• ই-পেপার

সারা দেশে দিন-রাতে বাড়বে তাপমাত্রা

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : শামা ওবায়েদ

অনলাইন ডেস্ক
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : শামা ওবায়েদ

ফ্যাসিবাদী আমলে অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে পুনরুদ্ধারে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

আজ রবিবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের বাস্তবায়নে যেসব বিনিয়োগ দরকার সেটা দেশে আনতে কাজ করছি। ফ্যাসিবাদী আমলে অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার।’

তিনি বলেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী দেশে যাতে অর্থনৈতিক কোনো সংকট না আসে, সে ব্যাপারে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নানা উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছে ইউরোপের দেশসমূহ। বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হয়েছে। বিনিয়োগের প্রায়োরিটি খাত হিসেবে গার্মেন্টস, কৃষি, স্পোর্টস এগুলোতে জোর দেয়া হচ্ছে।


 

বাজারের বেশির ভাগ টুথপেস্টেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক : গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক
বাজারের বেশির ভাগ টুথপেস্টেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক : গবেষণা
প্রতীকী ছবি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংস্থাটির গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়।

এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি নমুনার ২২টিতে, ভিয়েতনামের দুটি নমুনার দুটিতেই, থাইল্যান্ডের দুটি নমুনার একটিতে ও ভারতের পাঁচটি নমুনার একটিতে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে 'মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট' শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করে ইএসডিও। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পরিচালিত এ গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন সুপারশপ, খুচরা দোকান ও পাইকারি বাজার থেকে স্থানীয় ও আমদানি করা ১৯ ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই) ল্যাবরেটরিতে নমুনাগুলো বিশ্লেষণ করা হয়। একইসঙ্গে দেশব্যাপী ২ হাজার ৭৬০ জনের ওপর একটি ভোক্তা জরিপও পরিচালনা করা হয়।

কোন টুথপেস্টে কতটি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেল

প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট পরীক্ষায় মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে সর্বোচ্চ ৩২০টি কণা পাওয়া যায়। ক্লোজ আপ রেড হটে ১৬০টি কণা, ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশে ১৬০টি কণা, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা-স্ট্রবেরিতে ১৪০টি কণা, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি কণা, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্টে ১০০টি কণা, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারে ১০০টি কণা, সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি কণা, পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্টে ৬০টি কণা, হোয়াইট প্লাস রেডে ৬০টি কণা, হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেলে ৬০টি কণা, মেরিল বেবি-স্ট্রবেরিতে ৬০টি কণা পাওয়া যায়।

এছাড়া সিগন্যাল হোয়াইটেনিংয়ে ৬০টি কণা, মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা টুথপেস্টে ৬০টি কণা, এএম.পিএম. হার্বাল টুথপেস্টে ৪০টি কণা, মেডিপ্লাস ডিএসে ৪০টি কণা, পেপসোডেন্ট জার্মিচেক প্লাসে ৪০টি কণা, মেরিল বেবি-অরেঞ্জে ৪০টি কণা, ম্যাজিক হার্বালে ৪০টি কণা, মেসবাকে ৪০টি কণা, ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশেতে ৪০টি কণা, ডেন্টিন জেল টুথপেস্টে ২০টি কণা, পেপসোডেন্ট কিডস-অরেঞ্জে ২০টি কণা, ক্লোজ আপ লেমন সি সল্টে ২০টি কণা, ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেলে ২০টি কণা এবং হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভে ২০টি কণা পাওয়া যায়।

ইএসডিও জানিয়েছে, এই গবেষণার উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা নয়। বরং বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে জাতীয় মানদণ্ড, গ্রহণযোগ্য সীমা, পরীক্ষার নির্দেশিকা বা লেবেলে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি বৈজ্ঞানিকভাবে তুলে ধরাই ছিল গবেষণার মূল লক্ষ্য।

গবেষণায় আরো বলা হয়, দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় মানদণ্ডের অভাব, নিয়মিত বাজার তদারকির সীমাবদ্ধতা এবং পরীক্ষাগারের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়টি যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইএসডিও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রস্তুতকারক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন, নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের লেবেলে উপাদানের স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে আরো গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান
ছবি : কালের কণ্ঠ

সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ মেনে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেছেন, চলচ্চিত্রে তামাক ও মাদকের নেতিবাচক উপস্থাপন তরুণ সমাজের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে চলচ্চিত্রে তামাকের ব্যবহার পরিহার এবং আইন বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘চলচ্চিত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবায়ন: পরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) জহির রায়হান অডিটরিয়ামে এ সভার আয়োজন করে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।

চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহিন সুমনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, মানসের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সভায় অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষ সচেতন হলেও তামাক কম্পানিগুলোর বিভিন্ন প্রচারণা তামাক নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পীসহ সমাজের সবাইকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তামাকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে শাহীন সুমন বলেন, অনেক চলচ্চিত্রে নেতিবাচক চরিত্র দেখানোর ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ধূমপান ও মাদক সেবনের দৃশ্য রাখা হয়, যা তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পরিচালক সমিতির সদস্যদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তারা জানান, সংশোধিত আইনে সিনেমা, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের দৃশ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রে সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরতে হবে।

তারা আরো বলেন, নায়ক বা কেন্দ্রীয় চরিত্রের আচরণ দর্শকদের, বিশেষ করে তরুণদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ধূমপান ও মাদকের দৃশ্য পরিহার করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ জনের বেশি পরিচালক এবং বিভিন্ন তামাক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবেন না

অনলাইন ডেস্ক
১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবেন না
সংগৃহীত ছবি

১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তদের হজে না যেতে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। এ বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ নিবন্ধন কার্যক্রম। এ সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদেরকে চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে।

প্রাথমিক নিবন্ধনের পূর্বে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ইউজার তৈরি করে যেকেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। তবে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদেরকে হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবে না। এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন—হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমেনশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন—এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবে না।

এ ছাড়া জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন—যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবে না।

প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদেরকে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন ও হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।

সারা দেশে দিন-রাতে বাড়বে তাপমাত্রা | কালের কণ্ঠ