• ই-পেপার

স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন

‘বৃষ্টি নয়, সমন্বয়হীনতায় ডুবছে ঢাকা’, জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপার ৭ সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘বৃষ্টি নয়, সমন্বয়হীনতায় ডুবছে ঢাকা’, জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপার ৭ সুপারিশ

রাজধানীর জলাবদ্ধতা কেবল অতিবৃষ্টির কারণে নয়, বরং দীর্ঘদিনের সমন্বয়হীন নগর ব্যবস্থাপনা, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর জবাবদিহির অভাবের ফল বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। একই সঙ্গে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা এবং অংশগ্রহণমূলক নগর শাসন নিশ্চিত করতে ৭ দফা সুপারিশ দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বৃষ্টি নয়, সমন্বিত অব্যবস্থাপনায় ডুবছে ঢাকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাপার নির্বাহী সদস্য ও নগরায়ন কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি ইকবাল হাবিব। তিনি বলেন, প্রতি বর্ষায় ঢাকায় জলাবদ্ধতার জন্য শুধু বৃষ্টিকে দায়ী করা যাবে না। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়হীনতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়াই এ সংকটের মূল কারণ।

তিনি বলেন, ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজউক, সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি নগর পরিকল্পনায় নাগরিক, বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবী সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

সেমিনারে বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, জলাবদ্ধতা এখন শুধু ঢাকার নয়, দেশের বড় শহরগুলোরও অন্যতম সমস্যা। এ সংকট মোকাবেলায় সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিশিষ্ট পানিবিজ্ঞানী অধ্যাপক এম. ফিরোজ আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতায় দেশের ড্রেনেজ ও সুয়ারেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান এবং পাম্পিং স্টেশন উন্নয়ন ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, অধিকাংশ ড্রেন ময়লায় ভরে থাকায় পানি দ্রুত নামতে পারে না। এ ছাড়া পুরনো নকশা পরিবর্তন করে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

সেমিনারে মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, স্থপতি ড. খুরশিদ জাবিন হোসেন তৌফিক, পরিকল্পনাবিদ মো. আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেমিনারে জলাবদ্ধতা নিরসনে সাতটি সুপারিশ তুলে ধরেন। বাপার ৭ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—আধুনিক বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় ড্রেনেজ উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়নে বিকল্প পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বাস্তবায়ন।

ঢাকা রিজেন্সি ও রিহ্যাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা রিজেন্সি ও রিহ্যাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের গ্র্যান্ড সামিট-২ হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। এর মাধ্যমে রিহ্যাবের সদস্য, তাদের কর্মী ও আইনগত নির্ভরশীল, রিহ্যাব সচিবালয়ের কর্মকর্তা এবং তাদের নির্ভরশীলরা বছরব্যাপী ঢাকা রিজেন্সির বিশেষ আতিথেয়তা সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

চুক্তি অনুযায়ী, রিহ্যাব সদস্যরা হোটেলের কক্ষ বুকিংয়ে (অ্যাকোমোডেশন) সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় এবং খাবারের ক্ষেত্রে ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’ সুবিধা পাবেন।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট (২) আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, রিহ্যাব পরিচালক এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী ও হাবিবুর রহমান হাবিব।

এ ছাড়া ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হোটেলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিদ্দিকীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর ও ফটোসেশনের মাধ্যমে আতিথেয়তা ও আবাসন খাতের মধ্যে নতুন এই অংশীদারি আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে রিহ্যাব সদস্যরা বিশেষ সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো বাড়বে।

ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪২

অনলাইন ডেস্ক
ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪২
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ২৯টি মামলা দায়ের করা হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে ২৯টি মামলা দায়ের করা হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩১ জন, লালবাগ বিভাগে ৩০ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৫৪ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬৭ জন, মিরপুর বিভাগে ১১৯ জন, গুলশান বিভাগে ২৯ জন ও উত্তরা বিভাগে ৫৬ জন রয়েছেন। এছাড়া, গোয়েন্দা বিভাগ ৬ জন এবং সিটিটিসি একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ছাতার কাপড়ের পোড়া অংশ, ছাতার বাট, একটি সান লাইট ব্যাটারির অংশ, ছাতার রডের খণ্ডিত অংশ, ৯ ভোল্ট ব্যাটারির খণ্ডিত অংশ, বিয়ারিংয়ের ১২টি বল, জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ৪৬ পিস ইয়াবা, ২১৬ গ্রাম গাঁজা, ৫০ টাকার নোটের ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাইপ, একটি বোতলের কর্ক, এক টুকরা ফুয়েল পেপার এবং একটি মাথা খোলা গ্যাস লাইট, ১৬টি মোবাইল, ২১টি বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, ১০টি বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই, ৪৪৩টি সিমকার্ড ও একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর যেসব এলাকার শনিবার দোকান ও মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর যেসব এলাকার শনিবার দোকান ও মার্কেট বন্ধ

প্রতিদিন কোথাও না কোথাও কেনাকাটা করতে যেতে হয়। অনেক সময় ওই এলাকার তথ্য না জেনে গিয়ে দেখা যায় সেখানকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। নিয়মিত সাপ্তাহিক বন্ধের অংশ হিসেবে এসব এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখেন ব্যবসায়ীরা। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

জেনে নিন শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যে সব এলাকার দোকান
যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, শ্যামবাজার, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জয়কালী মন্দির, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যে সব মার্কেট
গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে।