• ই-পেপার

স্থানীয় নির্বাচন

ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে চূড়ান্ত হবে ভোটকেন্দ্র

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশের সমৃদ্ধি ও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে একাত্তরে যাদের ভূমিকা বিতর্কিত ছিল, তাদের অকপটে সেই দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান।

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির জন্য বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া কঠিন। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রকে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত সভায় জেনারেল এম এ জি ওসমানীর সভাপতিত্বে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ রাখার এবং যুদ্ধের নেতৃত্ব জেনারেল ওসমানীর হাতে অর্পণের প্রস্তাব দেন। সেই ঐতিহাসিক সভার স্মৃতি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে নামফলক স্থাপনের কাজ চলছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথা উল্লেখ করে আহমদ আযম খান বলেন, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামের অখণ্ডতা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদেরও যথাযথ সম্মান জানাতে মন্ত্রণালয় কাজ করবে। ‘সম্মানটাই বড় বিষয়, টাকা নয়’—যোগ করেন তিনি।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গঠনে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন ভুলে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ​বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা ও অবদমিত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখনই ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছিল। এটিই হলো প্রকৃত সত্য।

অনুষ্ঠানে রাওযা ক্লাবের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ও অফিসররা বক্তব্য দেন। 

কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় : ইফা ডিজি

অনলাইন ডেস্ক
কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় : ইফা ডিজি

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক (ডিজি) মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী বলেছেন, ‘কওমি মহিলা মাদরাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, চরিত্র গঠন এবং নারী শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এখানকার অসংখ্য শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখছেন। তাই অসত্য তথ্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা কিংবা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এ শিক্ষা ব্যবস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন করার কোনো অপচেষ্টাই গ্রহণযোগ্য নয়।’

শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম ইফা মিলনায়তনে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া লিলবানাত বাংলাদেশ (বাংলাদেশ কওমি মহিলা মাদরাসা ঐক্য পরিষদ) আয়োজিত ‘নারী শিক্ষার উন্নয়নে মহিলা মাদরাসার অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা, বৃত্তি প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘কওমি মহিলা মাদরাসার শিক্ষা কার্যক্রম, অবদান ও সুনাম রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নারী শিক্ষা একটি জাতির সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। দেশের কওমি মহিলা মাদরাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, চরিত্র গঠন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা উদ্বেগজনক।’

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ও রাজধানীর গোলাপবাগ মহিলা মাদরাসার মুহতামিম ফয়জুল্লাহ ইব্রাহিমীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব বশীরুল হাসান খাদিমানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক।

আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা ড. ওলিউর রহমান, মাওলানা আহমদ মায়মুন, মাওলানা আনওয়ারুল হক, মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, মুফতি উবায়দুল কাদির নদভী, মুফতি সাইফুল ইসলাম, মুফতি আজিজুল হক, মুফতি শাহাদাত হোসাইন, মুফতি আব্দুস সাত্তার, মুফতি উসমান আশরাফী, মুফতি জোবায়ের আহমদ, মুফতি বেলায়েত হোসাইন ফিরোজী, মাওলানা নূরুল হক, মাওলানা হোসাইন আহমদ প্রমুখ।

বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ, সত্যনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপন এবং কওমি মহিলা মাদরাসা সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। আলেম-উলামা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে শিক্ষা ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, পরিচ্ছন্ন-বাসযোগ্য করতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, পরিচ্ছন্ন-বাসযোগ্য করতে চাই

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

শনিবার (১১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সাভারের আমিনবাজার এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশে চলমান বর্জ্য অপসারণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ও অব্যবস্থাপনার কারণে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তার নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রায় ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্নকরণ এবং মহাসড়কের দুই পাশে নিমগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রায় ২০ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের এ অংশ দুর্গন্ধমুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো সংস্কার করা হবে। একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

সাভার পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্ধারিত ভাগাড়ে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সফল হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলার যে সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ, তা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।’

তিনি আরো বলেন, এখানে আমিনবাজার ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকার ১.২ কিলোমিটার রাস্তার বর্জ্য পরিষ্কার করে ১৫ ফিট বালু দিয়ে নেটিং করে ব্যারিকেড দিয়ে নিম গাছের চারা রোপণ করা হবে।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

সরকারি সহায়তা বেশি নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা, তাই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি সহায়তা বেশি নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা, তাই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা স্থগিত

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (ইমিগ্র্যান্ট ভিসা) দেওয়া স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর বেশিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

শনিবার (১১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব হলো অভিবাসীরা যাতে অবৈধভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন বা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরকারি সহায়তার বোঝা হয়ে না দাঁড়ান তা নিশ্চিত করা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্মরণ করিয়ে দেওয়া যাচ্ছে যে গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করা হয়েছে। কারণ বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা ব্যবহারের হার বেশি।

এতে আরো বলা হয়, এই স্থগিতাদেশের ফলে আমাদের যাচাই ও বাছাই নীতিমালা ও প্রক্রিয়াগুলোর পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করার সময় মিলবে, যাতে সেগুলো আমেরিকানদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়।