• ই-পেপার

পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি

স্থানীয় নির্বাচন

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

অনলাইন ডেস্ক
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট
সংগৃহীত ছবি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৩১ আগস্ট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নিবন্ধন কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের লক্ষ্যে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩ (জ) অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জনের তারিখ হিসেবে ৩১ জুলাই ২০০৮ কমিশন নির্ধারণ করেছে। সে প্রেক্ষিতে ভোটার তালিকা ডেটাবেইজে ৩১ জুলাই ২০০৮ তারিখ বা তার পূর্বে যাদের জন্ম এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত যারা ডেটাবেইজে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিল এবং দাখিলকৃত আবেদন নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সংক্রান্তে বিস্তারিত সময়সূচি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত ও মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের নিকট লিংক প্রেরণের শেষ তারিখ আগামী ৪ আগস্ট, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ৯ আগস্ট, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিলের শেষ তারিখ ২৪ আগস্ট, সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনসমূহ নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২৭ আগস্ট, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনের ওপর গৃহীত সিদ্ধান্ত সন্নিবেশের শেষ তারিখ ২৮ আগস্ট, হালনাগাদকৃত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট।

এতে আরো বলা হয়, এ কার্যক্রম চলাকালীন মুদ্রিত খসড়া ভোটার তালিকা জনসাধারণের পরিদর্শন ও ভুলত্রুটি সংশোধনের আবেদন দাখিলের আহ্বান জানিয়ে মসজিদ/মন্দিরসহ ধর্মীয় উপসনালয়ে ইমাম/পুরোহিতগণের মাধ্যমে নামাজ/প্রার্থনার আগে বা পরে ঘোষণা প্রদান, স্থানীয় সাংবাদিক ও ক্যাবল অপারেটরের মাধ্যমে জনস্বার্থে তা প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নগদ সহায়তা বাড়ানোসহ ৬ দাবি বস্ত্রশিল্প মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নগদ সহায়তা বাড়ানোসহ ৬ দাবি বস্ত্রশিল্প মালিকদের

দেশীয় টেক্সটাইল ও স্পিনিং শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই রাখতে নগদ সহায়তা বৃদ্ধি, আয়কর সুবিধা অব্যাহত রাখা এবং কাঁচামালের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। এ সময় অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী ও সহসভাপতি আবুল কালামও বৈঠকে অংশ নেন।

অর্থমন্ত্রীর কাছে দেওয়া এক চিঠিতে বিটিএমএ জানায়, দেশের স্পিনিং, উইভিং, ডাইং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং খাতে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। এ শিল্পে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এ খাত থেকে। তবে আমদানি করা সুতা ও কাঁচামালের ওপর নির্ভরতা, উচ্চ উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে শিল্পটি বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে।

সংগঠনটির প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—রপ্তানিতে ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের শর্ত পুনর্বহাল, দেশীয় সুতা ব্যবহারে উৎসাহ দিতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা বর্তমান ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা এবং প্রাথমিক টেক্সটাইল খাতের জন্য ১২ শতাংশ আয়কর হার ২০৩০ সাল পর্যন্ত বহাল রাখা।

এ ছাড়া পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার (পিএসএফ), পিভিসি রেজিন ও পিইটি রেজিনের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, নগদ সহায়তার ওপর উৎসে করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করা এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণের ক্ষেত্রে আয়কর আইনের কিছু বিধান থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান হয়েছে, আর বাকি বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। তিনি শিল্পের বিকাশ ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন। 

ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেশে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে বেসরকারি সংসদ সদস্যদের ওপর উত্থাপিত বিলের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সিলেট-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের একটি বেসরকারি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'পুরো বাংলাদেশ এখন ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত। আমাদের যুবসমাজ এলাকায় এলাকায় ফুটবল নিয়ে মেতে আছে। কিন্তু এর মধ্যেও এই বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বেশ কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন মানুষ মারা গেছেন।’

এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে বলব খেলা আনন্দের একটি বিষয়। এটা আনন্দ ছাড়া আর কিছু না। এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা যে উত্তেজনা, এটা যেন আনন্দময় থাকে। কিন্তু সহিংসতা নয়।’

তিনি বলেন, ‘এটাকে কেন্দ্র করে কেউ কোনো বিশৃঙ্খলা বা সহিংস ঘটনায় কোনো প্রাণনাশ যেন না হয় তার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’

মো. আমিনুল হক আরও বলেন, ‘খেলা একটা আনন্দদায়ক বিষয়, এটা নিয়ে উন্মাদনা থাকবে, উৎসাহ থাকবে। ঘরে ঘরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যুদ্ধ চলমান রয়েছে। ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, তাদের টিম হেরে গেছে। দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যে পরিবেশ, তা যেন আনন্দময় থাকে। এটাকে কেন্দ্র করে দেশে যেন প্রাণনাশের ঘটনা না ঘটে।’
 

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাসের আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সরোয়ার আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। শপথগ্রহণ শেষে নববির্বাচিত সংসদ-সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে সই করেন।

এর আগে, সরোয়ার আলমগীরের প্রাথির্তা বৈধ এবং তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে সরোয়ার আলমগীর প্রায় ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত ছিল। সম্প্রতি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে সব আইনি বাধা দূর হয়। এরপর আদালতের রায়ের আলোকে নির্বাচন কমিশন তাকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলেও ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। আপিলের পর কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করলে সরোয়ার আলমগীর হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তাকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেন। পরে আপিল বিভাগ তাকে নির্বাচন করার সুযোগ দিলেও চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। এরপর হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পর তার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সব আইনি বাধা দূর হয়।