• ই-পেপার

সংকটের শেষ নেই ঢাকায়

সরল না ঝুলন্ত জঞ্জাল

  • সমন্বয়হীনতায় থমকে আছে প্রকল্প

সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে গেল ট্রলার

অনলাইন ডেস্ক
সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে গেল ট্রলার

রাজধানীর সদরঘাটের শ্যামবাজার ঘাটে সুন্দরবন-১২ লঞ্চের ধাক্কায় একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এতে দুজন নিখোঁজ হয়েছেন।

রবিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫০ মিনিটে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

নৌ পুলিশের সদরঘাটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা জানান, ট্রলারটি কুমিল্লার মুরাদনগরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। এ সময় বরিশাল থেকে আসা ঢাকাগামী সুন্দরবন-১২ লঞ্চ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।

তিনি আরো জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারের ১০ আরোহীর মধ্যে আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কাকরাইলে সড়কে গেল বৃদ্ধের প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কাকরাইলে সড়কে গেল বৃদ্ধের প্রাণ
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর কাকরাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৯ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত সিরাজুল ইসলাম মগবাজার নয়াটোলা এলাকার বাসিন্দা। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে রমনা থানার উপ-পরিদর্শক এসআই আবুল খায়ের বলেন, সকালে বিচারপতির বাসভবনের কাছে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন সিরাজুল ইসলাম। পরে তাকে উদ্ধার করে সকাল ৭টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো বলেন, মরদেহটি ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

নিহতের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন স্বপন জানান, তার বাবা দেড় বছর আগে স্ট্রোক করেছিলেন। এরপর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মাঝে মধ্যে বাসা থেকে বের হয়ে যেত। গতকাল রাতে বাসা থেকে বের হয়েছিল। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। আজ সকালে পুলিশের মাধ্যমে সংবাদ পান তার বাবার সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।

রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপের মহারণ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপের মহারণ
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ঘিরে রাজধানীতে উৎসবের আমেজ পরিণত হয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিভিন্ন স্থান ও প্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা-স্পেনের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ দেখার আয়োজন করা হয়েছে। 

রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল।

এই মহাকাব্যিক লড়াই উপভোগ করতে ঢাকার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত হয়েছে বিশাল সব ‘ওয়াচ পার্টি’। জেনে নিন রাজধানী ঢাকার কোথায় কোথায় বড় পর্দায় দেখা যাবে এই মহারণ :

ফুটবল উৎসবের আমেজ পেতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হতে পারে সেরা গন্তব্য। কোকা-কোলা বাংলাদেশের সহায়তায় এখানে বরাবরের মতোই হাজার হাজার সমর্থক একসঙ্গে খেলা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া হাজী মুহম্মদ মহসীন হলে থাকছে বিশেষ আয়োজন, যেখানে অতিথি হিসেবে থাকবেন জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার জামাল ভূঁইয়া ও শেখ মোরসালিন।

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পাশাপাশি খেলা দেখার ব্যবস্থা থাকছে জগন্নাথ হল ও হলপাড়া এলাকাজুড়ে। মিরপুর অঞ্চলের বাসিন্দারা যেতে পারেন মিরপুর সিটি ক্লাব মাঠ অথবা মিরপুর ডিওএইচএস সেন্ট্রাল ফিল্ডে। বনানীবাসীদের জন্য খোলা আকাশের নিচে খেলা দেখার চমৎকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে কামাল আতাতুর্ক পার্কে, যেখানে ম্যাচ শুরুর আগে থাকছে ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যালবামের গায়ক সঞ্জয়ের সরাসরি গান পরিবেশনা।

যারা একটু আরামদায়ক ও প্রিমিয়াম পরিবেশে খেলা উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন পাঁচতারকা হোটেল ও কনভেনশন সেন্টারের ব্যবস্থা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকা, গুলশানের দ্য আলট্রাস ফেস্টিভাল, লেকশোর গ্র্যান্ড (গুলশান-২), হোটেল আমারি ঢাকা, লে মেরিডিয়ান ও ক্রাউন প্লাজাসহ বেশ কিছু পাঁচতারা হোটেলে রয়েছে বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচ দেখার সুব্যবস্থা।

এ ছাড়া গুলশান-১-এ পুলিশ প্লাজার পাশে অবস্থিত ‘এলিট কনভেনশন হল’, তেজগাঁওয়ের ‘আর্টিসান ওয়াচ পার্টি’ এবং মিরপুর টেকনিক্যাল মোড়ের পাশে অবস্থিত ‘আইসিসিএল কনভেনশন হলে’ রয়েছে বড় পর্দায় সরাসরি খেলা দেখানোর আয়োজন। তবে এসব বাণিজ্যিক ভেন্যুতে বসে খেলা উপভোগ করতে টিকিট কেটে নির্দিষ্ট ফি গুনতে হবে।

ফাইনাল ম্যাচের দিন এই ভেন্যুগুলোতে প্রচুর দর্শকের সমাগম হবে। শিরোপার লড়াইয়ের সেই রোমাঞ্চকর রাতটি কাটুক ফুটবলের জয়গানে।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

বর্ষার আবহে সুর ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’। মনোমুগ্ধকর এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে রবীন্দ্রসংগীত, শাস্ত্রীয় সংগীত ও গজল পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে হাইকমিশন প্রাঙ্গণ।

শনিবার ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ভারত ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্য এবং দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনকে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি শ্রাবণ সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে বর্ষা ঋতুর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। যুগ যুগ ধরে বর্ষা এ অঞ্চলের কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতশিল্পী ও শিল্পীদের সৃষ্টিশীলতায় বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে বাংলা ও হিন্দি ভাষার বর্ষাভিত্তিক নির্বাচিত গান পরিবেশন করা হয়, যেখানে প্রকৃতি, অনুভূতি এবং শ্রাবণের আবহ ফুটে ওঠে।

সন্ধ্যার শুরুতে প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী গুরু অনিল কুমার সাহা ও অলোক কুমার সেন হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেন। পরে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও গবেষক চঞ্চল খান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একাধিক কালজয়ী গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

গুরু অনিল কুমার সাহা বাংলাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতাঙ্গনের একজন সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী ও সংগীতগুরু। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের সংরক্ষণ ও প্রসারে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি বহু সফল শিল্পী গড়ে তুলেছেন এবং তরুণ সংগীতশিল্পীদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

অলোক কুমার সেনও বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ও উপশাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি গজল, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক বাংলা গান পরিবেশনের জন্য তিনি দেশে-বিদেশে প্রশংসিত।

অন্যদিকে, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, গবেষক ও শিক্ষক চঞ্চল খান রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরেন। রবীন্দ্রসংগীতের সংরক্ষণ ও প্রসারে তার অবদান ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

অনুষ্ঠানে শিল্পীরা বাংলা ও হিন্দি ভাষার বিভিন্ন বর্ষার গান পরিবেশন করেন, যা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরো গভীরভাবে তুলে ধরে।

আইজিসিসি জানিয়েছে, সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব জোরদার করতে এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিনিময়কে উৎসাহিত করতেই এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

সূত্র : এএনআই