• ই-পেপার

২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলবো আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, নাও রাখতে পারেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা নাও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তাভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতিমাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনও প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না। আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন একাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দেই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা করেছেন।’ 

অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
অতিরিক্ত বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন বার্তা
ছবি : কালের কণ্ঠ

জুন মাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে কিছু করণিক ভুল শনাক্ত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। যেগুলো ইতিমধ্যে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে ‘ভূতুড়ে বিল’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মিরানা মাহরুখ বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসে বিল বৃদ্ধি শুধু ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে নয়, বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধিও অন্যতম একটি কারণ।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্রাহকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চতর স্ল্যাবের কারণে অনেকের বিল বেড়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে আমরা করণিক ভুল শনাক্ত করেছি এবং সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি করণিক ভুল হয়েছিল। সেখানে এক গ্রাহকের ইউনিট ৭০ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সেটি ৭০০ ইউনিট হয়ে যায়। ফলে বিদ্যুতের মূল্য দিয়ে যখন এই ইউনিটকে গুণ করা হয় তখন অস্বাভাবিক একটি বিল এসেছে।

এ ক্ষেত্রে করণিক ভুলের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রাহককে তার বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

‘ভূতুড়ে বিলের’ অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধ্যাপক আবুল কাসেমের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখবে মন্ত্রণালয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অধ্যাপক আবুল কাসেমের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখবে মন্ত্রণালয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখতে যা যা করণীয়, মন্ত্রণালয় তা-ই করবে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাংলা একাডেমিতে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

দেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্য সমালোচক ও চিন্তক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানান সহকর্মী, শিক্ষার্থী, লেখক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের মানুষ। শেষ কর্মস্থল বাংলা একাডেমি থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, অপরাজেয় বাংলা হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রতিটি স্থানেই ছিল শোক আর শ্রদ্ধার আবহ।

জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য সমালোচনা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চায় এক উজ্জ্বল নাম অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে।

সকালে শেষ কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে নেওয়া হয় অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহ।

বরেণ্য এ শিক্ষাবিদকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন ও স্মৃতি ধরে রাখতে কাজ করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

বাংলা একাডেমিতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বেলা ১১টায় মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও। পরে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে নেওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে মরদেহ নেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বিদায় জানানো হয় আবুল কাসেম ফজুলল হককে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে হয় আবুল কাসেম ফজুলল হকের শেষ জানাজা। পরে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয় বরেণ্য শিক্ষাবিদকে।

এর আগে গতকাল রবিবার আবুল কাসেম ফজলুল হক হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

আবুল কাসেম ফজলুল হকের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতির অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক : জুবাইদা রহমান

অনলাইন ডেস্ক
শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক : জুবাইদা রহমান
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, ‘শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তারাই আগামীর বাংলাদেশ, দেশগড়ার সৈনিক।’

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে শিশু পরিচর্যা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে শিশুদের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটান ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় পুনর্বাসন কেন্দ্রে শিশুদের উপস্থাপনা ও পরিবেশনা তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান তিনি।

জুবাইদা রহমান বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানে শিশুদের জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে সততা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার মতো মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, লেখাপড়া ও সুশিক্ষার মাধ্যমে এসব শিশুই ভবিষ্যতে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল হয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।