• ই-পেপার

শিগগিরই চালু হচ্ছে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম

সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৫ মাসে ৩৭২০ কল

অনলাইন ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৫ মাসে ৩৭২০ কল
ফাইল ছবি

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে সারা দেশ থেকে ৩ হাজার ৭২০টি কল এসেছে। এর মধ্যে আইনি পরামর্শ সেবা গ্রহণে ৩৭৬টি কল এবং বিভিন্ন মামলার তথ্য জানতে চেয়ে ৭২৯টি কল আসে।

নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য তাৎক্ষণিকই দেওয়া হয়েছে বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, বিলম্বে সেবাপ্রাপ্তি, অসদাচরণ ইত্যাদি সম্পর্কিত মোট ৬৮টি অভিযোগ আসে। এর মধ্যে বিলম্বে আইনি সেবাপ্রাপ্তি, নথি নিখোঁজ ও দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ৫৭টি অভিযোগ আসে, যার মধ্যে নথি নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান এবং অবশিষ্ট বিষয়গুলো সমাধান করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, বাকি ১১টি অভিযোগ বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ সম্পর্কিত। এর মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকগণের বিরুদ্ধে ১টি, জেলা আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে ৭টি (৪টি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়) এবং জেলা আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ৩টি অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে ইতোমধ্যে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

গণসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে গত জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত মোট ৪৩২টি কল আসে। হেল্পলাইন আনা অভিযোগসমূহ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বহির্ভূত হওয়ায় এ বিষয়ে কী করণীয় সে সম্পর্কে তাদের পরামর্শ প্রদান করা হয়। তা ছাড়া, হেল্পলাইন নম্বর ১০৩-তে সেবা গ্রহণের জন্য কল প্রদানকারী সেবাগ্রহীতার কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি এমন কলের সংখ্যা ২ হাজার ১১৫টি।

২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ‘হেল্পলাইন’ সেবা চালু করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিচারপ্রার্থীদের সেবা নিশ্চিত ও সহজ করতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নির্দেশে এই সেবা চালু করা হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ সেবা পাওয়া যায়।

বিচারপ্রার্থী ও সেবাগ্রহীতাদের সহায়তার জন্য ০১৩১৬-১৫৪২১৬ এবং ০১৭৯৫-৩৭৩৬৮০ নম্বরে কল ও হোয়াটসঅ্যাপ সেবা এবং ‘১০৩’ নম্বরে অনলাইন সেবা চালু রয়েছে।

সূত্র : বাসস

ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বা অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমের প্রাথমিক তথ্যমতে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানের পুনাখা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠের গভীরে।

ভুটানে ভূমিকম্পটির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলেও এর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশ কেঁপে উঠেছে। দেশগুলো হলো— বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল এবং চীন।

এদিকে রাজধানীতে ঝাঁকুনি অনুভূত হলে বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। অনেকে আতঙ্কে বাসা থেকে বের হয়ে যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

৬ মৃত শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

অনলাইন ডেস্ক
৬ মৃত শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব দিতে আরো ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইনজীবী শিশির মনির।

শিশির মনির জানান, ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে যৌথ আলোচনা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতেই প্রতিটি সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ক্ষতিপূরণের বাইরেও হাসপাতাল থেকে আগে ঘোষিত অন্য সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের মধ্য থেকে ইতোমধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হবে না—স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমন শোকজের জবাব দিতে তারা আরও ৪৮ ঘণ্টা বা আগামী ৯ জুন পর্যন্ত সময় প্রার্থনা করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই শোকজের জবাব দিতে চায়।

এদিকে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সময় বৃদ্ধির আবেদনের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, শোকজের জবাব দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল আজ রবিবার বিকেল ৫টা। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সময় বৃদ্ধির একটি চিঠি পাওয়া গেছে।

মহাপরিচালক আরো জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়া না গেলে বা আবেদন মঞ্জুর না হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আজকেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বাড়বে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা, রাতেই ১৮ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাড়বে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা, রাতেই ১৮ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
সংগৃহীত ছবি

দেশজুড়ে তীব্র গরমের দাপট খানিকটা কমেছে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে হওয়া বিচ্ছিন্ন বৃষ্টিপাতে। তবে এখনো দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রির ঘরেই অবস্থান করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। এর ফলে আগামী ৫ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরো বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

এদিকে রবিবার (৭ জুন) রাতের মধ্যেই দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, রবিবার রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে সারা দেশে বিস্তার লাভ করার অনুকূল অবস্থায় রয়েছে।

এই অবস্থায় সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এদিকে মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

পাশাপাশি বুধবার (১০ জুন) একই সময় পর্যন্ত সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই দুই দিনেও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

শুক্রবার (১২ জুন) একই সময় পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া এই দুই দিনেও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

রবিবার সন্ধ্যায় রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদারীপুরে দেশের সর্বোচ্চ ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৮৩ মিলিমিটার ছাড়াও কক্সবাজারে ৬২, যশোরে ৫৭, সিলেটে ৫৫, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৪৪, মানিকগঞ্জের আরিচায় ৩২ মিলিমিটারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শিগগিরই চালু হচ্ছে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম | কালের কণ্ঠ