• ই-পেপার

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে বিক্ষোভ

ঢাকা-দিল্লি রুটে ফ্লাইট বাড়াচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-দিল্লি রুটে ফ্লাইট বাড়াচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের সংখ্যা (ফ্রিকোয়েন্সি) বাড়াচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া। আগামী ২৯ জুলাই থেকে ঢাকা-দিল্লি রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে সংস্থাটি। বাংলাদেশ থেকে ভারতে ভ্রমণকারী যাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ার কারণে এয়ার ইন্ডিয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রকাশিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ঢাকা রুটে 'AI 237' নম্বর ফ্লাইটটি প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ফিরতি ফ্লাইট 'AI 238' ঢাকা থেকে প্রতিদিন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে দিল্লিতে অবতরণ করবে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পর্যটনসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারী যাত্রীদের চাপ দিন দিন বাড়ছে। তবে যাত্রীদের প্রত্যাশা, ভারতে ভ্রমণের বড় সুযোগ তৈরি করতে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা দ্রুত পুরোপুরি স্বাভাবিক বা পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করা হবে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০০ ভিসা ইস্যু করছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন। ভিসাপ্রাপ্তি আরো সহজ ও স্বাভাবিক হলে ঢাকা-ভারত রুটে আকাশ ও স্থলপথে যাত্রী প্রবাহ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে : মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে : মাহ্দী আমিন

তারুণ্যের ক্ষমতায়নকেই বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গড়ে তোলা হবে। এমন একটি সমাজ বিনির্মাণ করা হবে, যেখানে তরুণদের মধ্যে পারিবারিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক শিষ্টাচারের বিকাশ ঘটবে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মাহ্দী আমিন এসব কথা বলেন।‌

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার কথা বলেছেন, যেখানে শিল্পখাত ও  একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় আরো জোরদার হবে, ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিক কোলাবরেশনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।

শ্রমিকবান্ধব সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই ঈদের সময় শ্রমিকদের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ দেখা যায়নি উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, শ্রমিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বকেয়া, বেতন ও বোনাস নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা এমন একটি সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছি, যা দীর্ঘদিন পর সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সেই জনগণের একটি বড় অংশ ছিল তরুণ সমাজ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ মূলত চারটি ক্ষেত্রে তৈরি হতে পারে, দেশের বেসরকারি খাতে, সরকারি খাতে, দেশের বাইরে এবং স্বনির্ভর বা উদ্যোক্তা হিসেবে। এ চারটি ক্ষেত্রকেই আমাদের সমান গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য হবে না। বরং দেশের চাহিদা ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং একজন শিক্ষার্থী যে বিষয়ে আগ্রহী ও দক্ষ, সেই বিষয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে।

মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য বিভিন্ন ট্রেডভিত্তিক দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। বাস্তব জীবনের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেই প্রশিক্ষণের কার্যকর প্রতিফলন প্রত্যক্ষ করেছি। আমরা চাই তিন মাস, ছয় মাস বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন কোর্স ও ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণের আরো বিস্তৃতি ঘটুক। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বাস্তব কর্মক্ষেত্রের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে অথবা সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। একইভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্যও প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা এমন একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, এসএসসি ও এইচএসসি ভোকেশনাল শিক্ষা, টিটিসিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় আসবে।

বর্তমানে ২৩টি ভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, কিন্তু এসব প্রশিক্ষণের কারিকুলাম, সার্টিফিকেশন, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং শেখানো দক্ষতার মধ্যে সামঞ্জস্যতা প্রয়োজন। এই বাস্তবতা অনুধাবন করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি। লক্ষ্য হচ্ছে, এনএসডিএ-এর সনদ যেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয় এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ ও মানের মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে একটি অভিন্ন মানদণ্ড গড়ে উঠবে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সুযোগ আরো সম্প্রসারিত করবে।

ভারতে ভিসার চাহিদা বাড়ছে, দিনে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতে ভিসার চাহিদা বাড়ছে, দিনে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে ভারতের ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভিসার চাহিদা বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশন ও সংশ্লিষ্ট ভিসা কেন্দ্রগুলো মিলিয়ে দিনে প্রায় ৫ হাজার ভিসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা, পর্যটনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ভারতে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা বাড়ায় ভিসার চাহিদাও বেড়েছে। এদিকে চলতি মাসের ২৯ তারিখ থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ঢাকা-দিল্লি ফ্লাইট বাড়ছে।

ভারতীয় হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভিসা সেবা স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যবসা, উচ্চশিক্ষা ও পর্যটনের জন্য ভারত ভ্রমণের আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশিদের মধ্যে।

এদিকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) বৃত্তি কার্যক্রমের সাম্প্রতিক প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এই বৃত্তির আওতায় ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

আইসিসিআরের বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ভারতের ১৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (এএমইউ) ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার মতো শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আইসিসিআর বৃত্তি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভিসা সেবা স্বাভাবিক হওয়া এবং বৃত্তি কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন : ইসি সচিব

অনলাইন ডেস্ক
এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন : ইসি সচিব

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। আখতার আহমেদ বলেন, ‘সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির বিষয়ে ইসিতে এখনো কোনো নোটিশ আসেনি। এলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে কমিশন।’

এর আগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সাংগঠনিক তদন্তে গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে বিক্ষোভ | কালের কণ্ঠ