• ই-পেপার

উরুগুয়ের কোচ কিংবদন্তি ফোরলান

ইংল্যান্ডের কোচ হতে পারেন রাহুল দ্রাবিড়

ক্রীড়া ডেস্ক
ইংল্যান্ডের কোচ হতে পারেন রাহুল দ্রাবিড়
রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করতে আগ্রহী ইংল্যান্ড। ছবি : এক্স থেকে

চাকরি হারানোর ভয়টা অনেক দিন ধরেই চলছিল। এবার সেটা সত্যি হলো। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে টেস্ট হারার পর গতকাল চাকরিটা হারালেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। 

টেস্টের কর্তৃত্ব হারালেও সীমিত সংস্করণে ম্যাককালামের ওপরই আস্থা রাখছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। তবে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়কের ফাঁকা জায়গা পূরণে ইতমধ্যে লোক খোঁজা শুরু করেছে ইসিবি। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, একটা সংক্ষিপ্ত তালিকাও তৈরি হয়েছে।

সেই তালিকায় দুর্দান্ত সব কোচের মধ্যে আছেন রাহুল দ্রাবিড়। ভারতীয় কিংবদন্তিকে দীর্ঘ সংস্করণে কোচ হিসেবে পেতে ইংল্যান্ড আগ্রহী বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমটি। ভারতকে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো কোচ বর্তমানে কোনো দলের সঙ্গেই যুক্ত নন। চাকরি ছাড়ার সময় ভারতকে ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তোলা কোচ জানিয়েছিলেন, কোনো দলের সঙ্গেই আর সারাবছর কাজ করতে চান না তিনি।

রাহুলের সেই চাওয়াকেও নাকি প্রধান্য দিচ্ছে ইংল্যান্ড। সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানানো হয়েছে, দ্রাবিড়ের পূর্ণকালীন (ফুল-টাইম) কোচ হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। তবে ইংল্যান্ড কোচ হিসেবে তাকে দীর্ঘদিন বাড়িতে থাকার সুযোগ দেবে। এতে করে তার প্রিয় ফরম্যাটটিকে (টেস্ট ক্রিকেট) টিকিয়ে রাখার কাজে সহায়তাও করতে পারবেন তিনি। তাই ইংল্যান্ডের কোচ হওয়ার বিষয়টি একবার হলেও খতিয়ে দেখা উচিত তার।

গুঞ্জনটা সত্যি হলে ভারতের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ইংল্যান্ডের কোচ হবেন রাহুল দ্রাবিড়। ‘দ্য ওয়াল’ খ্যাত ব্যাটার ছাড়াও ইংল্যান্ডের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে আছেন জিম্বাবুয়ের কিংবদন্তি অ্যান্ডি ফ্লওয়ার। আগেও ইংল্যান্ডের টেস্ট দলকে কোচিং করিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া আছেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডাওসন, পেসার অ্যান্ডি ফ্লিনটফ, শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা, নিউজিল্যান্ডের মাইক হেসন ও অস্ট্রেলিয়ার জাস্টিন ল্যাঙ্গার।

আবারও উইম্বলডনের রাজা সিনার

ক্রীড়া ডেস্ক
আবারও উইম্বলডনের রাজা সিনার
পরম মমতায় ট্রফিতে চুমু এঁকে দিচ্ছেন সিনার। ছবি : রয়টার্স

চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট পেয়েই কোর্টে শুয়ে পড়লেন ইয়ানিক সিনার। কয়েক মুহূর্ত পর আনন্দে দুই হাতে নিজের মুখায়ব ঢাকলেন। উঠে এসে প্রতিপক্ষ আলেকজেন্ডার জভেরেভের সঙ্গে ম্যাচ শেষের সৌহার্দ্ বিনিময় করলেন ইতালিয়ান তারকা।

তাতে নিশ্চিত হয়ে যায় উইম্বলডনের শিরোপা ধরে রাখা। টানা দ্বিতীয়বার বছরের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন হলেন সিনার। ক্যারিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের পথে জার্মান তারকা জভেরেভকে ৬-৭ (৭/৯), ৭-৬ (৭/২), ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন তিনি।

প্রথম দুই সেটে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র জায়গা ছেড়ে দেননি। যার প্রমাণ টাইব্রেকারে এক-অপরকে টক্কর দেওয়া। তবে তৃতীয় ও ও চতুর্থ সেটে জভেরেভকে লড়াইয়ের সুযোগ দিলেন না সিনার। সবমিলিয়ে টানা ১০ বার জভেরেভকে হারালেন তিনি।

চ্যাম্পিয়ন হয়ে দারুণ খুশি সিনার। ২৪ বছর বয়সী ইতালিয়ান তারকা বলেছেন, ‘জয়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্যারিসের পর কঠিন এক লড়াই হয়েছে। গত বছর অনেক কঠিন ছিল। এখানে এসে তাই আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজের এবং দলের জন্য গর্বিত। যারা সঠিক পথে আমাকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।’

বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনার। এই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিক সাফল্যকে ‌‘স্বাভাবিক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় জয়ে শেষ চারে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। এতে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আলবেসিলেস্তরা সঠিক পথেই রয়েছে।

ম্যাচ শেষে ইএসপিএন আর্জেন্টিনাকে মেসি বলেন, ‘আমরা যেভাবে উপভোগ করছি, আর্জেন্টিনার সাধারণ মানুষও একইভাবে আনন্দ পাচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা এভাবেই বিষয়টাকে অনুভব করি।’

টানা দুই বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানো এবং বছরের পর বছর ধরে দলের এই জয়ের ক্ষুধা ধরে রাখা একেবারেই সাধারণ কোনো ঘটনা নয় বলে যোগ করেন এই মহাতারকা।

আমরা জানি না এটি আবার কখনো ঘটবে কি না? কিংবা ঘটলেও কবে ঘটবে। গতবারের আগে আমরা দীর্ঘ সময় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি; তাই এর পরে যা কিছুই আসবে, তার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা উচিত। আমরা এখন বিশ্রাম নেব, নিজেদের শক্তি সঞ্চার করে। সেমিফাইনালে সেরা লড়াইটা দেওয়ার চেষ্টা করব বলে জানান তিনি।

বাজিতে হেরে পাল্টে গেল নরওয়ে এয়ারের ইনস্টা প্রোফাইল পিকচার

ক্রীড়া ডেস্ক
বাজিতে হেরে পাল্টে গেল নরওয়ে এয়ারের ইনস্টা প্রোফাইল পিকচার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় গ্যালারি থেকে মাঠ বা মাঠের বাইরে ঘটছে নানান ঘটনা। নিজ নিজ দেশের সমর্থনে নানান পাগলামিও করছে ভক্ত-সমর্থকরা। এমনই এক অভিনব ঘটনা ঘটাল দুই দেশের দুই বিমান সংস্থা। নরওয়েজিয়ান এয়ার এবং ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ কোয়ার্টারে নিজ নিজ দেশের হয়ে ধরলেন অভিনব এক বাজি। যে দেশ হারবে তারাই জয়ী দলের লোগো দিয়ে ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করবে।

গত শনিবার মায়ামিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় নরওয়ে। তাই বাজির অংশ হিসেবে নরওয়েজিয়ান এয়ার তাদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের লোগো দিয়েছে। 

ম্যাচটির আগে দুই এয়ারলাইনসের মধ্যে মজার এই বাজি ধরা হয়েছিল। যার দেশ হারবে সে ২৪ ঘণ্টার জন্য অন্য দলের এয়ারলাইনসের লোগো নিজেদের অফিশিয়াল প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করবে। 

এর আগে গত ৮ জুলাই নরওয়েজিয়ান এয়ার প্রথম ইনস্টাগ্রামে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকে এই লোগো পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জটি ছুড়ে দেয়। জবাবে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে মন্তব্য করে, ‘এমন কোনো বাজি ধরবেন না যা আপনি জিততে পারবেন না ?’

ম্যাচ শুরুর আগেই উভয় প্রতিষ্ঠানের আইনি দল হিথ্রো এয়ারপোর্টের কাছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের হেডকোয়ার্টারে গিয়ে ইউএসবি ড্রাইভের মাধ্যমে একে অপরের লোগো ফাইল বিনিময় করে।

এটি কোনো প্রকার ফিফা স্পন্সরশিপের খরচ ছাড়াই এই দুই এয়ারলাইনসের মধ্যকার রসাত্মক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বাজিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস, কান্টাস, সুইস এবং এয়ারবাল্টিকের মতো অন্যান্য বৈশ্বিক এয়ারলাইনসগুলোও বাজির পোস্টে কমেন্ট করে যোগ দেয় এবং প্রচারণাটিকে ভাইরাল করতে সহায়তা করে। 

বাজি হারার পর নরওয়েজিয়ান এয়ার শুধু লোগোই পরিবর্তন করেনি। পরাজয়কে উদযাপনে রূপ দিতে যুক্তরাজ্য ও নরওয়ের মধ্যকার ফ্লাইট রুটে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে বিমান সংস্থাটি।