বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই আমাদের মনোযোগ চলে যায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। ভর্তি পরীক্ষা, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং, গবেষণা, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কিংবা শিক্ষক নিয়োগ—এসব বিষয়ই জনপরিসরের আলোচনায় প্রাধান্য পায়।
কিন্তু বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জটি খুব কমই আলোচনার কেন্দ্রে আসে। যে ব্যবস্থায় দেশের পাঁচজন উচ্চশিক্ষার্থীর মধ্যে চারজন পড়াশোনা করেন, সেই ব্যবস্থার গুণগত মান, অর্থায়ন ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রয়োজনীয় জাতীয় মনোযোগ এখনো গড়ে ওঠেনি।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে উচ্চশিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১ লাখ ৭৯ হাজার ৫৭৯। এর মধ্যে ৪২ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৬ জন, অর্থাৎ প্রায় ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করছেন। শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই শিক্ষার্থী ৩৩ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি। বিপরীতে দেশের সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার। অর্থাৎ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মূল ভার বহন করছে অধিভুক্ত কলেজব্যবস্থা, অথচ নীতিগত মনোযোগ ও সংস্কার উদ্যোগের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত তুলনামূলকভাবে ছোট পরিসরের একটি অংশে।
এই বৈপরীত্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রকাশ অর্থায়নে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি বার্ষিক ব্যয় ছিল মাত্র ৭০২ টাকা—মাসে প্রায় ৫৮ টাকা। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৪১৫ টাকা। অন্যদিকে একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭ টাকা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৮ টাকা। এটি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অন্যটির প্রতিযোগিতার বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের অগ্রাধিকার কোথায়, সেই প্রশ্নের প্রতিফলন। যেখানে শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি, সেখানে বিনিয়োগ সবচেয়ে কম—এই বৈপরীত্য দীর্ঘমেয়াদে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেই।
এর প্রতিফলন শ্রমবাজারেও স্পষ্ট। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) ২০২৪ সালের গবেষণায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশ পাওয়া গেছে।
গবেষণায় আরো উঠে এসেছে, অনেক অধিভুক্ত কলেজে একাডেমিক পরিবেশ দুর্বল, শিক্ষক উন্নয়নের সুযোগ সীমিত, গবেষণা কার্যক্রম অপ্রতুল এবং পাঠ্যক্রমের সঙ্গে কর্মবাজারের চাহিদার সংযোগ অপ্রতুল। ফলে সমস্যাটি ডিগ্রির সংখ্যা নয়; সমস্যাটি ডিগ্রির গুণগত মান এবং দক্ষতার।
এই প্রশ্নটি এখন আরো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং জ্ঞানভিত্তিক শিল্পব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে শুধু বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান যথেষ্ট হবে না; প্রয়োজন হবে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, ডিজিটাল ও তথ্য-সাক্ষরতা, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা। উচ্চশিক্ষা যদি এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে রূপান্তর করতে না পারে, তাহলে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আরো বাড়বে।
এই বাস্তবতায় উচ্চশিক্ষা সংস্কারকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। বরং যেখানে দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, সেই ব্যবস্থাকেই সংস্কারের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে। এ জন্য ইউজিসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য। উচ্চশিক্ষাকে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি হিসেবে নয়; একটি সমন্বিত জাতীয় ব্যবস্থা হিসেবে দেখতে হবে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) স্টেট অব ওয়ার্ল্ড পপুলেশন-২০২৫ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ কর্মক্ষম মানুষ (১৫–৬৪ বছর বয়সী) রয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। অর্থনীতির পরিভাষায় এটি ‘জনমিতিক মুনাফা’ (Demographic Dividend)—একটি বিরল সুযোগ, যা দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে পারলে একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন বহুগুণে ত্বরান্বিত হতে পারে।
চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম ও জাপানের মতো দেশগুলো সময়োপযোগী শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এই জনমিতিক সুবিধাকে অর্থনৈতিক সাফল্যে রূপ দিয়েছে। বাংলাদেশও আজ একই সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। তবে এই বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যদি মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা না যায়, তাহলে এই জনমিতিক মুনাফাই ভবিষ্যতে বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক চাপের বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি), ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এসব উদ্যোগ এখনো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক। দেশের বৃহত্তম শিক্ষার্থীসমাজ এখনো এই সংস্কারের পূর্ণ সুফল পায়নি।
পর্যায়ক্রমে অধিভুক্ত কলেজগুলোতেও আইকিউএসি প্রতিষ্ঠা, ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা বাস্তবায়ন, নিয়মিত একাডেমিক অডিট এবং শিক্ষক উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক বা প্রোগ্রাম অ্যাক্রিডিটেশনও ধাপে ধাপে চালু করা উচিত, যাতে নির্দিষ্ট একাডেমিক কর্মসূচির মানও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে মূল্যায়িত হয়।
উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকতার মানোন্নয়ন অপরিহার্য। বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, সেখানে শিক্ষকরা উচ্চতর গবেষণা ডিগ্রিধারী এবং নিয়মিত গবেষণা ও প্রকাশনায় সম্পৃক্ত। এর বিপরীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে পিএইচডিধারী শিক্ষকের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, অর্থায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তাও অপ্রতুল। একই সঙ্গে পদোন্নতিতে গবেষণা অবদানকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ায় গবেষণাভিত্তিক একাডেমিক সংস্কৃতি প্রত্যাশিতভাবে বিকশিত হয়নি।
তাই শিক্ষকতার মানোন্নয়নের পাশাপাশি গবেষণায় বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা অনুদান এবং গবেষণাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা জরুরি। ভবিষ্যতে সহযোগী অধ্যাপক ও তদূর্ধ্ব পদে পর্যায়ক্রমে পিএইচডিকে যোগ্যতার মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে তার আগে প্রয়োজন গবেষণার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা।
একই সঙ্গে তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণকে শক্তিশালী করতে হবে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থা কার্যকরভাবে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি, ঝরে পড়ার হার, স্নাতকদের কর্মসংস্থান, গবেষণার ফলাফল, শিক্ষক সক্ষমতা এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মান সূচক নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। নীতিনির্ধারণে তথ্যের ব্যবহার যত বাড়বে, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং সংস্কারের কার্যকারিতা তত নিশ্চিত হবে।
পাঠ্যক্রমকেও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ, যৌথ গবেষণা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং স্টার্টআপ সহায়তা উচ্চশিক্ষার মূলধারায় আনতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা অ্যানালিটিক্স, গবেষণা পদ্ধতি, একাডেমিক লেখালেখি এবং ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতার ওপর ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব এবং মানবিক দক্ষতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সামনে এখন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নয়, প্রবৃদ্ধির গুণগত মান নিশ্চিত করারও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বর্তমান সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন উচ্চ উৎপাদনশীল, প্রযুক্তিদক্ষ এবং উদ্ভাবনী মানবসম্পদ। সেই মানবসম্পদ তৈরির সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা। তাই উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগকে ব্যয় নয়, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সরকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়নের কথা বলেছে, যা অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে একই সঙ্গে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় ৯ লাখ শিক্ষার্থীকেও একই সংস্কার কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষার এই তিন ধারাকে পৃথকভাবে নয়, একটি সমন্বিত জাতীয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করাই হবে টেকসই সমাধানের পথ।
শুধু কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না। এটি নির্ধারণ করবে সেই ৪২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী, যারা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কলেজ ও মাদারাসায় বসে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছেন। তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষানীতির প্রশ্ন নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান, সামাজিক গতিশীলতা এবং জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পূর্বশর্ত।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নয়; বরং যেখানে দেশের ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে, সেই বৃহত্তম উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে কিভাবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করা যায়। একটি দেশের উচ্চশিক্ষার মান কয়েকটি উৎকৃষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে নয়, বরং তার বৃহত্তম শিক্ষার্থীসমাজের শিক্ষার মান দিয়েই বিচার করা হয়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। যদি ৪২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত, গবেষণানির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা যায়, তবে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জন এবং জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পথ অনেকটাই সুগম হবে।
আর যদি তা না করা যায়, তবে ডিগ্রিধারীর সংখ্যা বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি হবে না। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বড় চ্যালেঞ্জ—৪২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে আমরা কি সত্যিই জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখতে প্রস্তুত?
লেখক—
মো. ইমরান হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম ও প্রবীর চন্দ্র দাস।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তা।










