• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ শুরু আজ

চার মাস ধরে অচল দুদক

ঝুলে আছে ৮ হাজার অভিযোগ চেয়ারম্যান ও কমিশনার হতে চান ৩২৭ জন

অনলাইন ডেস্ক
চার মাস ধরে অচল দুদক

দেশের একমাত্র দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যত এখন অচল। নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ না হওয়ায় মামলা দায়ের, আদালতে চার্জশিট দাখিল, সম্পত্তি জব্দ, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা এবং আসামি গ্রেপ্তারের মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কমিশনের বিকল্প হিসেবে দুদক সচিবের ক্ষমতা সাময়িকভাবে বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারকে দেওয়া হয়েছিল। সে উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। কমিশনের অনুমোদন না পাওয়ায় চার মাসে ৮ হাজারের বেশি অভিযোগের নথি এখন ফাইলবন্দি।

৩ মার্চ ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সব সদস্য পদত্যাগ করেন। দীর্ঘ চার মাসের বেশি পার হলেও নিয়োগ দেওয়া হয়নি নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার। তবে এরই মধ্যে সার্চ কমিটির আহ্বানে চেয়ারম্যান ও কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেতে ৩২৭ জন আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন করেছেন। সোমবার ছিল আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০টি নতুন দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনে জমা পড়ছে। কমিশন না থাকায় নতুন কোনো অনুসন্ধানের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। মামলা দায়ের ও চার্জশিট অনুমোদনের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। তবে রুটিন কার্যক্রমগুলো চলছে।’

দুদক সূত্র জানান, কমিশনের পদত্যাগের আগে যেসব অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু হয়েছিল, সেগুলোর অনেকটির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিভাগীয় পরিচালক ও মহাপরিচালক পর্যায়ে ফাইল প্রস্তুত হলেও কমিশনের অনুমোদন না থাকায় সেগুলো আর এগোচ্ছে না। ফলে ৮ হাজারের বেশি নথি ও মামলাসংক্রান্ত নানান ফাইল অনুমোদনের অপেক্ষায় ঝুলে আছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিশনের অন্য দুই সদস্য ছিলেন সাবেক জেলা জজ মির্জা মুহাম্মদ আলী আকবর আজিজী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।

পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পেলেও তারা দায়িত্ব পালন করেন এক বছর দুই মাস। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘চার মাস দুদকের কমিশনারহীন অবস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের উদাসীনতা ও আগ্রহহীনতার পরিচায়ক; যা ক্ষমতাসীন দলের ৩১ দফা সংস্কার এজেন্ডা, নির্বাচনি ইশতেহার ও জুলাই সনদ, তথা জুলাই অভীষ্টের বিপরীতমুখী এবং বাস্তবে দুর্নীতির সহায়ক।’

তিনি বলেন, ‘যে আস্থাহীনতার মুখোমুখি সরকার নিজেকে ঠেলে দিয়েছে, তার মোকাবেলায় বিলম্বে হলেও সার্চ কমিটি গঠিত হওয়ায় দেশের মানুষ আশা করবে দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের যেন কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাবমুক্ত থেকে সৎসাহস ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।’

জানা গেছে, দুদক আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের অনুমোদন ছাড়া নতুন অনুসন্ধান, তদন্ত কিংবা গুরুত্বপূর্ণ আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। যদিও আইনে কমিশন পদত্যাগের ৩০ দিনের মধ্যে নতুন কমিশন গঠনের কথা বলা রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না হলে কী হবে, সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট বিধান নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের সংশোধিত ধারাগুলোই বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সংসদ নতুন আইন করে সেগুলো পরিবর্তন বা বাতিল করে। সরকার নতুন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগে পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করেছে।

২ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আপিল ও হাই কোর্ট বিভাগের একজন করে বিচারক মনোনয়নের জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠায়। সার্চ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে।

২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী যোগ্য ও আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আহ্বান করে সার্চ কমিটি। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

দুদকের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মঈদুল ইসলাম বলেন, ‘কমিশন না থাকলে দুর্নীতিবাজদের সুবিধা বেশি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামতও নষ্ট হয়ে যায়। এতে তদন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আসামিরা সুবিধা পান।’

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

৮ জেলার জন্য দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

অনলাইন ডেস্ক
৮ জেলার জন্য দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

দেশের আট জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়। 

রবিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তথ্যের ঘাটতিতে দুর্বল পরিসংখ্যানব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
তথ্যের ঘাটতিতে দুর্বল পরিসংখ্যানব্যবস্থা

সরকারি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা, সময়মতো তথ্য প্রকাশ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাবসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে দেশের পরিসংখ্যানব্যবস্থা। একই সঙ্গে নানা সীমাবদ্ধতায় সংকটে রয়েছে সরকারের একমাত্র জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নতুন পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনায় পরিসংখ্যানব্যবস্থার সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) সূত্রে জানা গেছে, নতুন কৌশলগত পরিকল্পনার খসড়া এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এটি বই আকারে প্রকাশ করা হবে। পরিকল্পনায় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি একটি সমন্বিত, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় পরিসংখ্যানব্যবস্থা গড়ে তোলার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

জিইডির সদস্য (সচিব) ড. মঞ্জুর হোসেন জানিয়েছেন, পরিকল্পনার খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। এতে সরকারের বিভিন্ন খাতভিত্তিক লক্ষ্য ও তা বাস্তবায়নের কৌশলের পাশাপাশি পরিসংখ্যানব্যবস্থার দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. মুস্তাফা কে মুজেরি। তিনি বলেন, শুধু পরিকল্পনা প্রণয়ন করলেই হবে না, এর বাস্তবায়নে তথ্য উৎপাদন ও ব্যবহারকারী সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সক্ষমতা বাড়ানোর এই উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক। তবে পরিকল্পনাটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৌশলগতভাবে এগিয়ে নিতে হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এতদিন সরকারি পরিসংখ্যানকে মূলত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হলেও নতুন পরিকল্পনায় এটিকে নীতিনির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা, বিনিয়োগ, গবেষণা ও জনসেবার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্য, সময়োপযোগী ও ব্যবহারকারীকেন্দ্রিক তথ্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে দেশের সরকারি পরিসংখ্যানের সবচেয়ে বড় উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিবিএস। জনশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, শ্রমশক্তি জরিপ, খানা আয়-ব্যয় জরিপ, মূল্যস্ফীতির হিসাব, জাতীয় আয় বা জিডিপিসহ শতাধিক পরিসংখ্যান নিয়মিত প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। সরকারের বাজেট প্রণয়ন, দারিদ্র্য নিরূপণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বেসরকারি গবেষণা- সব ক্ষেত্রেই এসব তথ্য ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিসংখ্যানের মান ও নির্ভরযোগ্যতা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে পরিকল্পনার খসড়ায় দেশের পরিসংখ্যানব্যবস্থার সামনে থাকা ১৫টি বড় চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন

পরিস্থিতি খারাপ হলে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী

আইন সংশোধনের উদ্যোগ ইসির

অনলাইন ডেস্ক
পরিস্থিতি খারাপ হলে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী

স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে প্রথম ধাপের পরিস্থিতি দেখে মাঠে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য নির্বাচন বিধিমালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রত স্থানীয় সরকার বিধিমালা সংশোধন করে সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের নির্দলীয় নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা যেমন বেশি হবে, তেমন বিভিন্ন দলের একাধিক প্রার্থীও অংশগ্রহণ করবেন। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেক কোন্দলও রয়েছে। তাদের মতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধন এনে সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘জেলা পরিষদ ছাড়া অন্য চারটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার প্রস্তাব করব। সংজ্ঞায় যুক্ত হলেই যে সেনাবাহিনী ব্যবহার করা হবে তা কিন্তু না।’

পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা থেকে যুক্ত করা হচ্ছে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা দিয়ে রাখলাম যদি প্রয়োজন হয়।’

তিনি বলেন, ‘দুই চিন্তা থেকেই রাখছি। প্রথম ধাপে নির্বাচন যদি ভালো হয়, তবে পরের ধাপে প্রয়োজন হবে না। প্রথম ধাপে নির্বাচনে যদি হোঁচট খাই, তবে পরের ধাপে যেন সেনাবাহিনী আমরা ডাকতে পারি। তখন আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।’

ইসি কর্মকর্তারা বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন-২০০৯ অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’ অর্থ পুলিশ বাহিনী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, আনসার বাহিনী, ব্যাটালিয়ান আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্টগার্ড। তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন এ আইন সংশোধন হলে উল্লেখিত বাহিনীগুলোর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীকেও স্থানীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে মোতায়েনের আইনগত ভিত্তি তৈরি হবে।

ইউনিয়ন পরিষদের রোডম্যাপে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের আগে ২৮৯টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩ হাজার ৯৮১টি, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১১০টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯২টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামলা, সীমানা-জটিলতাসহ নানান কারণে দীর্ঘদিন ১০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হয়নি। দেশে ইউনিয়ন পরিষদ ৪ হাজার ৫৮০টি। এর মধ্যে চলতি বছরেই ৩ হাজার ৯৮১টি নির্বাচন উপযোগী হবে। বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে।

পৌরসভার রোডম্যাপ অনুযায়ী, দেশের ৩৩০ পৌরসভার মধ্যে ৩২০টি নির্বাচন উপযোগী। আইনি জটিলতার কারণে ১০টি এখনো নির্বাচন উপযোগী নয়।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন