুক্ত রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যে পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষার ফলাফল ভবিষ্যতে এয়ার ট্যাক্সির অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে।
এদিকে শব্দের গতির চেয়েও দ্রুতগতির সুপারসনিক বিমান আবার বাণিজ্যিকভাবে চালু করার পরিকল্পনাও করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য ১৯৭৩ সাল থেকে স্থলভাগের ওপর সুপারসনিক বিমান চলাচলের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা তুলে নিতে দুটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এসব নীতিমালা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
এফএএর উপপ্রশাসক ক্রিস রোশেলো বলেন, বর্তমান অনেক নিয়মই পুরোনো হয়ে গেছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখে নতুন প্রযুক্তিকে দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নিয়মগুলো হালনাগাদ করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে কনকর্ড বিমান অবসরে যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক সুপারসনিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের বিমান আকাশে দেখা যেতে পারে।







