• ই-পেপার

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রেমিককে হত্যা, প্রেমিকা ৩ দিনের রিমান্ডে

ডিপজলের নামে খালাতো ভাই টাইগারের মানহানি মামলা, তদন্তে ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিপজলের নামে খালাতো ভাই টাইগারের মানহানি মামলা, তদন্তে ডিবি

খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন আপন খালাতো ভাই আজিজুর রহমান টাইগার।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে ডিপজলের খালাতো ভাই এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টাইগার এ মামলা করেন।

মামলায় ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মাজহারুল ইসলাম মারুফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশের ডিসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামি ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আজিজুর রহমান টাইগারের সুনাম, সুখ্যাতি, ব্যাবসায়িক সফলতা, দেশ-বিদেশে পরিচিতিতে ঈষান্বিত হয়ে ডিপজল বিভিন্নভাবে তার অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারই ধারাবাহিকতায় ম্যানেজার আব্দুল গণি গত বছরের ৩ অ্যাগাস্ট আজিজুর রহমান টাইগারের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, টাইগারের নির্দেশে ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিলশাদ, সাইদুর রহমানসহ ১০-১৫ জন তাদের (ডিপজলের) ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজিতে জোর করে সাইনবোর্ড ভেঙে তাদের নামে লাগানোর চেষ্টা করে। তারা জমির মালিকানা দাবি করে সামনের মাস থেকে ভাড়া দাবি করে। তবে জিডির তদন্তে টাইগারের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। পরদিন ডিপজল তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন।

টাইগার দাবি করেন, ওই সম্পত্তির (নাভানা সিএনজি) মালিক তিনি নিজে। ডিপজল ওই সম্পত্তি তার দাবি করে তাকে সমাজে তাকে হেয় করতে চেয়েছেন।

বাদী অভিযোগ করেন, ডিপজল শুধু ফেসবুক পোস্টে ক্ষ্যান্ত হননি। টেলিভিশন, বিভিন্ন পত্রিকায়, অনলাইন নিউজপোর্টালে বিষয়টি প্রচার করে। এতে তার সামাজিক সম্মানহানী করে, ব্যাবসায়িক সুনাম ও কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন।

৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা, ৩ দিনের রিমান্ডে বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ মাসের মেয়েকে আছড়ে হত্যা, ৩ দিনের রিমান্ডে বাবা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর উত্তরায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে সাত মাসের কন্যাসন্তানকে আছড়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় অভিযুক্ত বাবা কবির ইসলামকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক হেলাল উদ্দিন।

মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় উত্তরা সিরাজ মার্কেটসংলগ্ন বালুরমাঠ এলাকায় সাত মাস বয়সি শিশু রাফা মনিকে রাস্তায় আছাড় মারেন বাবা কবির ইসলাম। ঘটনার পরপরই উপস্থিত জনতা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অন্যদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ১৬ জুলাই দুপুরে মারা যায় শিশু রাফা মনি। এ ঘটনায় ১৭ জুলাই তুরাগ থানায় কবিরকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন শিশুটির নানি শারমীন আক্তার। পরবর্তীতে এই মামলায় কবিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তুরাগ থানার উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান ফয়সাল গত ২৩ জুলাই আসামির তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য রবিবার দিন ধার্য করেছিলেন। বিকেলে শুনানিকালে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রিমান্ডের পক্ষে জোর দাবি তোলা হলেও আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পেশায় রিকশাচালক কবির ইসলামের সঙ্গে লিমা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে জন্ম নেয় রাফা মনি। তবে কবির দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবন করে তিনি প্রায়ই স্ত্রী লিমাকে মারধর ও গালাগাল করতেন।

ঘটনার দিন বুধবার লিমার বাবা অসুস্থ থাকায় সন্তানকে নিয়ে তিনি বালুরমাঠ এলাকায় বাবার বাসায় যান। সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সেখানে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কবিরের সঙ্গে লিমার বাগবিতণ্ডা ও তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে কবির ক্ষিপ্ত হয়ে নানির কোল থেকে সাত মাসের শিশুকন্যা রাফা মনিকে ছিনিয়ে নেন। এরপর নির্মমভাবে তাকে মাথার ওপর তুলে রাস্তায় আছাড় মারেন। রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি অবোধ শিশুটিকে।

প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর
ফাইল ছবি

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলমগীর হোসাইন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১২ জুলাই একই মামলায় আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ১০ মে আদালতে মামলাটি করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। মামলা গ্রহণের দিনই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে নির্ধারিত দিনে আসামিরা উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা জারির পরদিন ১৮ জুন আহমেদ জোবায়েরসহ চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। ওই দিন ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আহমেদ জোবায়েরের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং অন্য তিন আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়া অপর তিন আসামি হলেন— আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী।

উল্লেখ্য, মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী ও সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

একরামুল হত্যা

হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অনলাইন ডেস্ক
হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রসফায়ারে একরামুল হক হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়নার আদশে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩ জনকে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

রবিবার (২৬ জুলাই) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ১১ জন আসামির বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি এ মামলায় আনা অভিযোগ তুলে ধরার পাশাপাশি ফরমাল চার্জ আমলে নেওয়ার আবেদন করেন। 

শুনানি শেষে অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার আসামিদের হাজিরের নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়। 

আসামিরা হলেন- ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন (সেনাবাহিনীতে কর্মরত), কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি ও সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান। এর মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আবদুর রহমান বদি, আনোয়ার লতিফ ও মাহাবুব আলম। 

এদিন সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়। 

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। এ ঘটনায় 'আব্বু তুমি কান্না করতেছ যে...' একরামুলের মেয়ের একটি অডিও রেকর্ড তখন দেশজুড়ে আলোচিত ছিল।