• ই-পেপার

ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

ধানমণ্ডির সুধাসদনে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
ধানমণ্ডির সুধাসদনে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবন সুধাসদনে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ধানমণ্ডি ৫ নম্বর সড়কের ওই ভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত যুবকের নাম মো. শাকিল (২০)। তিনি মোহাম্মদপুরের ঝিগাতলার শিবপুরটালি অফিস এলাকার সেকান্দার আলী মাতুব্বরের ছেলে।

ধানমণ্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ওয়াদুজ্জামান বলেন, স্থানীয় লোকজনের মুখে জানতে পারি, ধানমণ্ডি সুধাসদনে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই ওয়াদুজ্জামান আরো জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

পান্থকুঞ্জ পার্ক রক্ষায় প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পান্থকুঞ্জ পার্ক রক্ষায় প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নের দাবি
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পান্থকুঞ্জ পার্কে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন এবং ঢাকার উন্মুক্ত সবুজ স্থান সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

তারা জানান, উন্নয়নের নামে পার্ক, জলাধার ও সবুজ এলাকা ধ্বংস করা হলে ঢাকার বাসযোগ্যতা আরো সংকুচিত হবে।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর প্ল্যানার্স টাওয়ারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) কনফারেন্স হলে ‘পান্থকুঞ্জ পার্ক : ফাইট ফর দ্য আরবান কমন্স ইন ঢাকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব দাবি ও মতামত উঠে আসে।

আরবান স্টাডিজ ফাউন্ডেশন (ইউএসএফ) অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এর আওতায় পরিচালিত ‘দ্য ফাইভ সিটি মাস্টারক্লাস সিরিজ : অর্ডিনারি ইকোলজিস অব রিপেয়ার’-এর অংশ হিসেবে ইন্টারডিসিপ্লিনারি সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব গ্লোবাল চেঞ্জ, বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) এবং দুনিয়াদারি আর্কাইভ যৌথভাবে এ আয়োজন করে।

বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক মু. মোসলেহ উদ্দীন হাসানের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ গাছ রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক আমিরুল রাজীব ও নাঈম উল হাসান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তারা বলেন, পান্থকুঞ্জ এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে নগরের উন্মুক্ত স্থান, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও নাগরিক জীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আমিরুল রাজীব দাবি করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে প্রায় দুই হাজার গাছ অপসারণ করা হয়েছে, যার ফলে জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নাঈম উল হাসান উপস্থাপনায় পান্থকুঞ্জ রক্ষায় ১৬৮ দিনব্যাপী আন্দোলন, আদালতে রিট, নাগরিকদের সংগঠিত করার উদ্যোগ, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সীমাবদ্ধতা, পরিকল্পনা অনুসরণ না করা, প্রকল্প ব্যয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সম্ভাব্য প্রাণহানিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

মূল উপস্থাপনার পর অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ঢাকার অপরিকল্পিত নগরায়ণ, উন্মুক্ত স্থানের সংকট, দূষণ এবং ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ আশ্রয়স্থলের অভাব নগরবাসীর জীবনমানকে ক্রমেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ বলেন, আদালত পরিবেশ সংরক্ষণের পক্ষে অবস্থান নিলেও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। পরিবেশ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর আইন প্রয়োগ জরুরি।

লেখক ও চিন্তাবিদ ফিরোজ আহমেদ বলেন, পার্ক ও জলাধার ধ্বংসের জন্য জনগণের চেয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনাই বেশি দায়ী। তাই পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বুয়েটের অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসীব চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে নগরের উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য জনস্বার্থভিত্তিক আইন ও নীতিমালার সংস্কার প্রয়োজন।

পান্থকুঞ্জ প্রভাতী সংঘের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুদ্দিন তুহিন বলেন, উন্নয়নের নামে নাগরিকদের উন্মুক্ত স্থান ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নষ্ট করা গ্রহণযোগ্য নয়।

বিআইপির উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, ‘আরবান কমন্স’ সংরক্ষণ রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পরিকল্পনার অব্যবস্থাপনা দূর করে পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান ব্যবস্থাপনায় কার্যকর জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।

বিআইপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, পান্থকুঞ্জে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‌্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে যথাযথ সমীক্ষা ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি প্রকল্পটির পুনর্মূল্যায়ন, র‌্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় গণআন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে বিআইপির সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান বলেন, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য বিষয়টিকে গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সামনে আনা। তিনি ঘটনাপ্রবাহ, তথ্য-উপাত্ত ও প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণের জন্য একটি যৌথ ‘এভিডেন্স বুক’ প্রণয়নের প্রস্তাব দেন এবং গবেষণা, জ্ঞান সৃষ্টি, অ্যাডভোকেসি ও বিভিন্ন সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‘বৃষ্টি নয়, সমন্বয়হীনতায় ডুবছে ঢাকা’, জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপার ৭ সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বৃষ্টি নয়, সমন্বয়হীনতায় ডুবছে ঢাকা’, জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপার ৭ সুপারিশ

রাজধানীর জলাবদ্ধতা কেবল অতিবৃষ্টির কারণে নয়, বরং দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীন নগর ব্যবস্থাপনা, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর জবাবদিহির অভাবের ফল বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। একই সঙ্গে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা এবং অংশগ্রহণমূলক নগর শাসন নিশ্চিত করতে ৭ দফা সুপারিশ দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বৃষ্টি নয়, সমন্বিত অব্যবস্থাপনায় ডুবছে ঢাকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাপার নির্বাহী সদস্য ও নগরায়ন কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি ইকবাল হাবিব। তিনি বলেন, প্রতি বর্ষায় ঢাকায় জলাবদ্ধতার জন্য শুধু বৃষ্টিকে দায়ী করা যাবে না। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়হীনতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়াই এ সংকটের মূল কারণ।

তিনি বলেন, ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজউক, সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নগর পরিকল্পনায় নাগরিক, বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবী সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

সেমিনারে বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, জলাবদ্ধতা এখন শুধু ঢাকার নয়, দেশের বড় শহরগুলোরও অন্যতম সমস্যা। এ সংকট মোকাবেলায় সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিশিষ্ট পানিবিজ্ঞানী অধ্যাপক এম. ফিরোজ আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতায় দেশের ড্রেনেজ ও সুয়ারেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান এবং পাম্পিং স্টেশন উন্নয়ন ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, অধিকাংশ ড্রেন ময়লায় ভরে থাকায় পানি দ্রুত নামতে পারে না। এ ছাড়া পুরনো নকশা পরিবর্তন করে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

সেমিনারে মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, স্থপতি ড. খুরশিদ জাবিন হোসেন তৌফিক, পরিকল্পনাবিদ মো. আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেমিনারে জলাবদ্ধতা নিরসনে সাতটি সুপারিশ তুলে ধরেন। বাপার ৭ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—আধুনিক বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় ড্রেনেজ উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়নে বিকল্প পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বাস্তবায়ন।

স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন
ছবি : কালের কণ্ঠ

দুর্যোগকবলিত মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মানবিক খাতের বিশেষজ্ঞ, সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়ন সহযোগীরা।

তারা বলেছেন, স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণ প্রকাশের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড আরো সহজে বুঝতে ও বাস্তবায়ন করতে পারবেন। এর ফলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মান, জবাবদিহি ও কার্যকারিতা বাড়বে।

শনিবার (২৫ জুলাই) জধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। স্ফিয়ার কমিউনিটি বাংলাদেশ, কোস্ট ফাউন্ডেশন ও দুর্যোগ ফোরামের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ফোরামের সদস্য সচিব গওহার নঈম ওয়াহরা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারোল ফ্লোর-স্মেরেজমিয়াক, ইউএনএইচসিআরের উপ-প্রতিনিধি জুলেয়েট মুরে কিসোনি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএম) নিতাই চন্দ্র দে সরকার, কোস্ট ফাউন্ডেশনের রেজাউল করিম চৌধুরী, এশিয়ান ডিজাস্টার রিডাকশন অ্যান্ড রেসপন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান তাকেশি কোমিয়ানো, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কবিতা বোস এবং এনজিও প্ল্যাটফর্ম কক্সবাজারের তাহমিনা হকসহ অনেকে।

রেজওয়ানুর রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়ন এবং স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা অনুবাদ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। সরকারি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরে (এসওপি) এসব মানদণ্ড অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারোল ফ্লোর-স্মেরেজমিয়াক বলেন, শুধু হ্যান্ডবুক প্রকাশ করলেই হবে না, এর বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

ইউএনএইচসিআরের উপ-প্রতিনিধি জুলেয়েট মুরে কিসোনি বলেন, হ্যান্ডবুকটির স্থানীয়করণ ও নিয়মিত চর্চা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

কোস্ট ফাউন্ডেশনের রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় এই হ্যান্ডবুক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

জেনেভাভিত্তিক স্ফিয়ার সচিবালয়ের জুনায়রা শামস মানদণ্ড বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এশিয়ার আঞ্চলিক স্ফিয়ার ফোকাল তুবা সিদ্দিকী স্ফিয়ার মানদণ্ড স্থানীয় পর্যায়ে আরো বিস্তারের আহ্বান জানান।

এশিয়ান ডিজাস্টার রিডাকশন অ্যান্ড রেসপন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান তাকেশি কোমিয়ানো বলেন, দুর্যোগকবলিত মানুষের অধিকার ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে, যাতে তারা মানবিক সংস্থাগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারেন। সারা দেশে স্ফিয়ার মানদণ্ড বাস্তবায়নে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।