• ই-পেপার

১৪ জেলার জন্য বড় দুঃসংবাদ

‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা’ নিয়ে যা বলল কারা কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক
‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা’ নিয়ে যা বলল কারা কর্তৃপক্ষ
সংগৃহীত ছবি

কারাগারে বসে ভিডিও কলে শেখ হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর এবং ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের নয় বলে বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে একটি গণমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছে যে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে ধারণ করা হয়নি।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় হাজতি মির্জা আশরাফুজ্জামান ও হাজতি মো. নাঈম হোসেনকে লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজিরার জন্য নেওয়া হয়। আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানে উপস্থিত অন্য একজন সেই দৃশ্য ধারণ করে, পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিরাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরো জানান, কারাগারের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের ভিডিও বা সংবাদ প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং প্রচলিত আইনেরও পরিপন্থি। ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কারা অধিদপ্তর সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তিনি বঙ্গভবনে পৌঁছলে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ। তিনি অফিস করলেও বঙ্গভবনে উঠবেন না, সংসদে স্পিকারের বাসভবনেই থাকবেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বঙ্গভবনের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ে দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাসে গ্রেপ্তার ৩৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাসে গ্রেপ্তার ৩৯ হাজার

চলমান বিশেষ অভিযানে গত ১ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থান অভিযান চালিয়ে ৩৯ হাজার ২৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৭২২ জন। বিশেষ অভিযান ও অন্যান্য মামলায় মোট গ্রেপ্তার হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৯ জন।

মঙ্গলবার পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে আরো জানানো হয়, পুলিশ এ সময়ে ৩২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ হাজার ৮০২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ১০৩টি ম্যাগাজিন, ৪৬টি ককটেল, সোয়া দুই কেজি গান পাউডার, ৬৩৮টি দেশীয় অস্ত্র, ১৮টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ১৭টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার ৩০০টি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।

উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল ১০১টি, শুটারগান ৩৫টি, এলজি ৩৮টি, রিভলবার ১৯টি, বন্দুক ৯২টি, পাইপগান ১৫টি, শটগান ৭টি, রাইফেল ৩টি, এসএমজি ২টি, এয়ারগান ১২টি ও পেনগান ১টি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এছাড়া, পুলিশ ৯১ লাখ ২২ হাজার ৯৯৬ ইয়াবা, ৯ হাজার ৮০ পুরিয়া হেরোইন, ৪ হাজার ৯৫ বোতল ফেনসিডিল, ৮ হাজার ২১১ বোতল বিদেশি মদ, ৪২৩ বোতল দেশি মদ, ৮ হাজার ৫৫২ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে। এসব মাদক দ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ১৭ হাজার ৬৬টি মামলা দায়ের ও ২৪ হাজার ৮২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন

সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে

অনলাইন ডেস্ক
সাত বছরে ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে সড়কে
সংগৃহীত ছবি

দেশে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪৮ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৬ জন।

তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের চালক বা আরোহী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এছাড়া পথচারী হিসেবে ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, বাইসাইকেল ও রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সড়কভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এরপর গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত সাড়ে সাত বছরে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার কিংবা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক ও অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ঘাটতি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা এবং অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির অন্যতম কারণ।