• ই-পেপার

ঈদ যাত্রা: শেষ মুহূর্তে বাড়ির পথে জনস্রোত

  • ► সড়কে ধীরগতি থাকলেও তীব্র যানজট ছিল না ► ট্রেনে শৃঙ্খলা রাখা যায়নি

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। ফাইল ছবি

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি-সংক্রান্ত সেবা আরো সহজ, দ্রুত ও অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভূমি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, সচিব মো. মোখতার আহমেদ এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি অফিসে প্রায়োরিটি সার্ভিস চালু, প্রবাসী ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের সুবিধা, নামজারি, মিউটেশনসহ অন্যান্য ভূমি সেবা দ্রুত সম্পন্ন, ভূমি অফিসে প্রবাসী কর্নার বা সহায়তা ডেস্ক স্থাপন এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদনে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজলভ্য করতে প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। এ উদ্যোগ সফল করতে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য উল্লিখিত সব সেবা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

এ ছাড়া প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমি সেবা আরো সহজ ও সমন্বিত করতে মন্ত্রণালয়ে একটি ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন ভূমিমন্ত্রী।

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয় : প্রধানমন্ত্রী

বাসস
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয় : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরো উন্নত এবং সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারি হাসপাতালে গিয়ে কোনো ভোগান্তি ছাড়া খুব সহজে যেন সবাই চিকিৎসা পায়। গ্রামের মানুষের চিকিৎসার জন্য যেন অন্য কোথাও যেতে না হয়। সরকারি হাসপাতালই যেন একমাত্র ভরসার জায়গা হয়।

একইসঙ্গে চিকিৎসকরা যেন রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরো আন্তরিক হন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে বৈঠক করলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতে গত ৫ মাসের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান। তারা সেগুলো উপস্থাপন করেন।

তারা জানান, বিগত সরকার স্বাস্থ্যখাত একেবারে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। প্রান্তিক মানুষের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বৈঠকে আলোচনা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে এমন অভিযোগ দেখা যায় যে, উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক থাকলেও রোগীরা সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা পান না। চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয় উঠে আসে। এ ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেভাবে হোক গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। তাদের জন্য সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা এবং পর্যাপ্ত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে গিয়ে কোনো ভোগান্তি ছাড়া খুব সহজে যেন সবাই চিকিৎসা পান। সরকারি হাসপাতালই যেন একমাত্র ভরসার জায়গা হয়।

উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা বলেন, কিডনি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক। তিনি কিডনি রোগীদের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কথা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জেলা পর্যায়ে যেখানে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার আছে, সেগুলো ৫০ শয্যায় সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

এর মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ৫১ থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণে প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো স্থাপনের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলেও জানান উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা।

এ সময় গণপূর্তের প্রকোশলীরা অবকাঠামোর নকশাসহ খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আরো দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্মাণাধীন ভবন এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতন হতে হবে। তিনি বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর। এ জন্য এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যক্রম আরো সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের ফলে মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমে নতুন কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তিনি প্রশাসকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং নির্মাণাধীন ভবনসহ সম্ভাব্য প্রজননস্থলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সভায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন,  রংপুর  সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন–স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রবিউল ইসলাম এবং ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান।

তথ্য উপদেষ্টা

পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

কেউ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভা কিংবা উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি মন্ত্রিপরিষদ তৈরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে যতটুকু বুঝি, কেউ ভালো পারফর্ম করতে পারছেন না বলে যদি মনে হয়, সে ক্ষেত্রে দপ্তর পুনর্গঠন বা পুনর্বণ্টন প্রয়োজন মনে করলে তিনি তা করবেন। 
দিনশেষে জনগণের কল্যাণ সাধন করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তবে এই পুনর্গঠন বা দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত ১৮০ দিনের পারফর্ম দেখে নেওয়া হবে কি না সেটি এখনই বলা সম্ভব না বলে জানান তিনি।

সাইবার বুলিং নিয়ে তিনি বলেন, ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য সরকার একটি আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষতার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে, তবে আইন লঙ্ঘন করে কোনো কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।

ঈদ যাত্রা: শেষ মুহূর্তে বাড়ির পথে জনস্রোত | কালের কণ্ঠ