• ই-পেপার

বাস চলাচলে আসতে যাচ্ছে বড় পরিবর্তন

‘নাগা বিফ খিচুড়ি’র নতুন জাদু হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে

অনলাইন ডেস্ক
‘নাগা বিফ খিচুড়ি’র নতুন জাদু হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদকে আরো সমৃদ্ধ করতে হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট উন্মোচন করেছে তাদের নতুন মেন্যু ‘নাগা বিফ খিচুড়ি’।

‘বাংলার স্বাদ’–এই অঙ্গীকারকে ধারণ করে তৈরি এই বিশেষ পদে রয়েছে প্রিমিয়াম মানের গরুর মাংস, আসল নাগা মরিচ আর দেশীয় সুগন্ধি মসলা এবং ধীর আঁচে দীর্ঘ সময় রান্নার ঐতিহ্যবাহী কৌশলের অনন্য সমন্বয়। উৎকৃষ্ট মানের চাল, ডাল ও খাঁটি সরিষার তেল আর আচার দিয়ে প্রস্তুত এই ঝাঁজালো খিচুড়ি। অনন্য এই পদটি ঝালপ্রেমী ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের অনুরাগীদের জন্য এক ভিন্নমাত্রার স্বাদ এনে দেবে।

বাংলার ঐতিহ্যবাহী রন্ধনশৈলীকে আধুনিক ও আরামদায়ক পরিবেশে অতিথিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট নিয়মিত নতুন নতুন দেশীয় স্বাদের পদ সংযোজন করে আসছে। নাগা বিফ খিচুড়ি সেই ধারাবাহিকতায় আরেকটি বিশেষ সংযোজন, যা অতিথিদের জন্য এনে দেবে ঝাঁজ, ঐতিহ্য এবং পরিপূর্ণ রসনাতৃপ্তির এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ ঢাকার সব ভোজনরসিকের হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এসে নতুন নাগা বিফ খিচুড়ি উপভোগ করার জন্য রইল নিমন্ত্রণ।

শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটের কাছে ময়লার স্তূপে আগুন

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালাল বিমানবন্দরের গেটের কাছে ময়লার স্তূপে আগুন
ফাইল ছবি

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটসংলগ্ন ময়লার স্তূপে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৯টা ২০ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। তবে সেখানে গিয়ে সরাসরি কোনো আগুনের অস্তিত্ব না পেলেও ধোঁয়া দেখা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে। আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

রবীন্দ্রসরোবরে নাচ-গান-কবিতায় বর্ষা মঙ্গল উৎসব

অনলাইন ডেস্ক
রবীন্দ্রসরোবরে নাচ-গান-কবিতায় বর্ষা মঙ্গল উৎসব
সংগৃহীত ছবি

নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে রাজধানীর ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবরের মুক্তমঞ্চে হয়ে গেল বর্ষা মঙ্গল উৎসব। বর্ষার গান, নাচ ও কবিতা নিয়ে আয়োজিত এই উৎসবে হাজির ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমী, শিল্পী, সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে এই উৎসব।

আয়োজক বর্ষা মঙ্গল পর্ষদ জানিয়েছে, বর্ষা মঙ্গল উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের বর্ষাকালীন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জীবনধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা। ভবিষ্যতে প্রতিবছর দেশব্যাপী আরো বৃহৎ পরিসরে বর্ষা উৎসব উদযাপনকে একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আয়োজকরা আরো জানান, ঋতুভিত্তিক উৎসব বাংলার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় এখন পহেলা বৈশাখ ছাড়া অন্যান্য ঋতুর উৎসব অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। এই প্রবণতা দীর্ঘ মেয়াদে জাতিকে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

আয়োজকরা বিশ্বাস করেন, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সৃজনশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই ভাবনা থেকেই বর্ষা মঙ্গল উৎসবের আয়োজন।

ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক
ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার কাছে তুলে দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা সহায়তা। সংগৃহীত ছবি

মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা। চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া এই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ইয়াসমিন আরা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে একজন অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। তবে হঠাৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তার স্বাভাবিক জীবন থমকে যায়। ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারও আর্থিক সংকটে পড়ে।

ইয়াসমিন আরা বলেন, ‘আমার চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। একটি ইনজেকশনের দামই ছিল এক লাখ টাকা। আমার ক্যান্সার থার্ড স্টেজে ধরা পড়েছে এবং লিম্ফ নোডেও ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে আমাকে ওরাল কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে। এই ওষুধের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘শরীরটা খুব একটা ভালো চলছিল না, তার পরও আমি ক্লাস নিতে যেতাম। স্টুডেন্টরা আমার ক্লাস খুব পছন্দ করে। আমি চাই, শরীরটা আরেকটু ফিট হলে আবার যেন কাজে ফিরতে পারি। বসে থাকতে ভালো লাগে না। শরীরটা সুস্থ হলে আমি আবার কিছু একটা করতে চাই।’

শিক্ষিকার এই সংকটের কথা জানতে পেরে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তার পাশে দাঁড়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তার পাশে রয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে আমাদের চেয়ারম্যান যেভাবে হাত বাড়িয়েছেন, সমাজের সব বিত্তবান মানুষও যেন এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন—এটাই আমাদের আহ্বান।’

এই সহায়তা ইয়াসমিন আরার জন্য শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস ও আশারও উৎস হয়ে উঠেছে। ক্যান্সারকে জয় করে আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।