• ই-পেপার

ড. ইউনূস চাইলে আ. লীগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন : রাশেদ খান

  • আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার

রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, জরুরি ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ
সংগৃহীত ছবি

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নিচু সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেট এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচের অংশে পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে এবং কোথাও কোথাও তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার পর ট্রাফিক পুলিশের গুলশান বিভাগ তাদের ফেসবুক পেজে এ পরিস্থিতির কথা জানায়। বার্তায় বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় ভারী বর্ষণের প্রভাবে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যা সড়ক যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কাকলী মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামা যানবাহন এবং নিচের সড়ক ব্যবহারকারী চালকদের অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক সদস্যরা কাজ করছেন।

এ পরিস্থিতিতে মোটরযান চালক ও পথচারীদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি জলাবদ্ধ এলাকায় ধীরগতিতে গাড়ি চালানো, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, সম্ভব হলে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করা এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জামায়াত থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই : রাশেদ খান
রাশেদ খান।

বাংলাদেশে রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী থাকতে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। এটি দিন দিন আরো স্পষ্ট হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খানের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এবং ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ) দ্বারা অতীতে তার আক্রান্ত হওয়ার ছবি পোস্ট করে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ দ্বারা অতীতে আমার আক্রান্ত হওয়ার ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করছে জামায়াত-শিবিরের লোকজন। এরা কতবড় জঘন্য, নিজেরা সারাজীবন গুপ্ত থেকেছে আর আমরা রাস্তায় মাইর খেয়েছি সেটিকে এখন ওরা নেতিবাচকভাবে প্রচার করছে যে, আমি নাকি অপকর্ম করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছি!’

এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন ফোনকল পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘ওদের (জামায়াত-শিবির) গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে অনেকে আমাকে কল ও মেসেজ করে খোঁজখবর নেওয়ার প্রেক্ষিতে ফেসবুকে পোস্ট করে বিষয়টি সম্পর্কে খোলাসা করলাম।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত থাকতে যে আওয়ামী লীগের আর প্রয়োজন নেই, সেটির ডে বাই ডে আরো স্পষ্ট হচ্ছে।’

মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে : রাশেদ খান

অনলাইন ডেস্ক
মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে : রাশেদ খান
গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান।

বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এ দাবি করেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে টার্গেট করে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার কৌশল নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন টক শোতে বিরোধীপক্ষের মুখ থেকে এটাই শুনেছি যে মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু! আমি বিষয়টি নিয়ে কনফিউশনে ছিলাম! গতকাল দেখলাম  মীর শাহে আলম বিষয়টি পরিষ্কার করলেন যে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বয়সে বেশ ছোট, কখনো একই সঙ্গে স্কুল-কলেজে পড়েননি, রাজনৈতিক সূত্র ধরেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু দেখেন, কিভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় টক শোতে মীর শাহে আলমকে আক্রমণের নামে প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করে বিরোধী শিবির।’

রাশেদ খান বলেন, ‘হ্যাঁ, মীর শাহে আলম সরকারের প্রতিমন্ত্রী। দায়িত্বে থাকার কারণে তার সমালোচনা হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মিথ্যাচার ও সমালোচনা কি এক জিনিস? যেখানে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ ৭ নম্বরে এবং বগুড়া ১৬ নম্বরে। কিন্তু প্রচার করা হলো সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়ে গেছেন  মীর শাহে আলম!’

তিনি বলেন, ‘তার (শাহে আলম) কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সেই সমালোচনা আমরা করব। কিন্তু সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে নিশ্চিত কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে। এই ষড়যন্ত্র মূলত মীর শাহে আলমকে টার্গেট করে সরকারকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণের জন্য অপচেষ্টা করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজকেও তিনি (শাহে আলম) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিরোধীদলীয় নেতা, জামায়াতের আমিরের ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের জন্য আমিরের সঙ্গেও সমন্বয়সভা করেছেন। ইতিপূর্বে উন্নয়ন করার জন্য আমিরের সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এগুলোর জন্য বিরোধী দল তাকে বাহবা তো দূরে থাক, সারাক্ষণ ভিলেন বানাতে ব্যস্ত!’

রাশেদ খান বলেন, “তাদের (বিরোধী শিবির) চিন্তা হলো, মীর শাহে আলমকে বিতর্কিত করতে পারলে বুঝি প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার মিশন সফল হবে। মীর শাহে আলমের পেছনে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররাও সোচ্চার। এর কারণ হলো, তিনি মাসখানেক আগে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না!’ এসব কারণে বর্তমান বিরোধী দল ও পতিত স্বৈরাচারের দল সব একযোগে উঠেপড়ে লেগেছে!”

উপদেষ্টা হয়ে অনেক কিছুই করতে পারেননি আসিফ নজরুল : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
উপদেষ্টা হয়ে অনেক কিছুই করতে পারেননি আসিফ নজরুল : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক  উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল দায়িত্ব গ্রহণের আগে নানা পরিকল্পনা করলেও দায়িত্বে গিয়ে সেগুলোর অনেক কিছু বাস্তবায়ন করতে পারেননি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

সম্প্রতি এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রশিক্ষকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, আসিফ নজরুল মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল পদে যাওয়ার আগে তার ধারণা ছিল সুযোগ পেলে অনেক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাস্তবতা ভিন্ন দেখেছেন। এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল আক্ষেপ করে বলেন, দায়িত্বে থাকার সময় তিনি ভেবেছিলেন যেসব কাজ করবেন, তার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি।

আলোচনার একপর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী ওই প্রশিক্ষণার্থীর কাছে তার অভিজ্ঞতা জানতে চান। তখন প্রশিক্ষণার্থী বলেন, তিনি দুইবার এই প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। প্রথমে  ১৯৯৯ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১২ সালে। সেই সময়ের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সেশনের মান তার কাছে প্রত্যাশিত পর্যায়ের মনে হয়নি। পাশাপাশি আবাসন ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতাও তার নজরে এসেছিল।

প্রশিক্ষণার্থী বলেন, প্রায় ২৬-২৭ বছর আগের স্মৃতিতে ফিরে গেলে তার মনে হয়, প্রশিক্ষণের কিছু সেশনের মান আরো উন্নত হওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এর বাইরে নির্দিষ্টভাবে আর তেমন কিছু মনে নেই বলেও জানান তিনি।

ড. ইউনূস চাইলে আ. লীগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন : রাশেদ খান | কালের কণ্ঠ