• ই-পেপার

স্থানীয় নির্বাচন

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোলরুম চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোলরুম চালু

মৌসুমি অতি ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সৃষ্ট ও সম্ভাব্য আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কন্ট্রোলরুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আজ বৃহস্পতিবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হানের স্বাক্ষর করা এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

দপ্তরাদেশে বলা হয়, গতকাল ৮ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাজধানীর গ্রীন রোডে পানি ভবনের দ্বিতীয় তলায় কেন্দ্রটির কার্যালয়ে দিনরাত কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে।

এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া [email protected] এবং [email protected] ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

নগদ সহায়তা বাড়ানোসহ ৬ দাবি বস্ত্রশিল্প মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নগদ সহায়তা বাড়ানোসহ ৬ দাবি বস্ত্রশিল্প মালিকদের

দেশীয় টেক্সটাইল ও স্পিনিং শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই রাখতে নগদ সহায়তা বৃদ্ধি, আয়কর সুবিধা অব্যাহত রাখা এবং কাঁচামালের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। এ সময় অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী ও সহসভাপতি আবুল কালামও বৈঠকে অংশ নেন।

অর্থমন্ত্রীর কাছে দেওয়া এক চিঠিতে বিটিএমএ জানায়, দেশের স্পিনিং, উইভিং, ডাইং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং খাতে প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। এ শিল্পে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এ খাত থেকে। তবে আমদানি করা সুতা ও কাঁচামালের ওপর নির্ভরতা, উচ্চ উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে শিল্পটি বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে।

সংগঠনটির প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—রপ্তানিতে ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের শর্ত পুনর্বহাল, দেশীয় সুতা ব্যবহারে উৎসাহ দিতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা বর্তমান ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা এবং প্রাথমিক টেক্সটাইল খাতের জন্য ১২ শতাংশ আয়কর হার ২০৩০ সাল পর্যন্ত বহাল রাখা।

এ ছাড়া পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার (পিএসএফ), পিভিসি রেজিন ও পিইটি রেজিনের ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, নগদ সহায়তার ওপর উৎসে করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করা এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণের ক্ষেত্রে আয়কর আইনের কিছু বিধান থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান হয়েছে, আর বাকি বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে। তিনি শিল্পের বিকাশ ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন। 

পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি

বিশেষ প্রতিনিধি
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শুরু হয়েছে জাতীয় পরিবেশ মেলা। সপ্তাহব্যাপী মেলার উদ্বোধন শেষে সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণেই বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি মেলায় অংশ নেওয়া পরিবেশবাদী সংগঠনের স্টল ও নানা রকম ফুল-ফল আর ঔষুধি গাছ দিয়ে সাজানো নার্সারিগুলো ঘুরে দেখেন। স্টলে স্টলে ঘোরার সময় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উদ্যোগের খোঁজখবর নেন এবং তরুণদের পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণের মঞ্চের কাছে পরিবেশবাদী সংগঠন ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশন (সিএজেএফ)-এর স্টলও পরিদর্শন করেন। এ সময় তাকে সংগঠনটির জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, প্লাস্টিক দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, শিশু-কিশোরদের পরিবেশ শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

স্টলে প্রদর্শিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, জলবায়ু সহনশীল আদর্শ গ্রাম নির্মাণের পরিকল্পনা, সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটির বহুমুখী উদ্যোগের কথা মন দিয়ে শােনেন প্রধানমন্ত্রী। এসব কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

স্টল পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে শিশুদের আঁকা পরিবেশবিষয়ক একটি চিত্রকর্ম উপহার দেওয়া হয়। তিনি হাসিমুখে উপহারটি গ্রহণ করেন ও চিত্রকর্মের প্রশংসা করেন।

ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্টল পরিদর্শন করে কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং উৎসাহব্যঞ্জক মন্তব্য করেছেন। পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে আমাদের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। দেশের সরকারপ্রধানের এই স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা আমাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও জলবায়ু ন্যায়বিচার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তরুণদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উৎসাহ সংগঠনের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং তরুণ কর্মীদের জন্য বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন আমাদের স্টলে এসে অনুপ্রেরণা দেন তখন পরিবেশ নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আরো অনেক বেড়ে যায়। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

কাগজের কলম দেখে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

মেলা প্রাঙ্গণে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘মিশন গ্রীন বাংলাদেশ’-এর স্টলে গিয়ে চমকে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তরুণদের তৈরি পরিবেশবান্ধব ‘কাগজের কলম’ (পেপার পেন রেভল্যুশন) দেখে তিনি খুশি হন।

সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই কাগজের কলমটি এতটাই পছন্দ করেছেন যে, সরকারি অফিস-আদালতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে এই পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সংগঠনের সিগনেচার উদ্যোগ ‘ভাংরি মামা’র অভিনব চিন্তাভাবনারও ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘বাহ! আপনি তো দারুণ সাজিয়েছেন’

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর স্টল দেখার আগে প্রধানমন্ত্রী ঢোকেন ফুলে-ফলে সুসজ্জিত বিভিন্ন নার্সারির স্টলে। একটি নার্সারির চমৎকার সাজসজ্জা দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বাহ! আপনি তো দারুণ সাজিয়েছেন।’ তিনি কেবল প্রশংসাই করেননি, বরং নার্সারির ভেতরের খোঁজ নিতে তাদের জিজ্ঞেস করেন- গাছগুলো কি শুধুই মেলা উপলক্ষে এভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে, নাকি বাস্তবেও এমন? জবাবে নার্সারির প্রতিনিধিরা জানান, সাভারের আশুলিয়াতে তাদের মূল নার্সারিটিও ঠিক একইভাবে সাজানো-গোছানো। এ কথা শুনে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলেও তার এই সফর মেলার স্বেচ্ছাসেবক ও বৃক্ষপ্রেমীদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। মেলায় অংশ নেওয়া তরুণদের মতে, দেশের সর্বোচ্চ অভিভাবক যখন নিজে এসে এভাবে উৎসাহ দেন, তখন পরিবেশ রক্ষার লড়াইটা আরো সহজ হয়ে যায়।

পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ এর জাতীয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে এ পদক তুলে দেন। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী।

পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন মো. মনির হোসেন। পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড। পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস। এ ছাড়া পরিবেশবিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেশে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে বেসরকারি সংসদ সদস্যদের ওপর উত্থাপিত বিলের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সিলেট-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের একটি বেসরকারি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'পুরো বাংলাদেশ এখন ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত। আমাদের যুবসমাজ এলাকায় এলাকায় ফুটবল নিয়ে মেতে আছে। কিন্তু এর মধ্যেও এই বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বেশ কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জন মানুষ মারা গেছেন।’

এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে বলব খেলা আনন্দের একটি বিষয়। এটা আনন্দ ছাড়া আর কিছু না। এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা যে উত্তেজনা, এটা যেন আনন্দময় থাকে। কিন্তু সহিংসতা নয়।’

তিনি বলেন, ‘এটাকে কেন্দ্র করে কেউ কোনো বিশৃঙ্খলা বা সহিংস ঘটনায় কোনো প্রাণনাশ যেন না হয় তার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’

মো. আমিনুল হক আরও বলেন, ‘খেলা একটা আনন্দদায়ক বিষয়, এটা নিয়ে উন্মাদনা থাকবে, উৎসাহ থাকবে। ঘরে ঘরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যুদ্ধ চলমান রয়েছে। ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, তাদের টিম হেরে গেছে। দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যে পরিবেশ, তা যেন আনন্দময় থাকে। এটাকে কেন্দ্র করে দেশে যেন প্রাণনাশের ঘটনা না ঘটে।’