• ই-পেপার

আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা সিজেপির

কলকাতায় বিক্ষোভে মমতা, পুলিশের সঙ্গে তৃণমূলের ধস্তাধস্তি

অনলাইন ডেস্ক
কলকাতায় বিক্ষোভে মমতা, পুলিশের সঙ্গে তৃণমূলের ধস্তাধস্তি

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, শনিবার কলকাতার পদ্মপুকুরে আয়োজিত ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রস্তাবিত মিছিলের অনুমতি না দেননি কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরেও পূর্বে ঘোষিত এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলে সেখানে পুলিশ ও তৃণমূলের কালিঘাট গোষ্ঠীর সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করার সময় পুলিশ বেলেঘাটা কেন্দ্রের বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং ছাত্রনেতা বৈশ্বনার চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে। এর পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত বিক্ষোভস্থলে পৌঁছান। পরে তিনি স্কুটারে করে কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারে যান।

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) কালিঘাট গোষ্ঠী, দলের যুব সংগঠন ও আইটি সেলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের পরিকল্পনা ছিল পদ্মপুকুর থেকে সিআইটি রোড হয়ে মৌলালি পর্যন্ত একটি মিছিল করার। তবে পুলিশ পূর্বে দেওয়া অনুমতি প্রত্যাহার করলে আয়োজকরা কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। আদালত শেষ পর্যন্ত ওই মিছিলের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এ অবস্থায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পদ্মপুকুরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তৃতীয় দফার আলোচনার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। 

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন কেজরিওয়াল

অনলাইন ডেস্ক
তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন কেজরিওয়াল
ছবি : রয়টার্স

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর তরুণদের অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির আম আদমি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। 

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন।’

কেজরিওয়াল আরো বলেন, ‘আমাদের দেশের জেন-জিদের অনেক অভিনন্দন। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আপনাদের সংগ্রাম সফল হয়েছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয়েছে।’

গণতন্ত্রের বড় বিজয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের গণতন্ত্রের ওপর থেকে আস্থা উঠে যাচ্ছিল। মানুষের মনে হচ্ছিল, সরকার জনগণের কথা শোনে না। জনগণ সরকারের সামনে চিৎকার করে, অনুরোধ করে, হাতজোড় করে, এমনকি পায়ে ধরেও আবেদন জানায়, তবু সরকার কথা শোনে না।’

 

কেজরিওয়াল আরো বলেন, ‘এত বড় আন্দোলনের পর শেষ পর্যন্ত সরকারের অহংকার নত হয়েছে। জনগণের সামনে সরকারকে মাথা নত করতে হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের বড় বিজয়।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখন সরকারের বোঝা উচিত যে জনগণের কথা শুনতে হবে। এটাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য।’

এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকার নিট পরীক্ষার পুরো ব্যবস্থাকে সংস্কার করবে, যাতে আগামী বছর থেকে আর প্রশ্ন ফাঁস না হয়। এই দেশের কোনো শিক্ষার্থীকে আর আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে না হয়।’

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তৃতীয় দফার আলোচনার আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

একনজরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজনৈতিক জীবন

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজনৈতিক জীবন
ছবি : রয়টার্স।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে দেশজুড়ে চলা ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের মধ্যে শনিবার (২৫ জুন) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। বিভিন্ন প্রবেশিকা ও নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা নিয়ে সরকারের ওপর সমালোচনা বাড়তে থাকায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

ওড়িশার প্রবীণ বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান ছাত্রজীবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে এবিভিপির ওড়িশা রাজ্য সম্পাদক এবং ১৯৯৫ সালে জাতীয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান সাবেক লোকসভা সদস্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ২০২১ সালের জুলাইয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, ইস্পাত এবং দক্ষতা উন্নয়নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৪ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রথমবারের মতো লোকসভা সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর তিনি বিজেপির যুব সংগঠন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) জাতীয় সভাপতির দায়িত্ব পান।

সংসদ সদস্য হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালে লোকসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আবেদনপত্র বিষয়ক কমিটি এবং শক্তি বিষয়ক কমিটির সদস্য হন। ২০০৭ সালের আগস্ট থেকে তিনি সংসদের শক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি সরকারি আশ্বাস বিষয়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া ২০১২ সালের মে থেকে ২০১৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত টেলিকম লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম বরাদ্দ ও মূল্য নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিষয় তদন্তে গঠিত যৌথ সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন। তিনি ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। পরে ২০২৪ সালের জুনে অষ্টাদশ লোকসভায় নির্বাচিত হন।

কেন্দ্রীয় সরকারে দায়িত্ব পালনের সময় ধর্মেন্দ্র প্রধান একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী এবং দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৯ সালের মে থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত তিনি পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী এবং ইস্পাতমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের বড় মোড় আসে ২০২১ সালের ৭ জুলাই, যখন তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের জুনে অষ্টাদশ লোকসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর ৯ জুন তিনি আবারও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ধর্মেন্দ্র প্রধান ওড়িশা বিধানসভার সর্বোচ্চ আইনপ্রণেতা সম্মান ‘উৎকলমণি গোপবন্ধু প্রতিভা সম্মান’ লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ধর্মেন্দ্র প্রধান ১৯৬৯ সালের ২৬ জুন ওড়িশার তালচেরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেবেন্দ্র প্রধান ও বসন্ত মঞ্জরী প্রধানের সন্তান। ওড়িশার বাণী বিহার ক্যাম্পাসের উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি নৃবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি মৃদুলা ঠাকুর প্রধানকে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ভারতে প্রশ্নফাঁসের মাস্টারমাইন্ড গ্রেপ্তার!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ভারতে প্রশ্নফাঁসের মাস্টারমাইন্ড গ্রেপ্তার!
সংগৃহীত ছবি

মেডিকেল ভর্তির জন্য নির্ধারিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে এখন উত্তাল ভারত। ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে ভারতে প্রশ্নফাঁস কোনো নতুন ঘটনা নয়। শুধু নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়, ব্যাপারটা এমনও নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন ভর্তি বা চাকরির পরীক্ষার অহরহই প্রশ্নফাঁস হয়। 

ভারতজুড়ে একটি সিন্ডিকেট এই প্রশ্নপ্রত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। এই সিন্ডিকেটের অন্যতম মাস্টারমাইন্ডকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। দীর্ঘদিন চেষ্টার পর শনিবার সকালে বিহার থেকে প্রশ্নফাঁস মামলার মোস্ট ওয়ান্টেড আসামি বিজেন্দ্র গুপ্তকে গ্রেপ্তার করে। বেশ কয়েকদিন ধরেই পুলিশ তাকে খুঁজছিল। কিন্তু বারবার সে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেরাচ্ছিল।

গত ২৮ জুন মহারাষ্ট্রে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এলে তা বাতিল করা হয়। প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের মধ্যেই নতুন করে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে মহারাষ্ট্র পুলিশ।

মহারাষ্ট্রে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল বিজেন্দ্র। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্ত্রীসহ কয়েকজন সহযোগীকে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু বিজেন্দ্রর হদিস মিলছিল না। বারবার অবস্থান বদলের কারণে পুলিশ তার খোঁজে একটি বিশেষ দল গঠন করে আন্তঃরাজ্য তল্লাশি জারি রেখেছিল পুলিশ। 

অবশেষে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ভিওয়ান্ডি থানার পুলিশ ও বিশেষ তদন্ত দল বিহারে একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। অভিযান চলাকালীন পুলিশ বিজেন্দ্র গুপ্তের পাশাপাশি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইন্দ্রজিৎ সিং ওরফে পিকু নামের আরো এক অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে।

সূত্রের খবর, শুধু মহারাষ্ট্র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রই নয়, দেশজুড়ে বহু সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে বিজেন্দ্র জড়িয়ে রয়েছেন বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। ওই সূত্রের দাবি, প্রশ্নফাঁসের সিন্ডিকেট চালাতেন বিজেন্দ্র। 

গত ৫ জুলাই মহারাষ্ট্র পুলিশের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের মামলায় আগ্রার একটি প্রিন্টিং প্রেসের তিন কর্মীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন নরেশকুমার মহোরে, সঞ্জয়কুমার সুরেশচন্দ্র চন্দ্র এবং বাবুলাল নারায়ণসিংহ কুশওয়াহা।

পুলিশ সূত্রে খবর, ছাপাখানা থেকে প্রশ্নফাঁস করেন মহোরে। তার পর সেটি চলে যায় সঞ্জয়কুমার শর্মা নামে ওই ছাপাখানার প্রাক্তন কর্মী এবং আরো এক অভিযুক্ত সোনু কুমারের কাছে। এই দুজন বিজেন্দ্রকে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। আর বিজেন্দ্র তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয়।

গ্রেপ্তারের পরপরই রিজেন্দ্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিমানে করে পুনে হয়ে ভিওয়ান্ডিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশের ধারণা তাকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নফাঁস চক্রের বৃহত্তর নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যাবে। তাছাড়া দেশজুড়ে প্রশ্নফাঁসের অন্য নেটওয়ার্কগুলোর সঙ্গে বিজেন্দ্রর সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখবে পুলিশ।